ডাকের সাজ থেকে প্রতিমার শাড়ি-গয়না, ব্যস্ত পালপাড়ার আট থেকে আশি

ডাকের সাজ থেকে প্রতিমার শাড়ি-গয়না, ব্যস্ত পালপাড়ার আট থেকে আশি

মেয়ে আসছে বাপেরবাড়ি। মেয়ের গা ভরতি ঝলমলে গয়না। মাথার মুকুট থেকে গলায় সাত-লহরি হার।

  • Share this:

#কলকাতা: মেয়ে আসছে বাপেরবাড়ি। মেয়ের গা ভরতি ঝলমলে গয়না। মাথার মুকুট থেকে গলায় সাত-লহরি হার। পরনে চোখ ধাধানো শাড়ি। জরি, চুমকির সাজে মেয়েকে সাজিয়ে তুলতে এখন বেজায় ব্যস্ত উত্তর চব্বিশ পরগনার দেগঙ্গার পালপাড়া। কুমোরটুলির বাজারে বাড়ছে শিল্পীদের কাজের চাহিদা । কিন্তু নজর নেই ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প দফতরের। ফলে আজও লড়াই করেই দিন যাপন প্রতিমার গয়না শিল্পীদের।

পুজো আসছে। বিশ্রাম ভুলেছে দেগঙ্গা থানার পালপাড়া। উত্তর চব্বিশ পরগনার এই পালপাড়া আদতে গয়নার আঁতুড়ঘর। ঘরে ঘরে তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন ডিজাইনের গয়না। ডাকের সাজ, জরি, চুমকি নিয়ে দিন রাত ব্যস্ত আট থেকে আশি। বছরভর-ই ব্যস্ততা। তবে চাহিদা বাড়ে দুর্গাপুজোয়।

কৃষি প্রধান এলাকা দেগঙ্গা। সেখানকার পালপাড়ায় পঁচিশ বছর আগে শুরু হয় প্রতিমার গয়না তৈরি। আজ এই শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে দেড়শোরও বেশি মানুষের রুজি রোজগার। দুর্গার মৃন্ময়ী থেকে চিন্ময়ী হয়ে ওঠা এই শিল্পীদের হাত ধরেই। শুধু অলঙ্কারই নয়, প্রতিমার শাড়ি তৈরিতেও দক্ষ তাঁরা। ক্যানিং , সোনারপুরের গয়না তৈরির শিল্পকে অবলীলায় হারিয়ে কুমোরটুলির মনেও জায়গা করে নিয়েছেন পালপাড়ার রুমা, সৌমেন, সুশান্ত পালরা।

তবে চাহিদা যতই বাড়ুক, শ্রমিক সমস্যায় জেরবার শিল্পীরা। রোজের বদলে এখন ঘণ্টা ভিত্তিতে পারিশ্রমিক দিতে হচ্ছে শ্রমিককে। চাহিদা বাড়লেও, লাভ বাড়েনি। দক্ষ শ্রমিকের পারিশ্রমিক ও কাঁচামালের দামে লাভের গুড় পিঁপড়েতে খেয়ে যাচ্ছে। অভিযোগ শিল্পীদের।

পঁচিশ বছর পার। তবুও ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প দফতরের নজর নেই পালপাড়ায়। অথচ সরকারি সাহায্য পেলে বাড়তে পারে কর্মসংস্থান। চাহিদা বাড়লেও তাই সরকারি আনুকুল্যের প্রত্যাশী দেগঙ্গার পালপাড়া।

First published: 02:10:16 PM Aug 23, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर