corona virus btn
corona virus btn
Loading

প্রবীরের 'পুকুর'-এর তাজা মাছে খুশি ক্রেতারা

প্রবীরের 'পুকুর'-এর তাজা মাছে খুশি ক্রেতারা
ঝুঁকি হীন মাছ খাওয়াচ্ছে প্রবীর
  • Share this:

SANKU SANTRA #কলকাতা: সভ্যতা আধুনিকিকরনের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের বুদ্ধি বিকাশ দ্রুত ঘটছে। মরা মাছে ফরমালিন, এছাড়া আরোও অনেক রাসায়নিক মেশানো। মানব জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা। সেই সময় এক সাধারণ মাছ বিক্রেতা ভেবেছেন উদ্ধারের পথ। প্রবীর সিং, মানিকতলা বাজারের এক মাছ ব্যবসায়ী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই বাজারে মাছ বিক্রি করছেন। প্রায় মাছে জীবন দায়ী রাসায়নিক মেশানো নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তাই নিজে স্থীর করে জ্যান্ত মাছ খাওয়াবেন।

সকালে বাজারে মাছ কিনে নিয়ে আসার পর, কিছুক্ষণের মধ্যেই মারা যায় মাছ। শুরু হয় পচন। অনেক দিন ধরেই বাড়িতে রাখা অ্যকোরিয়ামের টেকনোলজি মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল প্রবীরের। সেটাই বুদ্ধি খাটিয়ে বসে। এরপর প্রবীর জ্যান্ত মাছ কিনে এনে, বড় পাত্রে জল দিয়ে, তার মধ্যে মাছ রাখে। শুধু তাই নয়, এর সঙ্গে একটি মোটর লাগিয়ে জলে অক্সিজেন সরবরাহও করছে সে। যার ফলে জলে অক্সিজেনের মাত্রা বজায় থাকছে আর মাছ জ্যান্ত থাকছে অনেকক্ষণ। fish 1 এই ধরনের পদ্ধতিকে সাধারণ মানুষ গ্রহণ করেছে। মাছের মধ্যে রীতিমত অক্সিজেন সরবরাহ হওয়ার ফলে মাছের ভেতরে খাদ্যগুণ ঠিক থাকছে। সর্বানী গুহ নামে এক ক্রেতা জানান, 'জ্যান্ত মাছ, শরীরের পক্ষে ভালো। শিশু এবং রোগীদের পক্ষে সঠিক খাদ্য গুন যোগায়। তাই তিনি এই ভাবে জ্যান্ত মাছ পেলে প্রতিদিন নেওয়ার চেষ্টা করেন।' মৎস বিজ্ঞানীদের দাবী, মাছ মারা যাওয়ার পর, মাছের শরীর থেকে সোডিয়াম বেরিয়ে যেতে থাকে। এছাড়া শরীর থেকে খনিজ পদার্থ বেরিয়ে যেতে থাকে। যার ফলে মাছের পুষ্টি গুণ কমতে থাকে। এছাড়াও যেকোন দেহ মৃত্যুর পর জীবাণু সংক্রমণ হতে থাকে। মরা মাছকে দীর্ঘক্ষণ ভালো রাখতে, ফরমালিন ব্যবহার করে অনেকে। এছাড়াও অনাকে মাছের কানকোতে রেড অক্সাইড ব্যবহার করে। দেখেই মনে হবে মাছ টাটকা রয়েছে। এ সব মাছের শরীরে বিক্রিয়া করে। এগুলো কারসিনোজেন। যার ফলে মানব দেহে ক্যান্সার হতে পারে। বিক্রির এই কু-অভ্যাস থেকে মানুষকে বাঁচাতে, প্রবীর সিং এর উদ্যোগ সত্যি প্রশংসা জনক।

Published by: Ananya Chakraborty
First published: December 11, 2019, 11:10 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर