• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • ফটোশপে শৃঙ্গ জয়, এভারেস্ট অভিযান ঘিরে ফের বিতর্ক

ফটোশপে শৃঙ্গ জয়, এভারেস্ট অভিযান ঘিরে ফের বিতর্ক

‘ফেল টাকা, চড়ো এভারেস্ট’ ৷ এভারেস্ট অভিযানের বাড়বাড়ন্ত দেখে অভিমানী পর্বতারোহী বিশেষজ্ঞরা এরকমই মত প্রকাশ করেছিলেন ৷ কারণ মাত্র আট লক্ষ টাকা খরচ করলেই মিলছিল এভারেস্ট অভিযানের ছাড়পত্র ৷

‘ফেল টাকা, চড়ো এভারেস্ট’ ৷ এভারেস্ট অভিযানের বাড়বাড়ন্ত দেখে অভিমানী পর্বতারোহী বিশেষজ্ঞরা এরকমই মত প্রকাশ করেছিলেন ৷ কারণ মাত্র আট লক্ষ টাকা খরচ করলেই মিলছিল এভারেস্ট অভিযানের ছাড়পত্র ৷

‘ফেল টাকা, চড়ো এভারেস্ট’ ৷ এভারেস্ট অভিযানের বাড়বাড়ন্ত দেখে অভিমানী পর্বতারোহী বিশেষজ্ঞরা এরকমই মত প্রকাশ করেছিলেন ৷ কারণ মাত্র আট লক্ষ টাকা খরচ করলেই মিলছিল এভারেস্ট অভিযানের ছাড়পত্র ৷

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা: ‘ফেল টাকা, চড়ো এভারেস্ট’ ৷ এভারেস্ট অভিযানের বাড়বাড়ন্ত দেখে অভিমানী পর্বতারোহী বিশেষজ্ঞরা এরকমই মত প্রকাশ করেছিলেন ৷ কারণ মাত্র আট লক্ষ টাকা খরচ করলেই মিলছিল এভারেস্ট অভিযানের ছাড়পত্র ৷ কিন্তু পুণের এক দম্পতি শৃঙ্গজয়ের নতুন রাস্তা দেখালেন ৷ যা রীতিমতো ‘সস্তায় পুষ্টিকর ৷’ কোনও শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রম ছাড়াই ফটোশপের কারিকুরিতে তৈরি এভারেস্ট জয়ের রুটম্যাপ ৷

    কোনওরকম অভিযান ছাড়াই ফটোশপের কেরামতিতে এভারেস্ট শৃঙ্গজয়ের ‘নজির’ গড়লেন পুণের বাসিন্দা দীনেশ ও তারকেশ্বরী রাঠৌর ৷ এমনটাই অভিযোগ করেছেন বাঙালি এভারেস্ট জয়ী সত্যরূপ সিদ্ধান্ত। বাঙালি অভিযাত্রী সত্যরূপের অভিযোগ, তাঁর এভারেষ্ট জয়ের ছবিকে ফটোশপের কারিগরীতে নিজেদের ছবি হিসেবে দেখাচ্ছেন পুণের বাসিন্দা দীনেশ ও তারকেশ্বরী রাঠৌর ৷

    এতেই ফের এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। দীনেশ ও তারকেশ্বরী রাঠৌরের দাবি, ২৩ মে তাঁরা মাকালু অ্যাডভেঞ্চার এজেন্সির মাধ্যমে সামিট শেষ করেন। তার ভিত্তিতে নেপাল সরকার তাঁদের সার্টিফিকেট দেয় বলেও জানিয়েছেন তাঁরা। কিন্তু সেই ছবি নিজের বলে দাবি করেছেন সত্যরূপ সিদ্ধান্ত ৷ তাঁর মন্তব্য, ফটোশপে নকল করা হয়েছে ছবি। এব্যাপারে রাজ্য সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন সত্যরূপ ৷ চলতি বছরের ২১ মে সামিট করেছিলেন সত্যরূপ সিদ্ধান্ত ৷

    IMG-20160629-WA0001

    এই অভিযোগের সত্যতা জানতে পেশায় মহারাষ্ট্র পুলিশের কনস্টেবল দীনেশ ও তারকেশ্বরী রাঠৌরের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি।

    এর আগে অন্য বাঙালি অভিযাত্রী সুনীতা হাজরার শৃঙ্গ জয় নিয়ে বিতর্ক ওঠে ৷ সুনীতা হাজরা এভারেস্টজয়ী নন। নেপাল সরকারের এই নিদানে চাঞ্চল্য ছড়ায় ৷ মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা সুনীতার দাবি ছিল, ২১শে মে এভারেস্টের শৃঙ্গ ছুঁয়েছেন তিনি। কিন্তু নেপাল সরকারের পর্যটন দফতর তা মানতে নারাজ।

    যদিও যে এজেন্সি সুনীতাকে এভারেস্টে নিয়ে গিয়েছিল, তাদের দাবি, বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ছুঁয়েছেন সুনীতা। কিন্তু তাঁর শেরপার দাবি ছিল, তিনি শৃঙ্গ জয় করেননি ৷ সুনীতার স্বামী সুদেব হাজরা জানান, ‘এই নিয়ে এজেন্সির সঙ্গে সুনীতা কথা বলেছে ৷ এজেন্সি স্বীকার করেছে যে সুনীতা সামিট করেছে ৷ কিন্তু নেপাল সরকারকে কোনও লিখিত নথি দেওয়া হয়নি বলেই এই ভুল বোঝাবুঝি ৷ এটাই সুনীতাকে জানিয়েছে এজেন্সি ৷ আর শেরপা মিথ্যা কথা বলছে ৷ ও সুনীতাকে ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিল ৷’

    IMG-20160629-WA0002

    এভারেস্ট জয় নিয়ে সুনীতার পর এই নতুন বিতর্কে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পর্বতারোহীদের মধ্যে ৷ এতদিন মাত্র আট লক্ষ টাকায় এভারেস্ট অভিযানের ছাড়পত্র মিলছিল ৷ তাতে কৌলিন্যের সেই শৃঙ্গ জয় এখন অনেকটাই সহজ হয়ে গিয়েছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। এর ফলে সঠিক ট্রেনিং ছাড়াই বহু শখের অভিযাত্রী এভারেস্ট অভিযান করতে গিয়ে বিপদে পড়ছিলেন ৷ এবার ফটোশপে শৃঙ্গ জয়ের অভিযোগ সত্যি হলে সোশ্যাল মিডিয়ায় এভারেস্ট জয়ীর সংখ্যা রকেটের চেয়েও দ্রুত গতিতে বেড়ে উঠবে ৷

    First published: