বন্ধ টালা ব্রিজের বিকল্প রাস্তা সামাল দিতে পথে পুলিশকর্তারা

বন্ধ টালা ব্রিজের বিকল্প রাস্তা সামাল দিতে পথে পুলিশকর্তারা

সোমবার সকালে ছিল কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের চ্যালেঞ্জ। সকালে গাড়ি কিছুটা ধীর গতিতে চললেও মোটের উপর অনেকটাই কম যানযন্ত্রনা।

  • Share this:

#কলকাতা: সোমবার পুলিশকর্তাদের টালা ব্রিজ নিয়ে কপালে ভাঁজ৷  শনিবার ও রবিবার ছুটির দিন থাকায় বিশষ সমস্য়া দেখা দেয়নি৷ তবে চিত্রটা একেবারে বদলে যায় সোমবার সকাল থেকেই৷ বিপুল জানজটে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে৷

পরিস্থিতি সমাল দিয়ে রাস্তায় অতিরিক্ত পুলিশকর্মী মোতায়েম করা হয়৷ এদিন সকাল থেকেই প্রায় দেড়শোর বেশি পুলিশ মোতায়েন ছিল টালা ব্রিজের সংলগ্ন এলাকায়। কোথাও কোন অসুবিধা হলে সমস্ত পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া ছিল দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য়৷  ট্রাফিক সচল রাখতে ময়দানে নামেন, যুগ্ম কমিশনার  ট্রাফিক সন্তোষ পাণ্ডে,  ডিসি ট্রাফিক রূপেশ কুমার, স্পেশ্য়াল কমিশনার জাভেদ শামিম,  অতিরিক্ত কমিশনার ডিপি সিং।

যানজটের সম্ভাবনা তৈরী হলেই ব্যাবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল পুলিশকর্মীদের৷  গাড়ি খারাপ হলেও গাড়ি নিয়ে যাবার রেকারেরও ব্য়বস্থা রাখা ছিল। এদিন বিভিন্ন জায়গায় পার্কিং ব্যাবস্থাও তুলে দেওয়া হয়েছিল। বিশেষ ভাবে নজর দেওয়া হয়েছে চিড়িয়ামোড, আরজিকর রোড, ভূপেন বোস রোড, কাশীপুর রোডে। এ ছাড়াও বিভিন্ন কানেক্টরের ওপরও নজর রেখা হয়েছে৷

আরও পড়ুন - শামির বাড়িতে ফের কন্যা সন্তান, ছবি শেয়ার করলেন মহম্মদ শামি

তবুও  সমস্য়ায় পড়তে হয় নিত্য়যাত্রীদের৷ পড়ুয়া থেকে অফিসযাত্রী ঠিক সময় কেউই গন্তব্য়ে পৌঁছতে পারেননি৷ নগেন মাইতি জানান, ব্রিজে জন্য বিকল্প রাস্তায় বাড়তি সময় লাগছে অনেকটাই৷ উপায় না থাকায় সেই ঘুরপথেই যেতে বাধ্য় হচ্ছে যাত্রীরা৷ দীপাঞ্জন পাল অষ্টম শ্রেণির ছাত্র  স্কুলের জন্য বেরিয়ে পৌঁছাতে পারেনি স্কুলে৷ ১১ বেজে যাওয়ায়, তাঁর স্কুলের গেট বন্ধ হয়ে যায়৷ বন্ধ গেট দেখে বাড়ি ফিরে আসতে বাধ্য় হন দীপাঞ্জন৷

ওভারব্রিজ করার জন্য় দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছেন টালা ব্রিজ এলাকার বাসিন্দারা৷ সোমবারও সেই দাবীতে স্লোগান দেন তাঁরা৷ তাঁদের বক্তব্য়, রেল লাইনের উপর দিয়ে যেতে গেলে তাঁদের  জরিমানা দিতে হয়৷ তাই ওভার ব্রিজ খুবই দরকারী।

নিত্য়যাত্রীদের  বক্তব্য ঢিল ছোঁড়া দুরত্বে যাবার জন্য যদি বিকল্প রাস্তা ব্যাবহার করে বাড়তি সময় খরচ করতে হয় তাতে সমস্যা বাড়বে।

First published: February 3, 2020, 8:11 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर