স্বাদে জিভে জল, দামে চোখে জল! দ্বিগুণ হয়ে গেল পোস্তর দাম, মাথায় হাত বাঙালির

স্বাদে জিভে জল, দামে চোখে জল! দ্বিগুণ হয়ে গেল পোস্তর দাম, মাথায় হাত বাঙালির

যে পোস্ত জিভে জল আনে, সেই পোস্ত কিনতে গিয়ে তো চোখে জল! পোস্ত কিনতে গিয়ে তো পস্তাতে হচ্ছে।

  • Share this:

#কলকাতা: যদি পাতে পড়ে পোস্ত। আহা... বেশ তো বেশ তো। পোস্তই মানে আরেকটু বেশি ভাত খাওয়া। কিন্তু যে পোস্ত জিভে জল আনে, সেই পোস্ত কিনতে গিয়ে তো চোখে জল! পোস্ত কিনতে গিয়ে তো পস্তাতে হচ্ছে।

স্বাদে সে মস্ত... গরম ভাতে বেশ তো... আহা, বাঙালির পোস্ত.. হেঁশেলে সে না থাকলেই কী যেন নেই। আর কৌটোয় সে থাকলেই গিন্নি যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচে। ঘরে কিছু থাক আর না থাক। পোস্ত থাকলেই মেনুর চিন্তা নেই। দেখতে ছোটখাটো.. তবে রান্নায় চাহিদা অনেক...৷

সাদামাটা আলু, পেঁয়াজ, পটল, ঝিঙে.. পোস্ত থাকলেই স্বাদে অন্যরকম।

অথবা কাঁচা লঙ্কা দিয়ে পোস্ত বাটা বা বড়া। সঙ্গে কলাইয়ের ডাল।

ডিম বা মাছের সঙ্গেও পোস্তর জুটি খাসা।

ভাত তখন আরও বেশি ভালবাসা...

বর্ধমান, বীরভূম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া বা মেদিনীপুরের বাসিন্দাদের পোস্ত না হলে চলে না। কিন্তু যে পোস্ত জিভে জল আনত, সেই পোস্তই এখন চোখের জল ঝরাচ্ছে। না, পোস্ত আর মরিচের ঝালে নয়। বেড়ে গেছে পোস্তর রেস্ত। আগে যা ছিল গরিবের খাবার, এখন তার দাম নাগালের বাইরে।

- কয়েকদিন আগেও পোস্তর দাম ছিল ৬০০-৭০০ টাকা কেজি

- একলাফে দ্বিগুণ বেড়ে পোস্তর দাম এখন ১২০০-১৪০০ টাকা কেজি

গরম ভাতে পোস্ত না পড়লে যে অনেক বাঙালিই মনমরা। দাম বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই মেপে পোস্ত কিনছেন। কিন্তু পোস্তর দাম কেন বাড়ল?

- আগে দুই মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমানের অনেক জমিতেই পোস্ত চাষ হত

- আফিমের কারবার রুখতে প্রশাসন পোস্ত চাষ বন্ধ করে দেয়

- পোস্ত চাষ রুখতে বাড়ানো হয় নজরদারিও

- এখন চিন, চেক প্রজাতন্ত্র বা তুরস্ক থেকে আমদানি করা পোস্তই ভরসা

আমদানিতে ঘাটতির কারণেই দেড় হাজার টাকা কেজির দিকে পৌঁছচ্ছে পোস্তর দাম। মাসকাবারি বাজারের ফর্দ থেকে বাদ পড়ছে প্রিয় পোস্ত।

কাঁচায় পোস্ত বা ভাজায় পোস্ত। পোস্ত মানেই পোষ মানে খিদে.. পেট ভরা গরম ভাতে স্বাদের মৌতাত। তাই বাঙালি বলছে, পোস্ত কমুক তোমার রেস্ত। পোস্ত কিনতে গিয়ে পস্তাতে হলে তো মুশকিল।

First published: 11:08:41 PM Aug 19, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर