• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • রেশনে মুশকিল আসান সেই খাদ্যমন্ত্রী 

রেশনে মুশকিল আসান সেই খাদ্যমন্ত্রী 

 ১লা এপ্রিল সকাল থেকেই রেশন দেওয়া শুরু হতেই বিস্তর অভিযোগ জমা পড়ছে।

১লা এপ্রিল সকাল থেকেই রেশন দেওয়া শুরু হতেই বিস্তর অভিযোগ জমা পড়ছে।

১লা এপ্রিল সকাল থেকেই রেশন দেওয়া শুরু হতেই বিস্তর অভিযোগ জমা পড়ছে।

  • Share this:

#কলকাতা: মন্ত্রীর টেবিলই হেল্প ডেস্ক। সকাল আটটা থেকে ঘন ঘন বেজে চলেছে তার টেবিলে থাকা ফোন। একইসাথে বেজে চলেছে তার নিজের তিনটি মোবাইল ফোন। কল্যাণী থেকে কালিম্পং। বাঁকুড়া থেকে বনগাঁ। কখনও রেশন ডিলারদের ফোন তো কখনও গ্রাহকদের অভিযোগ। ১লা এপ্রিল সকাল থেকেই রেশন দেওয়া শুরু হতেই বিস্তর অভিযোগ জমা পড়ছে। ভয়ে একাধিক রেশন দোকানের মালিক দোকান বন্ধ করে দিচ্ছেন। কেন সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখছেন না গ্রাহকেরা। বাঙালি আত্মঘাতী হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ খোদ খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের। বুধবার সকাল ৭'টা থেকেই গোটা রাজ্যে খুলে দেওয়া হয়েছে সমস্ত রেশন দোকান। ভোর পাঁচটা থেকে কলকাতার একাধিক জায়গা সহ জেলার বিভিন্ন প্রান্তে মানুষ লাইনে দাঁড়িয়েছেন। আর তারপরেই শুরু হয়েছে বিপত্তি। একাধিক জায়গায় মারামারির অভিযোগ এসেছে। আর তার পরেই সমস্যা সামলাতে আসরে নামতে হয় খোদ খাদ্যমন্ত্রীকে। সকাল ৮টা থেকে তাই নিজেই ফোন ধরে সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করলেন।

মন্ত্রীর কথায়, "বারবার বলেছি সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখুন। কিন্তু কেউ কথা শুনছেনা। এরকম চলতে থাকলে রেশন দেওয়া সম্ভব হবে না।" পুরুলিয়া, কামারহাটি, বেলেঘাটা,কোচবিহার, ইছাপুর সহ একাধিক জায়গা থেকে মারামারির অভিযোগ এসেছে। মুল অভিযোগ, কেউ সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখছেন না। পুলিশকে বারবার জানিয়েও সমস্যার সমাধান হয়নি বলে জানাচ্ছেন খাদ্য দফতরের আধিকারিকরা। রাজ্যের ৭ কোটি ৮৬ লক্ষ মানুষকে রেশন সরবরাহ করতে গিয়ে প্রথম দিনেই এই পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় ব্যাপক ক্ষুব্ধ হয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। কিন্তু কেন এই পরিস্থিতি তৈরি হল? কোথাও কি মানুষ ভয় পাচ্ছেন? খাদ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, "প্যানিক হবার তো কিছু নেই। সবাইকে যখন রেশন দেওয়ার কথা বলা হয়েছে তখন দেওয়া হবে। চাল, ডাল, আটা কোনও কিছুর অভাব নেই। হয় প্রতিবেশী আগে পাবে, তারপর আপনি পাবেন। সবাই একটু শান্ত হোক। একটু অপেক্ষা করুক। হাতজোড় করে বলছি।"

মন্ত্রীর আবেদন থাকলেও, গ্রাহকরা অনেকেই তা মানতে রাজি হচ্ছেন না। দফতরের আধিকারিকদের বক্তব্য, জোর করে আজকেই চাল, গম নেব এটাই করে চলেছেন অনেকে। এছাড়া কলকাতার একাধিক রেশন দোকান হয়তো ২০০ মিটারের। কিন্তু সেখানে গ্রাহক রয়েছে প্রায় সাড়ে তিন হাজার। ফলে সেখানেও শুরু হয়ে যায় হুড়োহুড়ি। আর এই হুড়োহুড়ির জেরেই সংক্রমণের ভয় পাচ্ছেন রেশন দোকানের মালিক। অনেকে দোকান বন্ধ করে দিয়েছিলেন। যদিও জেলাশাসকদের সাথে কথা বলে সেই দোকান মালিকদের ফিরিয়ে আনা হয়। মন্ত্রী জানাচ্ছেন, "প্রয়োজন হলে সকাল ৭টা থেকে রাত ১০টা অবধি রেশন দোকান খোলা থাকবে। কিন্তু এমন আচরণ করতে দেওয়া হবে না।" ইতিমধ্যেই রাজ্য খাদ্য দফতর যোগাযোগ করেছে পুলিশ প্রশাসনের সাথে। খাদ্য দফতর আশা করছেন সমস্যা আগামী তিনদিনে মিটে যাবে।

Published by:Akash Misra
First published: