উদ্ধারকাজ শেষ, ধ্বংসস্তূপে নেই আর কোনও মৃতদেহ

উড়ালপুলের ধ্বংসাবশেষ থেকে আটকদের উদ্ধারের কাজ শেষ ৷ ধ্বংসস্তূপে আর কোনও মৃতদেহ থাকার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন সেনা আধিকারিক হরিশ কুকরেজা ৷ এখন শুধু বাকি সেতুর ভগ্নাবশেষ সরিয়ে রাস্তা পরিষ্কারের কাজ ৷ ইতিমধ্যে জোড়াসাঁকো মোড় সম্পূর্ণ পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে ৷ কালীকৃষ্ণ ঠাকুর রোডের অংশটি পরিষ্কার করতে আরও দিন তিনেক সময় লাগবে বলে জানিয়েছে পুরসভা ৷

Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Apr 01, 2016 06:28 PM IST
উদ্ধারকাজ শেষ, ধ্বংসস্তূপে নেই আর কোনও মৃতদেহ
Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Apr 01, 2016 06:28 PM IST

#কলকাতা: উড়ালপুলের ধ্বংসাবশেষ থেকে আটকদের উদ্ধারের কাজ শেষ ৷ ধ্বংসস্তূপে আর কোনও মৃতদেহ থাকার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন সেনা আধিকারিক হরিশ কুকরেজা ৷ এখন শুধু বাকি সেতুর ভগ্নাবশেষ সরিয়ে রাস্তা পরিষ্কারের কাজ ৷ ইতিমধ্যে জোড়াসাঁকো মোড় সম্পূর্ণ পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে ৷ কালীকৃষ্ণ ঠাকুর রোডের অংশটি পরিষ্কার করতে আরও দিন তিনেক সময় লাগবে বলে জানিয়েছে পুরসভা ৷

দুর্ঘটনার পরপরই ডাক পড়েছিল তাদের। ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে পোস্তা উড়ালপুলের ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে অভিযান শেষ করল সেনা ও এনডিআরএফ। বেলা দু'টো নাগাদ সেনার তরফে জানানো হয়, গ্রাউন্ড জিরোয় আটকে নেই আর কেউ। পাশাপাশি স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের অভাবের অভিযোগও উড়িয়ে দিয়েছে সেনা ও এনডিআরএফ। পোস্তায় আপাতত সেনাবাহিনীর উদ্ধারকাজ শেষ বলে জানিয়েছেন, সেনা আধিকারিক হরিশ কুকরেজা । সব এজেন্সির সাহায্যেই দ্রুত কাজ শেষ করা গিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

উত্তরাখণ্ড থেকে চেন্নাই। কোথাও কোনও বিপর্যয় হলেই ডাক পড়ে তাঁদের। কর্তব্য পালনে প্রতিবারই এগিয়ে আসেন তাঁরা। তাঁরা দেশের সেনাবাহিনী। এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দল বা এনডিআরএফ। বৃহস্পতিবার পোস্তায় উড়ালপুল ভেঙে পড়ার পরও ত্রাতার ভূমিকায় সেই সেনা ও এনডিআরএফ। উড়ালপুল বিপর্যয়ের পর, বৃহস্পতিবার দুপুর ২টো নাগাদ ডাক পড়ে সেনার। আড়াইটে নাগাদ ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ইস্টার্ন কমান্ডের ৪ কলাম বাহিনী। সঙ্গে ৩টি মেডিক্যাল ইউনিট এবং ১টি ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিট। দ্রুত পরিস্থিতি বুঝে উদ্ধারকাজে নামে সেনা। সঙ্গে ছিল এনডিআরএফ সদস্যরাও ৷ সেই পর্বের কাজ শেষ বলে দাবি সেনা আধিকারিকের। উড়ালপুলের ঝুলন্ত অংশের উদ্ধারকাজেও সাহায্য করতে প্রস্তুত সেনা ৷ তবে প্রযুক্তিগত দিক খতিয়ে দেখেই উদ্ধারকাজের পরামর্শ দিয়েছেন সেনা আধিকারিকরা । এখন সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা প্রশাসনের ওপর নির্ভর করছে পরবর্তী পদক্ষেপ ।

বৃহস্পতিবার রাতভর উদ্ধারকাজের পর, শুক্রবার সকালেও যুদ্ধকালীন তৎপরতায় অভিযান চালিয়ে যায় সেনা ও এনডিআরএফ। উদ্ধারকাজে ব্যবহার করা হয় অত্যাধুনিক থার্মাল ইমেজিং সেন্সর, গ্যাস ওয়েল্ডিং মেশিন। বিপর্যয়ের পর থেকেই স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসন এবং সেনার মধ্যে সমন্বয় নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল বিভিন্ন মহল থেকে। এদিন সেই অভিযোগ একযোগে উড়িয়ে দিয়েছে সেনা ও এনডিআরএফ। শেষ পর্যন্ত এদিন দুপুর দু'টো নাগাদ অভিযান শেষ করল সেনা-এনডিআরএফ ও স্থানীয় প্রশাসনের যৌথ বাহিনী। ততক্ষণে ধ্বংসস্তূপের নিচে মিনিবাস আটকে থাকার গুজবও কর্পূরের মতো উবে গিয়েছে। কিন্তু মৃতের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ ৷ আহত ৮৮ জন ৷

First published: 06:25:29 PM Apr 01, 2016
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर