corona virus btn
corona virus btn
Loading

মোটা টাকায় গাড়ি ভাড়া করে মদ বিক্রি ! এক ফোনেই বাড়ির কাছে ডেলিভারি !

মোটা টাকায় গাড়ি ভাড়া করে মদ বিক্রি ! এক ফোনেই বাড়ির কাছে ডেলিভারি !

অর্ডার অনুযায়ী বাড়ির কাছাকাছি নিরাপদ কোনও জায়গায় গাড়িতে করে পৌঁছে দেওয়া হত মদ।

  • Share this:

#কলকাতা: পুরোপুরি হোম ডেলিভারি না হলেও, এক ফোনেই বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছে যাবে পছন্দের ব্র্যান্ডের মদ। তবে এই 'পরিষেবা'র জন্য একটু বেশি টাকা খরচ করতে হবে। লকডাউনে মদ্যপায়ীদের গলা ভেজাতে কলকাতায় গজিয়ে উঠেছে এরকমই বেআইনিভাবে মদ ডেলিভারির একাধিক চক্র। দিনকয়েক আগেই তিলজলা থানার পুলিশ এরকমই একটি চক্রকে গ্রেফতার করেছিল। এবার আনন্দপুর থানার পুলিশ শুক্রবার নোনাডাঙ্গা এলাকা থেকে আরও একটি চক্রকে গ্রেফতার করে।

পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের থেকে ২৩ বোতল দেশী মদ এবং ২২ বোতল বিয়ার পাওয়া গিয়েছে। একটি ভাড়ার গাড়িতে করে নোনাডাঙ্গা এলাকায় মদ সরবরাহ করতে এসেছিল বিজয় সরদার ও সুবল হালদার। নোনাডাঙ্গা এলাকায় দেশী মদ এবং বিয়ারের অর্ডার ছিল বলে তারা সেগুলি ডেলিভারি করতে এসেছিল। তবে বিলেতি মদও বিক্রি করে তারা। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে, গাড়িটিকে আটক করে পুলিশ। গাড়ির ভেতর থেকে উদ্ধার হয় মদের বোতল গুলি।

ধৃতদের জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে, মূলত দক্ষিণ শহরতলির বিভিন্ন এলাকা যেমন গড়িয়া, আনন্দপুর, বাঁশদ্রোনি, সোনারপুর এলাকায় সারাবছরই বেআইনিভাবে মদের কারবার চালায় বিজয় ও সুবল। লকডাউনের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তাদের এই বেআইনি কারবার আরও জোরকদমে শুরু করার পরিকল্পনা করে তারা। সেজন্য লকডাউনে মদের দোকান বন্ধ হওয়ার আগেই বিপুল পরিমাণ মদ তারা স্টক করে নিয়েছিল নিজেদের কাছে। লকডাউন মদের চাহিদা বাড়বে এবং দ্বিগুন দামে বিক্রি করে মোটা টাকা রোজগার করা যাবে সেই আশাতেই এই কারবারে নেমেছিল বলে পুলিশকে জানিয়েছে তারা। সারা বছর তাদের থেকে যারা মদ তাদের মাধ্যমেই নিজেদের 'নেটওয়ার্ক' ছড়িয়ে দিয়েছিল এই দুই ব্যবসায়ী। সেই পরিচিত 'নেটওয়ার্কে'র মধ্যে থেকে কেউ ফোন করে অর্ডার দিলে তারাই মদের ডেলিভারি পেত। ধরা পড়ার ভয়ে অপরিচিত কাউকে মদ বিক্রি করত না।

সন্ধ্যের পর থেকে রাত অবধি মদের অর্ডার নিতে তারা। তারপর সকাল থেকে অর্ডার অনুযায়ী বাড়ির কাছাকাছি নিরাপদ কোনও জায়গায় গাড়িতে করে পৌঁছে দেওয়া হত মদ। আনন্দপুর থানার অফিসার বলেন, "বেআইনিভাবে মদ বিক্রি করে প্রচুর টাকা রোজগার করেছে এরা। একসাথে অনেক মদ ডেলিভারি করতে হতো বলে মোটা টাকা দিয়ে গাড়ি ভাড়া করে নিয়েছিল।"

ধৃতদের জেরা করে পুলিশ আরও জানার চেষ্টা করছে এই চক্রে আর কেউ যুক্ত রয়েছে কিনা। পাশাপাশি বেআইনিভাবে কত পরিমান মদের স্টক তারা করেছিল এবং কোথায় তা রেখেছিল তাও জানার চেষ্টা করছে আনন্দপুর থানার পুলিশ। কলকাতা পুলিশের ডিসি (ইস্ট) গৌরব লাল বলেন, "ধৃতদের বিরুদ্ধে সরকারি আদেশ অমান্য করা এবং আবগারি আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।"

সুজয় পাল

Published by: Piya Banerjee
First published: April 10, 2020, 11:31 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर