corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনার ভয়ে টিকিট নিচ্ছেন না যাত্রীরা, কত টিকিট বিক্রি জানতে পারছেন না বাস মালিকরা

করোনার ভয়ে টিকিট নিচ্ছেন না যাত্রীরা, কত টিকিট বিক্রি জানতে পারছেন না বাস মালিকরা
বাসে সাঁটানো পোস্টার

পোস্টারে বাস মালিকদের বক্তব্য, আপনারা অর্থাৎ যাত্রীরা বাসে যথাযথ ভাড়া দিয়ে স্যানিটাইজ করা টিকিট সংগ্রহ করুন। কাগজের টিকিট থেকে সংক্রমণ হবে না। বাস মালিকরা কষ্ট করে পরিষেবা দিচ্ছেন, তাঁদের সহযোগিতা করুন।

  • Share this:

#কলকাতা: সংক্রমণের ভয়। তাই বাসের টিকিট ছুঁয়েও দেখছেন না কোনও যাত্রী। ফলে দিনের শেষে বান্ডিল বান্ডিল টিকিট জমা পড়ছে মালিকের কাছে। কত টাকার টিকিট বিক্রি হচ্ছে তা জানতেও পারছেন না বাস মালিকরা।

যাত্রীদের অবশ্য বক্তব্য, তাঁরা ভাড়া মিটিয়েছেন যথাযথ। রাস্তায় যত সংখ্যক বাস, যাত্রী পিছু তা যথাযথ। ফলে আদৌ বাস চালিয়ে লাভ হচ্ছে না, নাকি টিকিট বিক্রির টাকা মিলছে না বলে ক্ষতির কথা জানাচ্ছেন বাস মালিকরা। এই নিয়েই দোলাচল শুরু। শহরের একাধিক রুটের বাসে লাগানো হয়েছে পোস্টার। পোস্টারে বাস মালিকদের বক্তব্য, আপনারা অর্থাৎ যাত্রীরা বাসে যথাযথ ভাড়া দিয়ে স্যানিটাইজ করা টিকিট সংগ্রহ করুন। কাগজের টিকিট থেকে সংক্রমণ হবে না। বাস মালিকরা কষ্ট করে পরিষেবা দিচ্ছেন, তাঁদের সহযোগিতা করুন।

এই পোস্টার বাসে দিতে হল কেন? বাস মালিকদের বক্তব্য, "এই পোস্টার দেখে যাত্রীরা নিশ্চিন্ত হয়ে ভাড়া দিয়ে টিকিটটা নিক। তাহলে অন্তত দিনের শেষে আমরা বুঝতে পারব, আমাদের কত টাকার টিকিট বিক্রি হয়েছে। যাতে আমাদের আয় নিয়ে সঠিক তথ্য পাব।" প্রায় প্রতিদিন দেখা যাচ্ছে রাস্তায় বহু লোক দাঁড়িয়ে থাকছে বাসের জন্যে। অভিযোগ বাস মিলছে না। আবার বাস মালিকরা অভিযোগ করছিলেন যাত্রী নেই।

বাস্তব অবস্থা খতিয়ে দেখতে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় প্রতিটি বাস দিনে ২ থেকে ৩ বার ট্রিপ করছে। রাস্তায় যে সংখ্যক যাত্রী রয়েছেন, তাদের গড় হিসেবে বাসের আসন ফাঁকা যাওয়ার কথা নয়। কিন্তু টিকিট বিক্রি না-হলে সেই হিসেব বাস মালিকরা পাবেন না দিনের শেষে। করোনার ভয়ে যেহেতু যাত্রীরা টিকিট নিচ্ছেন না, ফলে হিসেব টিকিট দিয়ে মেলানো যাচ্ছে না।

এক যাত্রী দীপঙ্কর মজুমদার জানাচ্ছেন, "বাগুইআটি থেকে ধর্মতলা আসি বাসে। রোজ ভাড়া মেটাই। টিকিট আমি নিচ্ছি না। তবে সেই টিকিট কন্ডাক্টর ছিঁড়ে আমার সামনে অন্তত ফেলে দিচ্ছে না।"

একই অভিজ্ঞতা একাধিক যাত্রীর। ফলে সেই টিকিট ফের রাতে গিয়ে জমা পড়ছে মালিকের কাছে। তা দেখে মালিক ভাবছেন বাস চালিয়ে হচ্ছে না লাভ। এখন যে সব বাস চালক ও কন্ডাক্টর আছেন বেসরকারি বাসে, তাঁদের নির্দিষ্ট মাইনে নেই। টিকিট বিক্রির ওপর কমিশন পান তাঁরা। চালক পান ১২ শতাংশ, দু'জন কন্ডাক্টর পান ৬ শতাংশ করে। এখন যদিও একটি কন্ডাক্টর। সকাল থেকে রাত টিকিট বিক্রির অঙ্ক মিলিয়ে কমিশন ঠিক হয়। এক্ষেত্রে বাস মালিকরা সমাধান চেয়ে তাই বাসেই পোস্টার দিয়েছেন, যাতে আসলে যাত্রীদের দেওয়া ভাড়া তাঁদের ঘরেও আসে। না-হলে সংক্রমণের জুজুতে লাভের গুড় খাচ্ছেন বাস কর্মীরা।

ABIR GHOSAL

Published by: Arindam Gupta
First published: August 13, 2020, 10:27 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर