• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • Railway Fare: দূরপাল্লার ট্রেনের যাত্রা পথে এবার বসছে লেভি

Railway Fare: দূরপাল্লার ট্রেনের যাত্রা পথে এবার বসছে লেভি

 স্টেশন আধুনিকীকরণের কাজ যেখানে হচ্ছে সেখানেই বসবে এই লেভি। 

স্টেশন আধুনিকীকরণের কাজ যেখানে হচ্ছে সেখানেই বসবে এই লেভি। 

স্টেশন আধুনিকীকরণের কাজ যেখানে হচ্ছে সেখানেই বসবে এই লেভি। 

  • Share this:

#কলকাতা: ঘুরপথে রেলের ভাড়া বাড়ানো হচ্ছে। শহর বা শহরতলির ট্রেনে এর প্রভাব পড়বে না। তবে দূরপাল্লার ট্রেনে এর প্রভাব পড়বে। একই সঙ্গে যে-সব স্টেশন আধুনিকীকরণের কাজ করছে সেখান থেকে কাটা প্ল্যাটফর্ম টিকিটের ওপরেও এর প্রভাব পড়তে চলেছে। তবে রেল আধিকারিক সূত্রে খবর, আদৌ এই অর্থ যাত্রীদের থেকে নেওয়া হবে কিনা, তা নির্ভর করছে ওই নির্দিষ্ট জোনের উপরে।

আরও পড়ুন: ভয়াবহ আকার নিচ্ছে দেশে সংক্রমণের হার! ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ১,৪১,৫২৫

ইতিমধ্যেই ভারতীয় রেলওয়ে বোর্ডের তরফ থেকে একটি নির্দেশিকা সামনে এসেছে। সমস্ত জোনের জেনারেল ম্যানেজারদের কাছে পাঠানো সেই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, স্টেশন মানোন্নয়ন ফি বাবদ লেভি গ্রহণ করা হবে। এই লেভি নেওয়া হবে যাত্রীদের থেকে। যাত্রা পথের শ্রেণি অনুযায়ী গৃহীত হবে এই লেভি। আর এই সিদ্ধান্ত ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায় জানিয়েছেন, "আসলে এটি ভাড়া ঘুরপথে বাড়ানো নয়৷ আসলে এটি রাজস্ব আদায়ের পথ তৈরি করা। এই সিদ্ধান্ত একেবারে জনবিরোধী। সাধারণ মানুষের ওপরে অতিরিক্ত বোঝা চাপানোর ব্যবস্থা করা। একদিকে বেসরকারি সংস্থার হাতে রেল তুলে দিতে চাইছে। অন্যদিকে জোর করে ভাড়া বাড়াচ্ছে।"

আরও পড়ুন: করোনার প্রকোপ, দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ হল পুরীর জগন্নাথ মন্দির! কতদিন?

পালটা রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া মিলেছে বিজেপি শিবিরের তরফ থেকে। বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, "মানুষের সাহায্য নিয়েই, মানুষের জন্যে উন্নয়নের কাজ হয়৷ সব কিছুতেই বিরোধীতা আর জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার নীতি ওনার আগে বন্ধ করুন। বিশ্বমানের স্টেশন তৈরি করা হচ্ছে। আর স্টেশন আধুনিকীকরণ, রেল সুরক্ষা সবটাই ওনার নেত্রী যখন রেল মন্ত্রী ছিল তখনই সিদ্ধান্ত হয়েছিল।"

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, লেভি কাদের দিতে হবে। কতটা ধার্য করা হয়েছে। অসংরক্ষিত যাত্রায় স্বল্প দূরত্বের মেমু বা ডেমু'তে গেলে দ্বিতীয় শ্রেণির যাত্রীকে দিতে হবে ১০টাকা। মেল, এক্সপ্রেস ট্রেনের দ্বিতীয় শ্রেণীতে গেলে দিতে হবে ১০টাকা, প্রথম শ্রেণিতে গেলে দিতে হবে ১০টাকা, মেমু বা ডেমু কোচের এসি'তে গেলে দিতে হবে ১০টাকা।সংরক্ষিত নন এসি যাত্রা পথে, দ্বিতীয় শ্রেণির জন্যে ভাড়া দিতে হবে ২৫ টাকা, সাধারণ স্লিপার ক্লাসের জন্যে ভাড়া ২৫ টাকা, মেল, এক্সপ্রেসের স্লিপার ক্লাসের জন্যে দিতে হবে ২৫ টাকা, প্রথম শ্রেণির জন্যে দিতে হবে ২৫ টাকা।  সংরক্ষিত এসি কামরায়, এসি চেয়ার কারের জন্যে ৫০ টাকা, এসি থ্রি টিয়ার বা থ্রি এসি ইকনমির জন্যেও ৫০ টাকা, এসি টু-টায়ারের জন্যে ৫০ টাকা, এসি প্রথম শ্রেণি, এক্সিকিউটিভ চেয়ার কার ও ভিস্টাডোমের জন্যে ৫০ টাকা দিতে হবে লেভি বাবদ৷ এছাড়া উল্লেখ হয়েছে প্ল্যাটফর্ম টিকিটের জন্যেও ১০ টাকা লেভি নেওয়া হবে।

পশ্চিমবাংলায় এই অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হবে আসানসোল স্টেশন থেকে। আপাতত আসানসোল স্টেশন রিডেভলপমেন্ট কাজ জারি আছে। এই স্টেশন থেকে যাঁরা ট্রেনে উঠবেন, তাঁদের শ্রেণি অনুযায়ী ১০,২৫,৫০ দিতে হবে। এই স্টেশনে যাঁরা নামবেন তাদের অর্ধেক দিতে হবে, সেক্ষেত্রে ৫, সাড়ে ১২ ও ২৫ টাকা ধার্য হবে।

Published by:Rukmini Mazumder
First published: