মেয়েদের খোলা পিঠে লেখা অশ্লীল শব্দ ! রবীন্দ্রভারতীর বসন্ত উৎসব ঘিরে জোর বিতর্ক

মেয়েদের খোলা পিঠে লেখা অশ্লীল শব্দ ! রবীন্দ্রভারতীর বসন্ত উৎসব ঘিরে জোর বিতর্ক

কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা চিহ্নিত করা অসম্ভব, বলছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।

  • Share this:

#কলকাতা: বিতর্কে এবার রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের বসন্ত উৎসব। বৃহস্পতিবার রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিটি রোড ক্যাম্পাসে দোল উৎসবের কিছু ছবি ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সেই ছবিগুলি সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে ইতিমধ্যেই ভাইরালও হয়েছে। ছবিগুলিতে দেখা গিয়েছে শাড়ি পরা কিছু মহিলার খোলা পিঠে আবির দিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান বিকৃত করে অশ্লীল শব্দ লেখা রয়েছে।

শুধু তাই নয়, ছবিতে দেখা গিয়েছে, মেয়েদের পাশাপাশি কয়েকজন ছেলের বুকেও অশ্লীল শব্দ লেখা। যা ঘিরেই মূলত বিতর্ক শুরু হয়েছে। তবে কারা এই ঘটনা ঘটালেন, সে সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু জানা নেই বলেই দাবি উপাচার্যের। উপাচার্য সব্যসাচী বসু রায়চৌধুরী জানিয়েছেন, এই ঘটনা তাঁর ক্যাম্পাসে ঘটেছে। তবে কারা এর সঙ্গে যুক্ত তা চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি।বৃহস্পতিবার বিটি রোড ক্যাম্পাসে প্রচুর বহিরাগতরা এসেছিলেন বসন্ত উৎসবে যোগ দিতে। তবে সিসিটিভি দেখে শনাক্তকরণের কাজ করার চেষ্টা হবে।

বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের। গত বছর বসন্ত উৎসবকে কেন্দ্র করে মদ্যপ অবস্থায় কয়েকজন পড়ুয়াকে পাওয়া যায়। যা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক শুরু হয়েছিল। তার জেরে এবার একাধিক  নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নিয়েছিল রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। বিশেষত এ বছরই প্রথম পাস দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করা হয় ৷ অর্থাৎ পাস ছাড়া কেউই রবীন্দ্রভারতীর বসন্ত উৎসবে যোগ দিতে পারবেন না। শুধু তাই নয়, বিটি রোড ক্যাম্পাসের বসন্ত উৎসবকে কেন্দ্র করে চারিদিকে সিসিটিভি লাগানোর পাশাপাশি প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, প্রায় ৫০ হাজার পাস ছাপা হয় বসন্ত উৎসবের জন্য। মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের পাশাপাশি অন্যান্য কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের জন্য এই পাস দেওয়ার  সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, বিতর্কিত ছবিগুলিতে যে মেয়ে ও ছেলেদের দেখা যাচ্ছে তারা কেউ রবীন্দ্রভারতী রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া নয়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকেই এই ছবিগুলি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হওয়ার পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ খোঁজ নিতে শুরু করে। তবে ছবিগুলি নিয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানো হবে কী না, সে বিষয় কোনও মন্তব্য করতে চাননি উপাচার্য।

সোমরাজ বন্দ্যোপাধ্যায়

First published: March 6, 2020, 8:34 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर