• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • POLICE FINDS ANTI BIOTIC INJECTION VIALS AT KASBA FAKE VACCINATION CAMP DMG

কোভিশিল্ডের মোড়কে অ্যামিকাসিন ইঞ্জেকশন! কসবা কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য

কসবায় উদ্ধার হওয়া ভ্যাকসিনের ভায়াল৷

এ দিন কসবা কাণ্ডে (Fake Vaccination Case) মূল অভিযুক্ত ধৃত দেবাঞ্জন দেবকে নিয়ে তার অফিসে তল্লাশি চালায় পুলিশ৷

  • Share this:

#কলকাতা: উপরে সবুজ কাগজের মোড়কে লেখা কোভিশিল্ড৷ আর সেই মোড়কের নীচেই অ্যামিকাসিন-এর লেভেল৷ কসবায় ভুয়ো ভ্যাকসিন ক্যাম্প কাণ্ডে এবার সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য৷

এ দিন কসবা কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত ধৃত দেবাঞ্জন দেবকে নিয়ে তার অফিসে তল্লাশি চালায় পুলিশ৷ সেই তল্লাশিতেই ওই অফিস থেকে কোভিশিল্ড লেখা বেশ কিছু শিশি উদ্ধার হয়৷ দেখা যায় শিশিগুলির গায়ে কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের নাম লেখা থাকলেও সেই কাগজের নীচেই অ্যামিকাসিন ৫০০ নামে এক ধরনের ইঞ্জেকসনের নাম রয়েছে৷ এর পরই তল্লাশিতে ওই অফিস থেকে অ্যামিকাসিন ৫০০ নামে ওই ইঞ্জেকশনের আরও বেশ কিছু ভায়াল পাওয়া যায়৷

শুধু তাই নয়, ওই অফিস থেকেই কম্পিউটার সহ বেশ কিছু নথি উদ্ধার হয়৷ এমন কি, ওই কম্পিউটারেই কোভিশিল্ড-এর ভুয়ো লেভেল তৈরি করা হত, এমন ইঙ্গিতও পেয়েছেন তদন্তকারীরা৷ তাঁদের অনুমান, সম্ভবত বাদরি মার্কেট থেকে অ্যামিকাসিন ৫০০ ইঞ্জেকশন কিনে আনত অভিযুক্ত দেবাঞ্জন৷ এর পর নকল কোভিশিল্ড-এর লেভেল তৈরি করে তা অ্যামিকাসিন-এর ভায়ালের উপরে লাগিয়ে দেওয়া হত৷ সেই অ্যামিকাসিন ইঞ্জেকশনই করোনার ভ্যাকসিন নামে মানুষকে শিবির করে দেওয়া হত৷ কসবার ক্যাম্পে অন্যান্যদের সঙ্গে সাংসদ মিমি চক্রবর্তীও এই অ্যামিকাসিন ইঞ্জেকশনই পেয়েছিলেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে৷

চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, এই অ্যামিকাসিন ইঞ্জেকশন আসলে এক ধরনের অ্যান্টি বোয়াটিক৷ কিন্তু এখন এই অ্যান্টি বায়োটিকের ব্যবহার খুব বেশি করেন না চিকিৎসকরা৷ কারণ, এই ইঞ্জেকসনের ব্যবহারে বেশ কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঘটনা সামনে এসেছে৷ এমন কি, ডায়াবেটিসে ভুগছেন যাঁরা, এই ইঞ্জেকসনের প্রয়োগে তাঁদের কিডনিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকদের একাংশ৷ ভুয়ো ক্যাম্পে যে টিকা দেওয়া হয়েছিল, তার নমুনা সংগ্রহ করে ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছে পুর কর্তৃপক্ষ৷

Published by:Debamoy Ghosh
First published: