• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • নজির গড়ে আবার মানবিকতার প্রমাণ

নজির গড়ে আবার মানবিকতার প্রমাণ

মা নেই । কিন্তু মায়ের দেওয়া কিডনিতে যিনি নতুন জীবন ফিরে পেলেন তাঁকে এখনও দেখা হয়নি। ব্রেন ডেথ হয়ে যাওয়া মায়ের অঙ্গ দানের সিদ্ধান্ত নিয়ে ইতিমধ্যেই সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন।

মা নেই । কিন্তু মায়ের দেওয়া কিডনিতে যিনি নতুন জীবন ফিরে পেলেন তাঁকে এখনও দেখা হয়নি। ব্রেন ডেথ হয়ে যাওয়া মায়ের অঙ্গ দানের সিদ্ধান্ত নিয়ে ইতিমধ্যেই সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন।

মা নেই । কিন্তু মায়ের দেওয়া কিডনিতে যিনি নতুন জীবন ফিরে পেলেন তাঁকে এখনও দেখা হয়নি। ব্রেন ডেথ হয়ে যাওয়া মায়ের অঙ্গ দানের সিদ্ধান্ত নিয়ে ইতিমধ্যেই সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা: মা নেই । কিন্তু মায়ের দেওয়া কিডনিতে যিনি নতুন জীবন ফিরে পেলেন তাঁকে এখনও দেখা হয়নি। ব্রেন ডেথ হয়ে যাওয়া মায়ের অঙ্গ দানের সিদ্ধান্ত নিয়ে ইতিমধ্যেই সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। এবার আরও একবার মানবিকতার পরিচয় দিলেন পঞ্চসায়রের প্রসেনজিৎ সরকার।

    দু’দিনের ব্যস্ততার পর বুধবার ফিরোজকে দেখতে এসএসকেএমে গেলেন শোভনা সরকারের ছেলে প্রসেনজিত সরকার।  প্রসেনজিতকে সামনাসামনি দেখে আপ্লুত ফিরোজউদ্দিনের মা বললেন, যেন সাক্ষাৎ ইশ্বরকে দেখলেন তিনি।

    শোভনা সরকারের অবদান আজ সকলেরই জানা। ব্রেন ডেথ হয়ে যাওয়া শোভনার ইচ্ছে অনুযায়ী তাঁর অঙ্গ দান করা হয়েছে। তাঁর দুই কিডনি ও দুই চোখে  নতুন জীবন ফিরে পেয়েছেন চারজন।

    দু দিন আগেই কিডনি প্রতিস্থাপনের সময়েই রামগড়ের কেয়া রায়ের পরিবারের সঙ্গে শোভনা সরকারের পরিবারের দেখা হয়েছে । কিন্তু দুদিনের ব্যস্ত দিন-যাপনে এসএসকেএমে ভরতি ফিরোজউদ্দীনের আর খবর নেওয়া হয়নি।

    বুধবার এসএসকেএমে হাজির শোভনা সরকারের ছেলে প্রসেনজিত। ভিজিটিং আওয়ার্স পেরিয়ে যাওয়ায় ফিরোজকে দেখতে পারেননি তিনি। তবে দেখা হল ফিরোজের মা হাফিজা বেগমের সঙ্গে।

    অদ্ভূত এক মূহূর্তের সৃষ্টি হল এসএসকেএমে। ফিরোজের মায়ের চোখের ভাষায় একই সঙ্গে ধন্যবাদ , ইশ্বরকে চোখের সামনে দেখার অনুভূতি।

    কাশীপুরে বাড়ি। নিম্নবিত্ত পরিবার। রাজ রোগে ভোগা ছেলে নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত পরিবারের কাছে শোভনা সরকারের পরিবার ইশ্বরের চেয়ে কম নয়। প্রসেনজিতকে দেখেই তিনি বলে ওঠেন, ছেলে সুস্থ হলেই সেভাবেই হোক শোভনাদের বাড়ির ঠিকানা জোগাড় করে যেতেন।

    আবেগের মুখেও নিজেক সংযত রাখলেন প্রসেনজিত। দুদিন আগেই মায়ের মৃত্যু হয়েছে। জীবনের কঠিমতম সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন তিনি। তবু তাঁর মায়ে কিডনিতে যে ছেলের প্রাণ বাঁচল, তাঁর শরীরের ব্যাপারে উদ্বিগ্ন তিনি।

    অদ্ভূত এক পূর্ণতা। এক মায়ের কিডনি আরেক মায়ের সন্তানের প্রাণ বাঁচিয়েছে । তাঁর সঙ্গে কথা বলে ফিরে যাওয়ার সময়ে প্রসেনজিতকে কিছুটা এগিয়ে দিলেন হাফিজা বেগম। আর প্রসেনজিত তো বলেই দিলেন, প্রয়োজনে ফিরোজের চিকিৎসার কিছুটা খরচও তিনি দিতে চান। ফিরোজ আর কেয়া সুস্থ হয় উঠলে, এই এক্সটেন্ডেড পরিবারের সঙ্গে একসঙ্গ কোনও রেস্তোরাঁয়ে গিয়ো খেতে চান তাঁরা।

    First published: