চিকিৎসা তো হলই না উল্টে হাসপাতালে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েই মৃত্যু হল রোগীর

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Mar 04, 2019 09:21 PM IST
চিকিৎসা তো হলই না উল্টে হাসপাতালে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েই মৃত্যু হল রোগীর
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Mar 04, 2019 09:21 PM IST

#কলকাতা: হাসপাতালে রোগীরা যান সুস্থ হতে। কিন্তু হাসপাতালেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে মৃত্যু হল এক রোগীর। ঘটনা এসএসকেএম হাসপাতালের। রোগীদের দাবি, সমস্ত বিভাগের আউটডোরের সামনে প্রতিদিনই লম্বা লাইন। সেই লাইন ঠেলে চিকিৎ‍সকের কাছে পৌঁছতে গিয়ে হাঁফিয়ে ওঠেন তাঁরা। অসুস্থ শরীরে তাই হয়রানি আরও বাড়ে।

এসএসকেএম হাসপাতালে এই ছবিটা নিত্যদিনের। চিকি‍ৎসকের কাছে পৌঁছনোর অপেক্ষা যেন আর শেষ হয় না। এক ঘণ্টা, দু’ঘণ্টা বা পাঁচ ঘণ্টা। প্রতিদিনই আউটডোরের লম্বা লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে রোগীদের। অসুস্থ শরীরে ধুঁকতে ধুঁকতে হলেও লাইনে সময় গোনা ছাড়া উপায় নেই।

সোমবার সকাল দশটায় পঃ মেদিনীপুরের রামজীবনপুরের বাসিন্দা নন্দরানি দণ্ডপাট ৫৫ কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন। ছেলে ও বউকে নিয়ে এসএছিলেন। জরুরি বিভাগ থেকে এসে মৃত ঘোষণা। এসএসকেএমে হৃদরোগ, অর্থোপেডিক, নিউরো বা নেফ্রোলজি-সহ অন্য বিভাগের আউটডোরে প্রতিদিনই বিভিন্ন জেলা থেকে অসংখ্য রোগী আসেন। এখন অনলাইনে আউটডোরের টিকিট কাটা যায়। তবে অনেকে হয়ত সেই পদ্ধতি না জানায় লাইনে চাপ বাড়ছে। অথবা ওষুধের লাইনেও প্রচুর ভিড়।

আরও পড়ুন ১০০ বছরের পুরনো রীতি ভাঙছে রামকৃষ্ণ মিশন, বন্ধ হচ্ছে আতসবাজির প্রদর্শণ

আউটডোরের লাইনে দাঁড়িয়ে নন্দরানি দণ্ডপাটের মৃত্যুই প্রমাণ করে দেয়, প্রতিদিনের এই লাইন হয়রানি কতটা দুর্বিষহ। এসসএসকেএম কর্তৃপক্ষও মানছে, ভিড় সামাল দেওয়ার পরিকাঠামোয় ঘাটতি আছে। তবে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছে এসএসকেএম।হাসপাতালে সুস্থ হতে গিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে আরও অসুস্থ হওয়া, নাকি প্রাণটাই খোয়ানো? এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ আশ্বাস দিলেও, রোগীরা কিন্তু প্রশ্ন তুলছেন ৷

First published: 09:21:15 PM Mar 04, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर