corona virus btn
corona virus btn
Loading

বাজারে মাছ নেই ! কিনতে বেরিয়েছি গাড়ি নিয়ে ! লকডাউন ভেঙে হাজারো অজুহাত মানুষের !

বাজারে মাছ নেই ! কিনতে বেরিয়েছি গাড়ি নিয়ে ! লকডাউন ভেঙে হাজারো অজুহাত মানুষের !

মাস্ক না পরে বেরোলেই পুলিশ আটকাচ্ছেন।

  • Share this:

#কলকাতা: করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউন চলছে। বাড়ি থেকে বেরোনো মানা। অতি প্রয়োজনীয় সামগ্রী কেনার ক্ষেত্রে ছাড় রয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাজার খুলছে। সেখানেও নির্দেশ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন মুখে মাস্ক পরে বাজারে আসুন। রাস্তায় রাস্তায় পুলিশের নাকা চেকিং। তবুও মানুষের কি হুঁশ ফিরছে? লকডাউনের মধ্যে কোনও অজুহাতে বেরিয়ে পড়ছে না তো মানুষ? লকডাউনের একমাস পরে ছবিটা কেমন?

বেশ কয়েকটি ছবি ধরা পড়ল নিউজ18 বাংলার ক্যামেরা। রাজাবাজার মোড়ে কড়া নাকা চেকিং। প্রত্যেক গাড়িকে জিজ্ঞেস করা হচ্ছে কেন বেরিয়েছেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখার পরেই এগোনোর অনুমতি মিলছে। এরমধ্যেই আচমকা একটি চারচাকা গাড়িকে দাঁড় করালো পুলিশ। গাড়ীতে কোন নির্দিষ্ট স্টিকার বা ছাড়পত্রের কাগজ নেই। কোনও প্রয়োজনীয় কাজে বেরিয়েছেন বলে জানাতে পারলেন না গাড়ির মালিক তথা চালক। শুধু পুলিশকে জানালেন ভালো মাছ কিনতে তিনি বেরিয়েছেন। পাশের সিটেই বসে রয়েছে পরিবারের সদস্য। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির যুক্তি বেলেঘাটায় ভালো মাছ পাওয়া যাচ্ছে না, তাই মানিকতলা বাজারে গিয়ে একটু ভালো মাছের খোঁজ করতেই লকডাউনের মধ্যে গাড়ি নিয়ে বেরিয়েছেন। গাড়ির লাইসেন্স পুলিশ দেখতে চাইলে সেটিও দেখাতে ব্যর্থ হলেন সেই ব্যক্তি।  ২০০০ টাকা স্পট ফাইন দিয়ে শেষ পর্যন্ত ছাড় পেলেন।

 

 অন্যদিকে আরেকটা ছবি ভবানীপুরে জগুবাবুর বাজারে। মাস্ক না পরে বেরোলেই পুলিশ আটকাচ্ছেন।  একেক জন  ব্যক্তি একেক রকম যুক্তি দিচ্ছেন পুলিশকে। কেউ বলছেন মাস্ক ধুয়ে দিয়েছেন তাই না শুকনোয় পড়ে বের হতে পারেননি। কারোর দাবি, মাস্ক পরে কানে ব্যথা লাগছে তাই খুলে পকেট রেখেছেন। আরেক মাঝবয়সী ব্যক্তির দাবি, বাড়ি থেকে সবেমাত্র বেরিয়েছি বাজারে ঢুকে মাক্স পড়বেন। এই অজুহাতকারীদের জন্য নানারকম শাস্তি রয়েছে পুলিশের। কাউকে কান ধরিয়ে ছেড়ে দিচ্ছে পুলিশ। কাউকে আবার মাস্ক কিনে নিয়ে পরিয়ে তবেই ছাড়া হচ্ছে।                       

পুলিশ তাদের সাধ্যমতো কাজ করছে। সরকার দফায় দফায় প্রচার করছে। চারিদিকে ঘোষণা চলছে। কিন্তু মানুষের হুস সত্যিই কি ফিরছে? মানুষ কি সত্যি সচেতন হয়েছেন? কলকাতার রাস্তায় প্রত্যেকদিন এরকমই মানুষের উদাসীনতার ছবি ধরা পড়ছে। অনেক মানুষ কোনও কাজ না থাকলেও বাড়ি থেকে বেরিয়েছেন। পুলিশ আটকাতে তাদের যুক্তি বা অজুহাত কিন্তু মুখে লেগে রয়েছে। অনেকের গাড়িতেই প্রেস লেখা। কিন্তু বিশেষ কোনও সংবাদ মাধ্যমে কাজ করার আই কার্ড নেই। কেউ আবার পুলিশ লেখা বাইক নিয়ে বেরিয়ে পড়েছেন। পুলিশকর্মী আটকাতে উত্তর নেই মুখে। অনেক জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা গেছে তাঁর কোনও আত্মীয় পুলিশে কর্মরত সেই ব্যক্তির বাইক নিয়ে বেরিয়েছেন। জরুরী পরিষেবা সঙ্গে যুক্ত এরকম গাড়িগুলোকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে সেইসব সুযোগ নিয়ে সাধারণ গাড়ি স্টিকার লাগিয়ে বাইরে বের হচ্ছে বলে মনে করছেন পুলিশের আধিকারিকরা। আসলে কঠিন পরিস্থিতিতেও মানুষের অজুহাত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মানুষের সচেতনতা না তৈরি হলে আগামী দিন কিন্তু আরও কঠিন, মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ERON ROY BURMAN

First published: April 26, 2020, 12:00 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर