• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • বাজারে খুচরোর আকাল, বেশি দামের মাছ-সব্জি কিনছেন ক্রেতারা !

বাজারে খুচরোর আকাল, বেশি দামের মাছ-সব্জি কিনছেন ক্রেতারা !

এখনও একটা সমস্যা থেকেই গিয়েছে ৷ সেটা হল ১০০ টাকা বা খুচরোর অভাব ৷ সব জায়গাতেই যে পাওয়া যাচ্ছে ৫০০ ও ২০০০ টাকার নতুন নোট ৷

এখনও একটা সমস্যা থেকেই গিয়েছে ৷ সেটা হল ১০০ টাকা বা খুচরোর অভাব ৷ সব জায়গাতেই যে পাওয়া যাচ্ছে ৫০০ ও ২০০০ টাকার নতুন নোট ৷

এখনও একটা সমস্যা থেকেই গিয়েছে ৷ সেটা হল ১০০ টাকা বা খুচরোর অভাব ৷ সব জায়গাতেই যে পাওয়া যাচ্ছে ৫০০ ও ২০০০ টাকার নতুন নোট ৷

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা: হাতে টাকা নেই ৷ কিন্তু মনের মতো খাবার তো খেতেই হবে ৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নোট বাতিলের ঘোষণার পর অনেক দিন টাকা বাঁচিয়ে চলেছে ভোজনরসিক বাঙালি ৷ পকেটে যা টাকা ছিল, তা দিয়েই অল্প অল্প করে মাছ এবং অন্যান্য সামগ্রী এতদিন কিনেছেন অধিকাংশ মানুষ ৷ কারণ এই সময় আর যাই হোক, চার-পাঁচ রকমের মাছ একসঙ্গে কেনার মতো বিলাসিতা দেখাতে রাজী নন প্রায় কেউই ৷ ধীরে ধীরে অবশ্য পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে ৷ এখন ব্যাঙ্ক-এটিএমের সামনে মানুষের টাকা তোলার লাইনও কিছুটা কমেছে ৷ কিন্তু এখনও একটা সমস্যা থেকেই গিয়েছে ৷ সেটা হল ১০০ টাকা বা খুচরোর অভাব ৷ সব জায়গাতেই যে পাওয়া যাচ্ছে ৫০০ ও ২০০০ টাকার নতুন নোট ৷ সেই টাকা ভাঙিয়ে দেবে কে ?

    খুচরো টাকার অভাবে এখন বেশি টাকার মাছই বাড়িতে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন ক্রেতারা ৷ অর্থাৎ প্রতিদিন যে মানুষ ২০০-২৫০ টাকার মাছ কিনতেন, সেই এখন কিনছে ৫০০ টাকা বা তার বেশি দামের মাছ ৷ এর পিছনে কারণ একটাই, দোকানিদের কাছে ১০০ টাকা বা তার কমের নোটের বড়ই অভাব ৷ আর যাও আছে, সেটা অধিকাংশ মানুষই এখন দিতে চাইছেন না ৷ ভবিষ্যতে ‘ক্রাইসিস’ পড়লে কী হবে ? এই ভয়েই এখন হাজার টাকারও বেশি দামের মাছ বা ৫০০ টাকার সব্জিও বাড়িতে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন ক্রেতারা ৷ মাছ ব্যবসায়ীরাও জানাচ্ছেন, বাজারে মাছ বিক্রির পরিমাণ এখন আগের থেকে বেড়েছে মানুষের ৷ তাই এখন বেশি পরিমাণে মাছ বাজারে  আনছেনও তাঁরা ৷  ২০০০ টাকা দিয়ে ২০০ টাকার মাছ বা সব্জি কেনার কথা এখন তাই ভুলেই যান ৷ কারণ এত টাকা খুচরো আপনাকে বিশেষ পরিচিত লোক ছাড়া কেউই দেবে না এখন ৷

    শুধু মাছ নয়, সব্জি কিংবা চাল-ডালের ক্ষেত্রেও এক নিয়ম। গত ৮ নভেম্বর হঠাৎই ৫০০, ১০০০ টাকার নোট বাতিল ঘোষণার পরে দিন দশেক বাজার থেকে প্রায় কর্পূরের মতো উবে গিয়েছিলেন ক্রেতারা। তবু পাইকারি মাছ থেকে সব্জি— সব বাজারই খোলা ছিল, পসরা নিয়ে বসেছিলেন খুচরো বাজারের দোকানিরাও। কিন্তু বিক্রিবাটা ছিল অনেক কম। দাম কিন্তু তেমন কমেনি। বরং তিন-চার দিনে চন্দ্রমুখী আলুর দাম কেজি প্রতি ৩০ টাকা হয়েছে। দাম বেড়েছে ঝিঙে, পটল, বেগুন, ভেন্ডিরও। নভেম্বরের শীতেও ১০ টাকায় ভাল ফুলকপি বা বাঁধাকপি চোখে দেখা যাচ্ছে না। মাছের দাম বাড়ার পিছনে মাছ ব্যবসায়ীদের অনেকেই বিয়ের মরসুমের যুক্তি দিচ্ছেন। মানিকতলার এক মাছ ব্যবসায়ীর দাবি— বিয়ের বাজার এবং নগদের অভাব, এই দু’য়ের জেরেই দাম এখন বাড়ছে। আর এক মাছ ব্যবসায়ী বলছেন, বড় মাছের সরবরাহ কিছুটা কমেছে । ফলে গত তিন-চার দিনে দাম বেড়েছে রুই-কাতলার। গোটা কাতলা দিন কয়েক আগে কেজি প্রতি ২০০-২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, তার দাম এখন ২৭০ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। দাম বেড়েছে গলদারও।

    First published: