CAA-তে সমর্থন পাচ্ছেন ? কোথায় কত সভা ? দিলীপ-মুকুলের কাছে জানতে চাইলেন মোদি

CAA-তে সমর্থন পাচ্ছেন ? কোথায় কত সভা ? দিলীপ-মুকুলের কাছে জানতে চাইলেন মোদি

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের সমর্থনে কেমন সাড়া পাচ্ছেন? বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের কাছে জানতে চাইলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

  • Share this:

#কলকাতা: নাগরিকত্ব সংশোধনী  আইনের  সমর্থনে কেমন সাড়া পাচ্ছেন? বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের কাছে জানতে চাইলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ, শনিবার রাজভবনে রাজ্য বিজেপির কোর কমিটির সঙ্গে প্রায় ২০ মিনিট বৈঠক করেন মোদি। সিএএ নিয়ে সেখানে মোদি জানতে চান।  সিএএ নিয়ে প্রচারের ধরন, কোথায় কত সভা হয়েছে? সীমান্ত এলাকায় অনুপ্রবেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও জানতে চান মোদি।

আলোচনায় মূলত, রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায় ও রাহুল সিনহা প্রধানমন্ত্রীকে রাজ্যে সিএএ পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রিপোর্ট দেন। সিএএ সমর্থনে কলকাতা ও রাজ্যের জেলায় জেলায় যে অভিনন্দন যাত্রা চলছে তা নিয়ে বিস্তারিত জানান রাজ্য নেতৃত্ব। সিএএ সংক্রান্ত ইস্যুতে মানুষের ভাল সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলেও রাজ্য নেতৃত্বের তরফে দাবি করা হয়েছে। সেই দাবির সমর্থনে, রাজ্যে সিএএ সংক্রান্ত প্রচারের একটি সচিত্র রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাতে তুলে দেন দিলীপ ঘোষ৷

বসিরহাটের প্রাক্তন বিধায়ক শমীক ভট্টাচার্যের কাছে ওই এলাকার  সীমান্ত ও অনুপ্রবেশ সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চান মোদি। সূত্রের খবর, সিএএ-র সমর্থনে প্রচারকে আরও জোরদার করতে ৷ ঘরে ঘরে গিয়ে মানুষের কাছে প্রচারের উপরেই সর্বাধিক গুরুত্ব দেখিয়েছেন মোদি। রাজ্য নেতৃত্বকে মোদি বলেছেন, সিএএ নিয়ে মানুষের বিভ্রান্তি কাটানো দরকার। ভয় ভাঙাতে হবে। তার জন্য মানুষের ঘরে ঘরে যেতে হবে। বিজেপি নেতৃত্বের মতে, রাজ্যে তৃণমূলের মোকাবিলা করা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মনোভাব খুব স্পষ্ট। কেন্দ্র চায় রাজনৈতিক ভাবে তৃণমূলের মোকাবিলা করতে হবে রাজ্যকেই।

3218_IMG-20200111-WA0044

বৈঠকে দিলীপ ঘোষদের আশ্বস্ত করে মোদি বলেছেন, আপনারা রাজনৈতিক ভাবে যা লড়াই করার করুন। বাকিটা আমি সামলাব। বিজেপি চেয়েছিল, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের আগে তাদের সঙ্গে বৈঠক করুন প্রধানমন্ত্রী। যাতে রাজ্যে তৃণমূলের সন্ত্রাস ও রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আগাম প্রধানমন্ত্রীর কাছে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নালিশ জানিয়ে রাখতে পারে তারা।  কিন্তু, বিজেপি রাজভবনে আসার আগেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হয়ে যাওয়ায় কিছুটা হতাশ রাজ্য নেতারা। তবে, এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সাফাই, আমরা চাইলেও, প্রধানমন্ত্রী রাজ্যে এসে আগে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন এটাই সঠিক। প্রধানমন্ত্রী সঠিক কাজই করেছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, আসলে, মোদি - মমতা বৈঠকই বিজেপির খুশির রসায়ন। রাজ্যজুড়ে সিএএ ও ছাত্র আন্দোলনে জেরবার বিজেপি এই ঘটনায় কিছুটা হলেও অক্সিজেন পেল।

Arup Dutta

First published: January 11, 2020, 8:47 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर