• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • নিমতলার পর এবার ধাপার শ্মশানেও করোনা আক্রান্তের মৃত দেহ সৎকার নিয়ে আপত্তি , বিক্ষোভ !

নিমতলার পর এবার ধাপার শ্মশানেও করোনা আক্রান্তের মৃত দেহ সৎকার নিয়ে আপত্তি , বিক্ষোভ !

করোনা আক্রান্ত হয়ে যাদের মৃত্যু হচ্ছে সেইসব দেহ সৎকার নিয়ে সমস্যায় প্রশাসন।

করোনা আক্রান্ত হয়ে যাদের মৃত্যু হচ্ছে সেইসব দেহ সৎকার নিয়ে সমস্যায় প্রশাসন।

করোনা আক্রান্ত হয়ে যাদের মৃত্যু হচ্ছে সেইসব দেহ সৎকার নিয়ে সমস্যায় প্রশাসন।

  • Share this:

#কলকাতা:  করোনা আক্রান্ত হয়ে যাদের মৃত্যু হচ্ছে সেইসব দেহ সৎকার নিয়ে সমস্যায় প্রশাসন। দিন কয়েক আগে নিমতলা শ্মশানে রাজ্যের প্রথম করোনা আক্রান্তের মৃতদেহ সৎকার করা নিয়ে প্রবল বাধার মুখে পড়ে প্রশাসন। এবার ধাপা শ্মশানেও একই ঘটনা ঘটল।

বুধবার রাতে বেলঘড়িয়ায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত আরেক প্রৌঢ়ের দেহ সৎকার করতে নিয়ে আসার কথা ছিল ধাপা শ্মশানে। আর সেই খবর পেয়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা প্রবল আপত্তি তোলে। পুলিশের সঙ্গে বাধে বচসা।

নিমতলা শ্মশানে প্রথম করোনা আক্রান্তের মৃতদেহ সৎকার করতে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের বাধার মুখে পড়ার পর কলকাতা পুরসভা সিদ্ধান্ত নেয় এরপর থেকে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হলে ধাপার ভেতরে পুরসভার যে শ্মশান রয়েছে, সেখানেই দেহ সৎকার করা হবে। সেই মতোই এদিন বেলঘড়িয়ার মৃত প্রৌঢ়ের দেহ সৎকার করার কথা ছিল ধাপার শ্মশানে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা মেনে রাতেই বিশেষ মোড়কে দেহ এনে সৎকার করার কথা থাকলেও, আগে থেকে সেই খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা আপত্তি তোলে। শ্মশানের সামনে ঘেরাও করে রাখে একশোর বেশি স্থানীয় বাসিন্দা। কোনওমতেই তারা সেখানে দেহ সৎকার করতে দেবে না বলে সিদ্ধান্ত নেয়। পরবর্তীতে খবর পেয়ে বিরাট পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ঘটনাস্থলে যান ডিসি ইস্ট গৌরব লাল। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তিনি বিষয়টি বোঝানোর চেষ্টা করেন যে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি বিজ্ঞানসম্মত নয়। দেহ সৎকার করলে এই ভাইরাসের প্রকোপ স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে পড়বে না বলে বোঝানোর চেষ্টা করেন। মাইকে ঘোষণা করে বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতেও ব্যর্থ হয় পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেদের সিদ্ধান্তেই অনড় থেকে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই শ্মশানে দেহ পোড়ালে তার প্রকোপে নাকি সংক্রমণ ছড়াতে পারে এলাকাবাসীর মধ্যে। তাই তারা যদি করোনা আক্রান্ত হয়, তাহলে কে তাদের দায়িত্ব নেবে তা নিয়েও প্রশ্ন তোলে। পুলিশের পক্ষ থেকে এলাকাবাসীকে বোঝানোর চেষ্টা হয় যে ইলেকট্রিক চুল্লিতে যে তীব্র তাপমাত্রায় দেহ পোড়ানো হয় তাতে কোনও রোগজীবাণু অবশিষ্ট থাকে না। ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে সংক্রমণেও কোনও সম্ভাবনাই নেই। তাদের স্বাস্থ্যকে প্রশাসন অগ্রাহ্য করছে না বলেও জানানো হয়। যদিও শেষমেষ স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের কথা শুনতে রাজি হয়নি।

সুজয় পাল

Published by:Piya Banerjee
First published: