কলকাতা

corona virus btn
corona virus btn
Loading

সকলের সামনেই লাইন পার করে মেট্রো ধরতে গেল যুবক, তারপর কি হল.....

সকলের সামনেই লাইন পার করে মেট্রো ধরতে গেল যুবক, তারপর কি হল.....

ফের বেআব্রু মেট্রোর নিরাপত্তা

  • Share this:

#কলকাতা: ঘড়ির কাঁটায় তখন সকাল ১১ টা ১৪ মিনিট। রবিবার হলেও ভিড়ে ঠাসা শহীদ ক্ষুদিরাম মেট্রো স্টেশন। প্ল্যাটফর্মে ঘোষণা হয়ে গেছে দমদমগামী মেট্রো ঢুকছে। হঠাৎই সেই সময় যাত্রীদের প্রচন্ড জোরে চিৎকার। গেল গেল রব তুললেন যাত্রীরা। কিন্তু তার মাঝেই বছর কুড়ির এক যুবক দিব্যি লাইন টপকে উল্টো দিকের  প্ল্যাটফর্মে গিয়ে উঠলেন। ভাবখানা এমন যেন কিছুই হয়নি।

সেই সময়েই প্ল্যাটফর্মে ঢোকে দমদমগামী ট্রেন। যদিও ওই যুবক ট্রেনে ওঠার আগেই তাকে আটক করে আর পি এফ। নিয়ে যাওয়া হয় স্টেশন মাষ্টারের ঘরে। সেখানেই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তারপর ভারতীয় রেলের নিয়মানুযায়ী অসভ্যতার একটি ধারায় ২৫০ টাকা ফাইন নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। যে যুবক এই কান্ড ঘটিয়েছেন তার নাম কার্তিক দাস। বছর ২৩ এর ছেলের এমন কান্ড দেখে হতবাক মেট্রো রেলের  আধিকারিকরা। আর পি এফের উপস্থিতিতে কী করে এই ঘটনা ঘটল তা নিয়ে ভেবে কুল পাচ্ছেন না আর পি এফের উচ্চ আধিকারিকরা। যদিও গোটা ঘটনায় যেন কিছুই হয়নি এমন ভাব করছেন কার্তিক।

কামালগাজির কার্তিক জানাচ্ছে, সে রবিবার জীবনে প্রথম বার মেট্রো চাপতে এসেছিল। যাবার কথা ছিল শ্যামবাজার। ঠিকঠাক নিয়ম মেনেই মেট্রোর টিকিট কাটে। তারপর ভুল করে দমদমগামী মেট্রো যে প্ল্যাটফর্ম আসার কথা, সেখানে না গিয়ে কবি সুভাষ গামী মেট্রোর প্ল্যাটফর্মে  গিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ে।কার্তিকের কথায়, আমি যখন বুঝতে পারি, এদিকে নয়, অন্যদিকে ট্রেন আসছে, তখনই 'আমি প্ল্যাটফর্ম টপকে চলে যাই। আমায় কেউ তো বারণ করেনি। যদিও পরে পুলিশ এসে আমায় ধরে। ২৫০ টাকা নিয়ে  ছেড়ে দেয়'। শান্তভাবে কথাগুলো বলে গেলেও, কার্তিকের এই আচরণ নিয়ে ফের প্রশ্নের মুখে পড়েছে আর পি এফ।

ইনিই কামালগাজির কার্তিক৷ ইনিই কামালগাজির কার্তিক৷

এর আগে মহাজাতি সদন থেকে গিরিশ পাক অবধি এক বিনা টিকিটের যাত্রী সুড়ঙ্গ ধরে হেঁটে চলে যান। যদিও তাকে আজও ধরতে পারা যায়নি। তারই মধ্যে কার্তিক দাসের এই ঘটনা ফের আর পি এফের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। সোমবার সকাল থেকে কেন এমন ঘটনা ঘটল তা নিয়ে বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকদের থেকে এই বিষয়ে কোথায় সমন্বয়ের অভাব হল তা জানতে চাওয়া হয়েছে। প্রাক্তন রেল আধিকারিকদের বক্তব্য, ছেলেটির তো যে কোনও সময় বড়সড় বিপদ হতে পারত। যে ভাবে থাড লাইন পার করল, তাতে বিদ্যুৎ স্পর্শ হয়ে মারা যেতেও পারত। আর পি এফের উচিত ছিল এই বিষয়ে আরও সাবধানে থাকা। নজরদারি আরও ভালো ভাবে করা।

কিন্তু কেন এমন করল কার্তিক। তার সহজ জবাব, 'আমি তো জানিনা এখানে এভাবে লাইন পেরোনো যায়না। তাই আমার ভুল হয়ে গেছে'। আর এই এক ভুলেই কুপোকাত মেট্রো। কিন্তু মেট্রোর লাইন পেরিয়ে কোনও বিপদ তো হয়না। আমার তো কিছু হয়নি। সোমবারও একই রকম আত্মবিশ্বাস কার্তিকের গলায়। আর চিন্তা বাড়ছে মেট্রোর।

Published by: Pooja Basu
First published: March 2, 2020, 11:16 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर