২০১৫-র রাণাঘাট সন্ন্যাসীনি গণধর্ষণে বেকসুর খালাস ১

২০১৫-র রাণাঘাট সন্ন্যাসীনি গণধর্ষণে বেকসুর খালাস ১

ধর্ষক ও ডাকাত দলকে আড়ালের দায়ে দোষীসাব্যস্ত ছিল গোপাল সর্দার। হাইকোর্টে বেকসুর গোপাল সর্দার

  • Share this:

ARNAB HAZRA

#কলকাতা: রাণাঘাট সন্ন্যাসীনি গণধর্ষণে খালাস ১। ধর্ষক ও ডাকাত দলকে আড়ালের দায়ে দোষীসাব্যস্ত ছিল গোপাল সর্দার। হাইকোর্টে বেকসুর গোপাল সর্দার।

মার্চ ২০১৫, রানাঘাটে সন্ন্যাসিনী গণধর্ষণ ও ডাকাতির ঘটনায় শিউরে উঠেছিল গোটা দেশ। ৭২ বছরের সন্ন্যাসিনী-কে যেভাবে ধর্ষণ করা হয়েছিল, তা প্রকারান্তরে প্রশ্ন তুলেছিল রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে।

সিআইডি তদন্তে নামে। এরপর একে একে পাকড়াও হয় ৬জন। ৬জনের মধ্যে ৫ জন বাংলাদেশি নাগরিক। একমাত্র গোপাল সরদার ছিল পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার গঙ্গারামপুরের বাসিন্দা। ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে নগর দায়রা আদালত দোষী সাব্যস্ত করে ৬ জনকেই। ধর্ষক নজরুলকে যাবজ্জীবন সাজা দেয় আদালত। বাকিদের অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে ১০বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়। নগর দায়রা আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে ক্রিমিনাল আপিল মামলা করে গোপাল সর্দার।

বর্তমানে, বর্ধমান সংশোধনাগারে রয়েছে গোপাল। গোপালের আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য এবং অপলক বসু জানান, ' বাংলাদেশের ৫ জন অপরাধ করবে বলে তাদের নিজের বাড়িতে আশ্রয় দিয়েছে গোপাল, এটা তদন্তে কোথাও প্রতিষ্ঠিত হয়নি। কাজেই অপরাধীদের আড়াল করার উদ্দেশ্য এবং আশ্রয় দেওয়া দুটোর মধ্যে অনেক ফারাক রয়েছে। এই বিষয়টি বারবার আদালতের নজরে আনার চেষ্টা করেছি আমরা।'

শুক্রবার বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি রবি কৃষান কাপুর রায়ে জানান, 'পারিপার্শ্বিক তথ্য-প্রমাণাদিতে গোপালকে দোষী সাব্যস্ত করা যায়নি। তদন্তের অনেক ফাঁক-ফোকর রয়েছে।'

ডিভিশন বেঞ্চ এদিন গোপাল সর্দারকে বেকসুর খালাস ঘোষণা করে।

উল্লেখ্য, দোষী সাব্যস্ত ৫ বাংলাদেশী নাগরিকের কেউ-ই হাইকোর্টে ক্রিমিনাল আপিল মামলা করেনি।

হাইকোর্ট গোপালকে বেকুসুর ঘোষণা করায় পরোক্ষে সিআইডি তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল।

First published: 07:37:44 PM Dec 20, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर