ড্রোন দিয়ে নজরদারি চিনা মাঞ্জায়, বাইক বাড়তেই বাড়ছে বিপদ

ড্রোন দিয়ে নজরদারি চিনা মাঞ্জায়, বাইক বাড়তেই বাড়ছে বিপদ

আনলক ১ এ বেড়েছে দুই যান বাইকের সংখ্যা। মা উড়ালপুল দিয়ে সল্টলেক, সাইন্সসিটি, পার্ক সার্কাস ও এজেসি বোস রোডে যাওয়ার সময়ই এই বিপদ বাড়ছে রোজই।

আনলক ১ এ বেড়েছে দুই যান বাইকের সংখ্যা। মা উড়ালপুল দিয়ে সল্টলেক, সাইন্সসিটি, পার্ক সার্কাস ও এজেসি বোস রোডে যাওয়ার সময়ই এই বিপদ বাড়ছে রোজই।

  • Share this:

#কলকাতা: চিনা মাঞ্জায় মা উড়ালপুলে আহত হওয়ার ঘটনা নতুন নয় ৷ অভিযান ও গ্রেফতারের পরেও ছবির হয় না কোন বদল। গত ১৬ই মে খিদিরপুরের বাসিন্দার মৃত্যুর পর চিন্তা আরও বাড়ে পুলিশের। তার পরেই পুলিশের অভিযানে ১২ জনকে গ্রেফতার করে বাজেয়াপ্ত করা হয় বেশ কিছু সামগ্রী। পরের দিন বিকেলেও ছবিটার একটুও পরিবর্তন করা যায়নি। মা উড়ালপুল সংলগ্ন তপসিয়া, কড়েয়া, তিলজলা থানা এলাকায় প্রতিদিন ঘুড়ির সংখ্যা কম থাকে না।

আনলক ১ এ বেড়েছে দুই যান বাইকের সংখ্যা। মা উড়ালপুল দিয়ে সল্টলেক, সাইন্সসিটি, পার্ক সার্কাস ও এজেসি বোস রোডে যাওয়ার সময়ই এই বিপদ বাড়ছে রোজই। শহরে বাইকের সংখ্যা বৃদ্ধিতে পুলিশের বিভিন্ন চিন্তার মধ্যে অন্যতম মা উড়ালপুলে বাইক আরোহীর আহত হওয়ার ঘটনা। যত বিকেল হয় ততই বাড়ে বিপদ।

গত মাসের হিসেবে বেশিরভাগ দিনই আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। চিনা মাঞ্জায় ঘুড়িতে কারা মনোরঞ্জন পাচ্ছে তাদের নজরে রাখতে চাইছে পুলিশ। সেই মনোরঞ্জনের ভাগীদার কারা? ঘুড়ি কারা উড়াচ্ছে এবার সেই ছবি দেখে পদক্ষেপ নিতে চায় পুলিশ। বৃহস্পতিবার মা উড়ালপুল ও তপসিয়া এলাকায় ড্রোনের মাধ্যমে চলল নজরদারি। ড্রোনের সাহায্য যা দেখা গেল তা বিশ্বকর্মা পুজোর দিনের ছবি সঙ্গে পার্থক্য করা মুশকিল।

মা উড়ালপুলের উপর খালি চোখে যে ঘুড়ির দাপট দেখা যায়, ড্রোন দিয়ে তা আরও স্পষ্ট হল। বেশকিছু জনকে শুধু নজরেই রাখা নয়, এলাকা চিহ্নিতকরনের কাজও করল পুলিশ। একই ভাবে তপসিয়া থানা এলাকায় ড্রোনের মাধ্যমে দেখা গেল একই ছবি। ড্রোন বাড়ির ছাদের কাছাকাছি যেতেই অনেকেই ছুটে চলে গেল ঘরের মধ্যে। শুধু ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারিই নয়, থানা ও ট্রাফিক পুলিশের তরফে যৌথ অভিযানের মধ্যে মা উড়ালপুলে কড়া নজর রাখল পুলিশ। মাধে মধ্যেই বেশকিছু ঘুড়ির সুতো ধরে ছিঁড়ে দিতেও দেখা যেমন দেখা গেল, তেমনই বাজেয়াপ্ত করা হল ঘুড়িও। এই অভিযান শুধুমাত্র বৃহস্পতিবার নয়, আগামী দিনেও চলবে বলে পুলিশ সূত্রের খবর।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: