• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • লক ডাউনঃ খিচুরির বদলে বিরিয়ানি, ৫ হাজার মানুষকে দু'বেলা খাওয়াচ্ছে রেল, রাঁধছেন কর্মীরাই

লক ডাউনঃ খিচুরির বদলে বিরিয়ানি, ৫ হাজার মানুষকে দু'বেলা খাওয়াচ্ছে রেল, রাঁধছেন কর্মীরাই

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

গত রবিবার প্রথম খাবার দেওয়ার কাজ শুরু হয়।

  • Share this:

    #কলকাতাঃ মেনু বদল। রেলের ভোজে শুধু খিচুড়ি নয়। এবার থেকে দেওয়া হবে ভেজ বিরিয়ানি। রবিবার থেকেই বিরিয়ানি দেওয়া হচ্ছে প্রায় ৫০০০ মানুষকে। লক ডাউন পরিস্থিতিতে রেলস্টেশন এলাকায় আটকে পড়া মানুষ ও ভবঘুরেদের খাওয়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় ভারতীয় রেল। শিয়ালদহ ও হাওড়া স্টেশনের বাইরে প্রতিদিন রেলরক্ষী বাহিনীর উপস্থিতিতে চলছে খাবার পরিবেশন। ধীরে ধীরে এবার সেই সংখ্যা বৃদ্ধি পেল। হাওড়া বেস কিচেনে প্রতিদিন চলছে প্রায় ৫০০০ লোককে  খাওয়ানোর ব্যবস্থা। সকাল থেকে রাত অবধি ১৩ জন কর্মী অক্লান্ত পরিশ্রম করে খাবার তৈরি করছেন। আইআরসিটিসি'র হিসেব অনুযায়ী, প্রতিদিন প্রায় ৩০০ কেজি চাল ও ৩০০ কেজি সবজি লাগছে এই খাবার তৈরি করতে। আর এই বিপুল পরিমাণ খাবার জোগাড় করতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে রেলকে।

    কলকাতার তিনটি বাজার থেকে এই সমস্ত জিনিস সংগ্রহ করা হয়। আইআরসিটিসি'র গ্রুপ জেনারেল ম্যানেজার দেবাশিস চন্দ জানান, "এখনও পর্যন্ত খাবার জোগাড় করতে অসুবিধা হয়নি। তবে যদি দরকার পড়ে আমরা রাজ্য সরকারের থেকে সাহায্য নেব।" তবে আইআরসিটিসি বিভিন্ন খোলা বাজার থেকেই সংগ্রহ করছে এই সমস্ত কাঁচামাল। হাওড়া বেস কিচেনের ইলেকট্রিক উনুনে চরান্না হচ্ছে। বড় বড় হাঁড়িতে একদিকে চলছে খিচুড়ি রান্না, আর অন্যদিকে কষছে  বিরিয়ানির মশলা। কেউ করছেন রান্না তো কেউ সবজি কাটার কাজে ব্যস্ত। তবে সবই চলছে সিসি ক্যামেরার পর্যবেক্ষণে। দিল্লি থেকে রেলমন্ত্রক সরাসরি খাবার তৈরির সমস্ত পদ্ধতিতে নজর রাখছে।

    গত রবিবার প্রথম খাবার দেওয়ার কাজ শুরু হয়। যেহেতু সামাজিক দূরত্ব মেনে খাবার দিতে হবে, তাই আরপিএফ জওয়ানরা খাবার পরিবেশন করছেন। প্রথমে হাওড়া ও শিয়ালদহতে এই কাজ হলেও, এখন আরও অন্যান্য স্টেশনেও খাবার দেওয়া হছহে। এমনকি পূর্ব রেলের এজিএম সেলেও দেওয়া হচ্ছে খাবার। শেওড়াফুলি থেকে সাঁতরাগাছি। শালিমার থেকে বিধাননগর। একাধিক স্টেশনে  খাবার দেওয়া হচ্ছে। দিনের পর দিন যেভাবে খাবার নেওয়ার সংখ্যা বাড়ছে তাতে শুধুমাত্র হাওড়া থেকে নয়, এবার শিয়ালদহ বেস কিচেনেও খাবার তৈরি করা হবে। প্রয়োজন হলে খড়গপুর-সহ অন্যত্র যে সমস্ত বেস কিচেন আছে, সেখানেও রান্না করা হতে পারে। দেবাশিষ চন্দ বলেন, "আমরা যতদিন প্রয়োজন হবে ততদিনই খাবার খাওয়াবো। আমাদের অসুবিধা নেই। একবেলা নয়, দু'বেলাই।" প্রসঙ্গত, রবিবার প্রায় ৫০০০ মানুষকে খাবার দিয়েছে রেল।

    ABIR GHOSHAL

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: