• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • PERSON FEARING AFFECTED BY CORONA VIRUS COMES FROM RAJASTHAN HOSPITAL TO KOLKATA PBD

করোনা আক্রান্ত সন্দেহে রাজস্থানের হাসপাতালে ভর্তি বাঙালি যুবক পালিয়ে এলেন কলকাতা! তারপর...

সংগৃহীত ছবি

গত শুক্রবার রাতেই হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান ওই যুবক৷ হইচই পড়ে যায় জয়পুর জুড়ে। খবর দেওয়া হয় দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য দফতরে।

  • Share this:
#নদিয়া: নদিয়ার হাঁসখালির বাসিন্দা ২৬ বছরের যুবক। বছর দু’য়েক হল রাজস্থানের জয়পুরে একটি বিলাসবহুল হোটেলে কাজে ঢোকেন।গরিবের সংসারে কিছুটা অবস্থা ফেরে। তবে গত কয়েক দিন হল অবস্থা আবার টালমাটাল। সেই যুবক জয়পুরের এক সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।পরিবারের কেউ যোগাযোগও করে উঠতে পারছেন না। মার্চের শুরুতে জয়পূরের ওই বিলাবহুল হোটেলে ইতালির পর্যটকদের একটা দল আসে।নদিয়ার ওই যুবক ইতালীয় এই পর্যটকদের রুমে ওয়েটারের কাজ করেছিল গত ৫ই মার্চ ইতালির এই পর্যটক দলের করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করে পজিটিভ পাওয়া যায়। ১২ জন পর্যটক নভেল করোনা আক্রান্ত বলে জানায় কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। এরপরই শুরু হয় অনুসন্ধান। যারা যারা এই করোনা আক্রান্ত ইতালীয় পর্যটক দলের সংস্পর্শে আসে, প্রত্যেককে আলাদা করে চিহ্নিত করে নজরদারিতে রাখার সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।
নদিয়ার বাসিন্দা এই যুবককে আলাদা করে নজরদারি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর সঙ্গে কাকতলীয় ভাবে সেই সময়ই তার সর্দি কাশি হয়। ফলে কোনরকম দেরি না করে ওই যুবককে জয়পুর এরই একটি সরকারি হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করে চিকিৎসা শুরু হয়। একদিকে ভিন রাজ্যের শহরে সম্পূর্ণ একা, তার সঙ্গে পরিবারের কোনরকম যোগাযোগ না থাকায় হতাশায় ভেঙে পড়ে ওই যুবক।
গত শুক্রবার রাতেই হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান ওই যুবক৷  হইচই পড়ে যায় জয়পুর জুড়ে। খবর দেওয়া হয় দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য দফতরে।  জয়পুর পুলিশের তরফ থেকে দ্রুত যোগাযোগ করা হয় নদিয়া পুলিশের সঙ্গে। এর পাশাপাশি সতর্ক করা হয় রেল পুলিশকেও। রবিবার সকালে হাওড়া স্টেশনে পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ। সকাল ৭ টা নাগাদ জয়পুরের ট্রেন হাওড়াতে ঢুকলেই ওত পেতে থাকা পুলিশ সন্ধান পেয়ে যায় ওই যুবকের। হাওড়া স্টেশন থেকেই তাকে পাকড়াও করে সোজা নিয়ে যাওয়া হয় বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে। সেখানকার জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা ওই যুবককে দেখেই তাকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করে দেয়। শেষরক্ষা আর হল না ওই যুবকের। যে ভয়ে এক হাসপাতাল থেকে পালানো আবারও সেই হাসপাতালেই ভর্তি থাকতে হল।
Published by:Pooja Basu
First published: