• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • POLICE TRACED VICTIMS MISSING MOBILE IN NORTHBENGAL IN SONAGACHI MURDER CASE

সোনাগাছিতে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কেয়ারটেকার খুন, চিহ্নিত খুনী

সোনাগাছিতে দুর্বার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কেয়ারটেকার কবিতা রায়ের খুনে সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য ৷

সোনাগাছিতে দুর্বার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কেয়ারটেকার কবিতা রায়ের খুনে সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য ৷

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা: সোনাগাছিতে দুর্বার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কেয়ারটেকার কবিতা রায়ের খুনে সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য ৷ নিখোঁজ দুই কিশোরীই মহিলাকে খুন করেছে, প্রাথমিক তদন্তের পর প্রায় নিশ্চিত পুলিশ ৷ তদন্তকারীদের এই অনুমানের সমর্থনে প্রমাণ মিলেছে ময়নাতদন্তের রিপোর্টেও ৷ একইসঙ্গে ফোনের সূত্রেও মিলেছে নয়া তথ্য ৷ পুলিশের সন্দেহ, আততায়ী গা ঢাকা দিয়েছে উত্তরবঙ্গে ৷ খুনের পর থেকে পাওয়া যাচ্ছে না নিহতের মোবাইল ৷ সেই মোবাইলের শেষ টাওয়ার লোকেশন উত্তরবঙ্গ ৷

    ময়নাতদন্তের রিপোর্টে প্রকাশ মহিলাকে প্রথমে শ্বাসরোধের চেষ্টা করা হয় কিন্তু গায়ের জোরে কাবু করা যায়নি তাঁকে ৷ তাই আততায়ী কবিতা রায়কে খুন করতেই নোড়া দিয়ে বারংবার আঘাত করতে থাকে ৷ প্রথম কয়েকবার আঘাত করার পর খানিক নিস্তেজ হয়ে পড়লে মহিলার বুকের উপর চেপে বসে মাথায় ও মুখে বারবার আঘাত করা হয় ৷ সেই আঘাতে ভেঙে গিয়েছে মৃতার পাঁজর ৷ থেঁতলে গিয়েছে মাথা ও মুখ ৷ এর ফলেই মৃত্যু হয় ওই মহিলার ৷

    পুলিশের অনুমান, কোনও পূর্ণবয়স্ক যুবকের পক্ষে বয়স্ক মহিলাকে কাবু করা সেরকম শক্ত কাজ নয় ৷ কিন্তু বছর ১৬-এর কিশোরীর পক্ষে তা বেশ কঠিন কাজ ৷ সেক্ষেত্রে এক কিশোরী যদি গামছা গলায় পেঁচিয়ে টান দেয় তবে নিজেকে বাঁচাতে হাত পা চালালে, মহিলাকে শেষ করতে নোড়া নিয়ে আক্রমণ চালাতে থাকে আরেকজন ৷

    সোনাগাছিতে মহিলা নিরাপত্তারক্ষীকে খুন করে উধাও হয়েছে উদ্ধার  হওয়া দুই কিশোরী। পারিপার্শ্বিক তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে প্রায় নিশ্চিত পুলিশ। দুই কিশোরীর আঙুলের ছাপ ছাড়াও ঘরের চাবির রিংয়ে মিলেছে পুরুষের আঙুলের ছাপ। পুলিশ সূত্রে খবর, নোড়ায় মেলা আঙুলের ছাপের সঙ্গে তা মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।

    অন্যদিকে, উধাও হয়ে যাওয়া ফোনের লোকেশন ট্র্যাক করেও মিলেছে নতুন সূত্র ৷ নিহতের মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন মিলল উত্তরবঙ্গে ৷ এছাড়াও পুলিশ জানতে পেরেছে, কিশোরীদের সঙ্গে ফোন করা নিয়ে নিহত কবিতা রায়ের কিছু ঝামেলা হয়েছিল ৷ সংস্থার অফিসের ফোন ব্যবহার করে কোনও একটি ফোন নম্বরে এক কিশোরী ফোন করেছিল মঙ্গলবার রাতে ৷ তাতে বাধা দিয়েছিলেন নিহত মহিলা ৷ বুধবারই নিহত কবিতা রায় মেন্টর ভারতী দে-কে ফোন করে জানিয়েছিলেন মেয়েগুলি থাকতে চাইছে না ৷ পালানোয় বাধা পেয়েই কি খুন? কেন ও কোন পরিস্থিতিতে খুন হলেন কবিতাদেবী, তা অনুমান করার চেষ্টা চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা।

    নোড়ার আঘাতে কবিতাদেবীর মুখের সামনের অংশ ও মাড়ি ভেঙে গিয়েছিল।  দুই কিশোরীর পক্ষে এভাবে আঘাত করা অসম্ভব না হলেও কঠিন। তাই ঘরে তৃতীয় ব্যক্তির উপস্থিতির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছে না পুলিশ। সোনাগাছির দূর্বারের রেসকিউ সেন্টারে নিরাপত্তা না থাকাতেই ঘটে গিয়েছে এতবড় ঘটনা।

    একইসঙ্গে নারী পাচার চক্রের যোগসাজশকেও উড়িয়ে দিচ্ছে না পুলিশ ৷ খুনের পিছনে নারী পাচার চক্রের কোনও যোগসূত্র রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ ৷ পাচার হওয়া কিশোরীদের উদ্ধার করার পর কেন পুলিশে জানানো হয়নি সেই নিয়েও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ ৷

    First published: