• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • PREGNANT WOMEN AND NEW BORN MOTHERS LEFT CALCUTTA MEDICAL IN PANIC AFTER CHILD KIDNNAPED FROM HOSPITAL

শিশু চুরির আতঙ্কে ফাঁকা মেডিক্যালের প্রসূতি বিভাগ

শিশু চুরির খবর ছড়িয়ে পড়তেই, আতঙ্কে সদ্যোজাতদের নিয়ে মেডিক্যালের ওয়ার্ড ছাড়ার ধুম পড়ে যায় মায়েদের।

শিশু চুরির খবর ছড়িয়ে পড়তেই, আতঙ্কে সদ্যোজাতদের নিয়ে মেডিক্যালের ওয়ার্ড ছাড়ার ধুম পড়ে যায় মায়েদের।

  • Share this:

    #কলকাতা: শিশু চুরির খবর ছড়িয়ে পড়তেই, আতঙ্কে সদ্যোজাতদের নিয়ে মেডিক্যালের ওয়ার্ড ছাড়ার ধুম পড়ে যায় মায়েদের। নিরাপত্তারক্ষী বা সিসিটিভি ক্যামেরা, কিছুই ভরসা যোগাতে পারে নি তাঁদের। চুরি হয়ে যেতে পারে তাঁদের শিশুও, এই আশঙ্কায় কর্তৃপক্ষকে মৌখিক জানিয়েই হাসপাতাল ছাড়েন অনেকেই।

    বলতে গেলে মায়ের কোল থেকে শিশু চুরি! তাও আবার সকালের ভিড়ে ঠাসা মেডিক্যাল কলেজের মতো সরকারি হাসপাতাল থেকে। বাদুড়িয়ার সুহান নার্সিংহোম, ঠাকুরপুকুরের পূর্বাশা হোম বা জলপাইগুড়ির আশ্রয় হোমে রমরমিয়ে শিশুপাচারচক্র।

    জেলা-শহরতলি ছাড়িয়ে, এবার খাস  কলকাতায়, মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে শিশু চুরির অভিযোগ। উল্টোডাঙার সরস্বতী নস্করের শিশু-চুরির ঘটনা সামনে আসতেই আতঙ্ক ছড়ায় প্রসূতি বিভাগে। হাসপাতাল ছেড়ে বাড়ি চলে যেতে দেখা যায় অনেককেই।

    শিশুচুরির ঘটনায় প্রশ্নের মুখে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। হাসপাতালের ইডেন ভবনের ঢোকার মুখেই নিরাপত্তারক্ষীরা দাঁড়িয়ে থাকেন। ভিজিটিং কার্ড ছাড়া কারও প্রবেশ নিষেধ। হাসপাতালের প্রতি ফ্লোরেই রয়েছে ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা। তা সত্ত্বেও সদ্যোজাত চুরি যাওয়ায় প্রশ্ন উঠছে,

    নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন

    - নিরাপত্তারক্ষীদের চোখ এড়িয়ে কীভাবে হাসপাতালে ঢুকলেন মহিলা - কীভাবেই বা তিনতলা থেকে শিশুচুরি করে চম্পট দেন তিনি - ইডেন ভবনের ডাল ওয়ার্ডে একটিমাত্র সিসিটিভি। তাও আবার অকেজো - যা নিয়মিত নজরদারি অভাবই প্রমাণ করছে

    হাসপাতালে রয়েছে নিরাপত্তারক্ষী। রয়েছে সিসিটিভিও। তা সত্ত্বেও কেন দুশ্চিন্তা? যেভাবে সরকারি হাসপাতালের মধ্যে ঢুকে শিশু চুরির ঘটনা ঘটেছে তাতে ভরসা শব্দটাই ভরসা হারিয়েছে।

    অনেকে চিকিৎসকের থেকে আগাম ছুটি নিয়েছেন। অনেকে আবার পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া সদ্যোজাতকে নিয়েই বাড়ির পথ ধরেছেন। সন্তান হারানোর আতঙ্ক রীতিমতো গ্রাস করেছে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগকে।

    First published: