• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • RAJIB BANERJEE WENT TO PARTHA CHATERJEE HOUSE THIS TIME AKD

এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়!

এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে হাজির রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি ভিডিও থেকে নেওয়া।

নিছক সৌজন্যের খাতিরেই এই সাক্ষাৎ বলে জানাচ্ছে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠমহল।

  • Share this:

    #কলকাতা: কুনাল ঘোষের বাড়িতে আগেই গিয়েছিলেন, এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাকতলা বাড়িতে হাজির হলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ রবিবার দুপুরেই মাকে হারিয়েছেন তৃণমূল মহাসচিব। সেই কারণেই নিছক সৌজন্যের খাতিরেই এই সাক্ষাৎ বলে জানাচ্ছে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠমহল। তবে রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, ক্রমান্বয়ে এই ধরনের সাক্ষাতে  দুরত্বটুকু কমলেও কমতে পারে। রাজীব আজ সংবাদমাধ্য়মের সামনে কোনও কথা বলতেই রাজি হননি।

    তবে রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যাটুকু উড়িয়েও দেওয়া যাবে না। কারণ আজ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একে একে হাজির হন সুব্রত বক্সী, মালা রায়রা। এই শোকের আবহেই গিয়ে উপস্থিত হন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

    প্রসঙ্গত সোমবারই সন্ধ্যেlতেই কুনাল ঘোষের বাড়িতে পৌঁছে যান রাজীব বন্দ্যোপাধ্য়ায়। প্রায় দেড় ঘন্টা কথা হয় রাজীব-কুনালের। রাজীব এবং কুনাল দুজনেই বুঝিয়ে দেন রাজনৈতিক দূরত্ব বেড়েছে তবে দাদা-ভাইয়ের সম্পর্কটা রয়েই গিয়েছে। রাজীব নিজেও ব্যাখ্যা করে বলেন সেই পুরনো ভ্রাতৃত্ব আর বন্ধুত্বের সম্পর্কসূত্রতেই কুনালের বাড়িতে যাওয়া। কিন্তু জল্পনা তাতে থামেনি। আজ সেই জল্পনাতে আরও ইন্ধন দিল আজ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে রাজীবের উপস্থিতি। কেননা সেসময়ে তৃণমূলের অন্য নেতারাও তৃণমূল মহাসচিবের বাড়িতে ছিলেন।

    রাজীব সরাসরি এখনও বিজেপি থেকে বেরোননি। তবে তাঁর অবস্থান যে বিজেপির বহু নীতির থেকেই বিপ্রতীপে তা তিনি স্পষ্ট ভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি শাসন হোক বা সিএএ-এনআরসি, বিজেপির পদক্ষেপ ভালো লাগছে না তাঁর, প্রকাশ্যেই এ কথা বলেছেন রাজীব। রাজনৈতিক মহলের মতে, এভাবে আসলে অবস্থান জানিয়ে তৃণমূলের দিকে যে তাঁর পা বাড়ানো সেই বার্তাই দিতে চাইছেন রাজীব।

    যদিও তিনি আসতে চাইলেও তৃণমূল তাঁকে রাখতে চায় কিনা এ ব্যাপারে বড় প্রশ্ন চিহ্ন রয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলত্যাগীদের ঘরে ফেরানোর প্রসঙ্গে অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন। বলেছেন, যারা ভোটের মুখে গদ্দারি করে, টাকা খেয়ে দল ছেড়েছিল, দল নিয়ে কুৎসা করেছিল তাদের কোনও ভাবেই ফেরানো হবে না। রাজীবকে কি সেই বর্গেই ফেলছেন মমতা?

    যদিও একথাও ঠিক,  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শর্তে এক ভাবে রাজীব গ্রহণযোগ্য হলেও হতে পারেন। কখনওই মমতা বন্দোপাধ্যায়কে নিয়ে কোনও কুৎসা করেননি তিনি। বরং দল ছেড়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি হাতে। বলেছিলেন তিনি তাঁর মাতৃসমা। কিন্তু তার পরেও সমস্যা থাকছে, যাওয়া যত সহজ ফেরার পথ মসৃণ নয় তত।  কারণ রাজীবের ছেড়ে আসা দফতর নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন সেই দফতরের কাজকর্ম নিয়ে। এই পরিস্থিতিকে রাজীবের দলে ফেরা কি সাধারণ মানুষ ভালোভাবে নেবে, সেই প্রশ্ন আছে। কাজেই বল এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোর্টে। তাঁর বিবেচনাই শেষ কথা বলবে।

    বিস্তারিত আসছে, পাতাটি রিফ্রেশ করুন...

    -ইনপুট আবীর ঘোষাল

    Published by:Arka Deb
    First published: