corona virus btn
corona virus btn
Loading

দু'টাকা কেজির চাল-গম চুরি চক্রের পান্ডা গ্রেফতার কলকাতায়

দু'টাকা কেজির চাল-গম চুরি চক্রের পান্ডা গ্রেফতার কলকাতায়

দিন কয়েক আগেই কাশীপুর এলাকা থেকে রেশনের চাল চুরির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল এক ব্যবসায়ীকে।

  • Share this:

#কলকাতা: দিন কয়েক আগেই কাশীপুর এলাকা থেকে রেশনের চাল চুরির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল এক ব্যবসায়ীকে। এবার চিৎপুর এলাকা থেকে এই চক্রের অন্যতম পাণ্ডা সুদীপ সাউকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ (ইবি)। এই গ্রেফতারি রেশনের কালোবাজারি চক্রের পর্দাফাঁস করার ক্ষেত্রে বড় সাফল্য বলেই মনে করছে ইবি। ধৃতের বিরুদ্ধে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইনের বিশেষ ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।

সোমবার দেওধর স্ট্রিটে সুদীপের তিনটি গুদামে হানা দেয় এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের অফিসারেরা। তাঁদের কাছে খবর ছিল রেশনের চুরি করা চাল ও গম সেই গুদামে লুকিয়ে রাখা আছে। কিন্তু এদিন সেই গুদামগুলি থেকে সেই চোরাই চাল-গম পাওয়া যায়নি। মাত্র ১০ বস্তা চাল ও গম বাজেয়াপ্ত করেছে এনফর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের অফিসাররা। তবে তদন্তে তাঁরা জানতে পেরেছেন, ওই গুদামেই চাল গম স্টক করে রাখা ছিল। দু-একদিনের মধ্যেই সেই চোরাই রেশন সামগ্রী চাল মিলে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ সূত্রে খবর, রাজ্য সরকার দু'টাকা কিলো দরে চাল ও গম দেওয়ার যে প্রকল্প চালায়, সেই প্রকল্প বাবদ সরকারের পাঠানো চাল ও গম চুরি করে সুদীপের কাছে পাঠানো হয়। এই চক্রে একাধিক রেশন ডিলারের যোগসাজশ রয়েছে বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা।

রেশন ডিলারের কাছে যে পরিমাণ চাল ও গম সরকার পাঠায়, তার মধ্যে বেশ কিছু পরিমাণ চাল ও গম উচ্ছিষ্ট থাকে। যা গ্রাহকরা নেয় না। সেগুলি সরকারের কাছে না পাঠিয়ে দেওয়ার নিয়ম থাকলেও, তা চোরাপথে চলে যায় সুদীপের মতো এরকম ব্যবসায়ীদের কাছে। এভাবেই চলে রেশন সামগ্রী কালোবাজারি চক্র। এই চক্রে আরও একাধিক বড় মাথা লুকিয়ে রয়েছে বলে খবর পেয়েছে এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ। তাদের ব্যাপারে জানার জন্য ধৃতকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করতে চায় ইবি।

ধৃত সুদীপ সাউ সামনে তার চালের ব্যবসাকে রেখে আড়ালে এই রেশন সামগ্রী কালোবাজারি করছিল বলে অভিযোগ। গত প্রায় বছর দশেক ধরে এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। রেশন সামগ্রী কালোবাজারি চক্রের অন্যতম পান্ডা গ্রেফতারের বিষয়টি ইতিমধ্যেই খাদ্য ভবনকে জানানো হয়েছে। তারা এসে বাজেয়াপ্ত হওয়ার চাল ও গমের নমুনা সংগ্রহ করবে। সেই নমুনা পরীক্ষা করার পর রিপোর্ট দেবে। বাজেয়াপ্ত হওয়া সামগ্রীর সঙ্গে রেশনে দেওয়া চাল-গমের নমুনা মিলে গেলে তদন্তে সুবিধা হবে পুলিশের। সেক্ষেত্রে ধৃত ব্যবসায়ীর সর্বোচ্চ সাজা হওয়ার সম্ভাবনাও থাকতে পারে বলে তদন্তকারীরা মনে করছে।

First published: April 6, 2020, 6:32 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर