corona virus btn
corona virus btn
Loading

জুনিয়র ডাক্তারদের একগুচ্ছ অভিযোগ শুনেলন মুখ্যমন্ত্রী, কী কী আশ্বাস দিলেন তিনি?

জুনিয়র ডাক্তারদের একগুচ্ছ অভিযোগ শুনেলন মুখ্যমন্ত্রী, কী কী আশ্বাস দিলেন তিনি?
photo: News18 Bangla
  • Share this:

#কলকাতা: নবান্নের বৈঠকে জুনিয়র ডাক্তারদের গলায় নানা অভিযোগ। যা শুনে, পরিকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়িত করার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। স্বাস্থ্যে অচলাবস্থা কাটাতে সোমবার বিকেলে, বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজের জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে নবান্নে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই সরকারি হাসপাতালের পরিকাঠামো নিয়ে নানা প্রশ্ন তোলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। তাঁদের দাবি, স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় আরও উন্নয়ন দরকার। জবাবে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, তাঁর সরকারের আমলে ৯টি মেডিক্যাল কলেজ তৈরি হয়েছে। আরও ১০টি মেডিক্যাল কলেজ তৈরি করা হবে। স্বাস্থ্যকে কতটা অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, তা বোঝাতে মমতার দাবি, ২০১১ সালে স্বাস্থ্য-বাজেট ছিল ৬৯০ কোটি টাকার। সেখানে ২০১৮ সালে তা বেড়ে হয়েছে ৯ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। জুনিয়র ডাক্তারদের অভিযোগ, এখনও অনেক হাসপাতালে পর্যাপ্ত বেড নেই। একটি বেডে পাঁচজনকেও শুতে হয়। জবাবে মুখ্যমন্ত্রী দাবি, তৃণমূল সরকার স্বাস্থ্যে পরিকাঠামো উন্নয়নে ইতিমধ্যেই অনেক কাজ করেছে। বেডের সংখ্যাও ২৮ হাজার বাড়ানো হয়েছে। মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের এক জুনিয়র ডাক্তারের অভিযোগ, সেখানে মেডিক্যাল ক্যাথল্যাব, ইকোকার্ডিওলজি-সহ একাধিক পরিষেবার ব্যবস্থা নেই। তাই বাধ্য হয়ে রোগীদের কলকাতায় রেফার করতে হয়। এই অভিযোগ শুনে মুখ্যমন্ত্রী জানান, মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে নতুন ভবন তৈরি করা হচ্ছে। যেসব পরিকাঠামো উন্নয়নের সিদ্ধান্ত হয়েছে, সেগুলি ফেলে না রেখে দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন তিনি। নতুন যে সব যন্ত্র কেনা হয়েছে সেগুলি যাতে দ্রুত চালু করা হয় সেই নির্দেশও দেন মুখ্যমন্ত্রী।

সাধারণ মানুষের অনেকের ধারণা, স্বাস্থ্যসাথী বিমা প্রকল্পের কার্ড দেখালে সব পরিষেবাই বিনামূল্যে পাওয়া যায়। কিন্তু, অস্ত্রোপচারের আগে বেশ কিছু পরীক্ষা করা হয় যেগুলি স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের আওতার বাইরে। এই কারণে অনেক সময় রোগীর পরিজনেরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এ কথা শুনে মুখ্যমন্ত্রীর দাওয়াই, অস্ত্রোপচারের আগের পরীক্ষাগুলিও এবার থেকে স্বাস্থ্যসাথীর আওতার মধ্যে পড়বে।

First published: June 17, 2019, 11:09 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर