কলকাতা

corona virus btn
corona virus btn
Loading

অধ্যাপক দম্পতিকে নৃশংস ভাবে মেরে অজ্ঞান করে ফেলে রেখে গেল গুন্ডা বাহিনী

অধ্যাপক দম্পতিকে নৃশংস ভাবে মেরে অজ্ঞান করে ফেলে রেখে গেল গুন্ডা বাহিনী

বিষয়টি থানা, পুলিশ পর্যন্ত গড়ালেও এখনও পর্যন্ত কোনও দুষ্কৃতী ধরা পড়েনি।

  • Share this:

#কলকাতা: অধ্যাপক দম্পতিকে নৃশংস ভাবে রড,বাঁশ দিয়ে মেরে অজ্ঞান করে ফেলে রেখে গেল কয়েকজন দুষ্কৃতী।বিষয়টি থানা, পুলিশ পর্যন্ত গড়ালেও এখনও পর্যন্ত কোনও দুষ্কৃতী ধরা পড়েনি। ওই দম্পতি ও তার ছেলে বিছানায় যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে ।ওদের বক্তব্য, যে কোনও মুহূর্তে আবার আক্রমণ হতে পারে ওদের ওপর। ভয়ে দরজা-জানলা বন্ধ করে রয়েছে ওই পরিবার।   আবাসনে নিজেদের গাড়ি রাখা নিয়ে অধ্যাপক ডঃ অঙ্কুর রায়ের (সেন্ট জেভিয়ার্স এর কেমিস্ট্রি হেড অফ ডিপার্টমেন্ট) সঙ্গে ,এরাবিক স্টাডিজের অধ্যাপক মেহেদী হাসানের সঙ্গে ( গৌড়বঙ্গ বিশ্ব বিদ্যালয় ) দীর্ঘ্য দিন ধরে গন্ডগোল চলছিল।ওই আবাসনে, প্রথমে ফ্ল্যাট কিনে আসেন অঙ্কুর।তখন থেকেই ওখানে গাড়ি রাখতেন উনি।

সেখানে মেহেদী হাসান গাড়ি রাখার জন্য জেদ ধরে বসেন।আর সেই জেদ থেকেই দু’জনের মধ্যে অশান্তি শুরু হয়। গত একবছর ধরে ওই বিষয় নিয়ে দু’জনের মধ্যে একটা মামলা চলছে।  ১৭ তারিখ সন্ধাবেলা ৭টা নাগাদ,অঙ্কুর ,স্ত্রী ও ছেলেকে ডাক্তার দেখিয়ে নিউটাউনে নিজের আবাসনে ফিরছিলেন।সেই সময় বিল্ডিংয়ের নীচে, গাড়ি গ্যারাজের কাছেই , অঙ্কুরকে,ওর স্ত্রী ডঃ সাবিয়া খানকে ( প্রফেসর ) হঠাৎই কয়েকজন মিলে আক্রমণ করে।মেহেদী হাসানের দুই ভাই মুরশেদ আলম ও আরও চারজন বহিরাগত লোকজন এসে বাঁশ,রড দিয়ে প্রচণ্ড আঘাত করতে থাকে ওদের।ঘটনাস্থলে অঙ্কুর অজ্ঞান হয়ে পড়েন।

অত্যাধিক প্রহারে স্ত্রী সাবিয়া, গুরুতর আহত হন।সঙ্গে সঙ্গে ছেলে আয়ান (১৪) বাবা মাকে প্রহারের হাত থেকে বাঁচাতে গেলে ,তাকেও রীতিমত মারধোর করে ওই দুষ্কৃতীরা।  পাশাপাশি ফ্ল্যাটের লোকজন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে চলে এলে ।  প্রতিবেশীরা ওদের জল দিয়ে সুস্থ করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে নিউটাউন থানার পুলিশ আসে।তার পর ওদেরকে পুলিশ অ্যাম্বুলেন্স ডেকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। পরে ওরা নিউ টাউন থানাতে অভিযোগ দায়ের করেছে ওই মেহেদী হাসান ও দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে।

ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।ঘটনায় পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা দেখছে পরিবার।নিউটাউনের মত জায়গায় ,ওই পরিবার এখনো ভয়ে কুঁকড়ে আছে।   অঙ্কুর বাবুর শাশুড়ি শাহীনা খান সমস্ত কিছু দেখে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলেন সে সময়।ওই বৃদ্ধা এখনো পর্যন্ত আতঙ্কে রয়েছেন।ঘটনার বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি রীতিমত কেঁপে কেঁপে উঠছিলেন।

অঙ্কুর বাবু ঘটনার পর থেকে আতঙ্কে, মূল দরজাতে আগের থেকে লকের সংখ্যা বাড়িয়েছে।যদি আবার ওই দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে!  ওরা সঙ্গে এটাও বলছিল,নির্ভয়ে থাকার নিউটাউন এ হয়তো ওদের থাকা হবে না।ফ্ল্যাট বিক্রি করে দিতে হতে পারে হয়তো।তবে এই ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছে,সোশ্যাল মিডিয়াতে।

Published by: Dolon Chattopadhyay
First published: November 20, 2020, 8:59 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर