কলকাতা

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

বাতিল ট্রেন, SMS না পাওয়ার অভিযোগ ! বৃষ্টির মধ্যেই খোলা আকাশের নীচে যাত্রীরা   

বাতিল ট্রেন, SMS না পাওয়ার অভিযোগ ! বৃষ্টির মধ্যেই খোলা আকাশের নীচে যাত্রীরা   

অনেকে আবার কনফার্ম টিকিট হাতে পেয়ে স্টেশনে এসে জানতে পেরেছেন ট্রেন বাতিল। বাতিল হয়েছে, এই এসএমএস পর্যন্ত পাননি। ফলে তারাও ভীষণ বিপাকে পড়েছেন।

  • Share this:

#কলকাতা: ট্রেন আগামিকাল। ট্রেন ধরতে আসতে হবে ফারাক্কা থেকে। তাই বৃহস্পতিবার রাত থেকেই হাওড়া স্টেশনে এসে বসে আছেন রেজাউল মন্ডল। রেজাউলের মতই আরও অনেকে যারা আসলে পরিযায়ী শ্রমিক তারা এভাবেই অপেক্ষা করছেন স্টেশনের বাইরে। অনেকে আবার কনফার্ম টিকিট হাতে পেয়ে স্টেশনে এসে জানতে পেরেছেন ট্রেন বাতিল। বাতিল হয়েছে, এই এসএমএস পর্যন্ত পাননি। ফলে তারাও ভীষণ বিপাকে পড়েছেন।

রাজ্যে পূর্ণ মাত্রায় লকডাউন চলছে। ফলে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার এই রাজ্য থেকে কোনও ট্রেন চলবে না আগেই জানিয়ে দিয়েছিল রেল। যদিও একাধিক যাত্রীদের অভিযোগ তাদের কোনও এসএমএস দেওয়া হয়নি। ফলে না জেনেই স্টেশনে এসে বিপাকে পড়ে গিয়েছেন যাত্রীরা। পরিযায়ী শ্রমিকদের অনেকেই রাজ্যে ফেরত আসার পরে তারা ফের ভিন রাজ্যে কাজের জন্যে ফিরে যাচ্ছেন। এখন ট্রেনের টিকিট কাটতে হয় আইআরসিটিসি অ্যাপ মারফত।

কাউন্টার থেকে টিকিট কাটা হচ্ছে না। সংরক্ষিত টিকিট না থাকলে ট্রেনে ওঠা যাবে না। ফলে যারা স্টেশনে এসে জানতে পারলেন তাদের ট্রেন বাতিল হয়েছে তারা চরম সমস্যায় পড়েছেন। ফারাক্কার বাসিন্দা জয় প্রকাশ ঠাকুর। সেকেন্দারাবাদে কাজ করতেন। লকডাউনের কারণে ফেরত চলে আসেন। আবার ফেরত যাচ্ছেন সেকেন্দরাবাদে। ফারাক্কা থেকে কাজে যোগ দেওয়ার জন্যে তিনি আসেন। হাওড়া স্টেশনে এসে জানতে পারেন ট্রেন বাতিল। ফলে হতাশ তিনি। জয় প্রকাশ ঠাকুর বলেন, "প্রথমত এমন পরিস্থিতিতে আমার আসার টাকা অনেকটাই খরচ হয়ে গেল। আমাকে স্টেশনে ঢুকতে দিচ্ছে না। বাড়ি ফেরার কোনও রাস্তা নেই। স্টেশনেও থাকতে দিচ্ছে না। খাবার, পানীয় জল কিছুই নেই। এবার আমি কি করব?"

একই রকম বক্তব্য মালদহের অসিত মালিকের। তিনি কাজের জন্যে যাবেন যোধপুর। তিনি নিজেও একজন পরিযায়ী শ্রমিক। অসিত বাবুর অভিযোগ, "৭০০০ টাকা খরচ করে হাওড়া স্টেশন এলাম। এখন শুনছি ট্রেন বাতিল। জল, খাবার আমার কিছুই নেই। এই ভাবে সারারাত কাটাতে হবে। কাল আবার বাড়ি ফিরতে হবে৷ যোধপুর যাওয়া হল না। আমাদের টাকা নষ্ট হল।" এরকমই বহু যাত্রীর অভিযোগ, তাদের কাছে ট্রেন বাতিলের এস এম এস আসেনি। আইআরসিটিসি'র গ্রুপ জেনারেল ম্যানেজার দেবাশীষ চন্দ্র জানিয়েছেন, "সকলের কাছেই এসএমএস যাওয়ার কথা। CRIS মারফত সফটওয়্যার নিয়ন্ত্রণ হয়। রেল ট্রেন বাতিল হলে অটোমেটিক এসএমএস পাঠিয়ে দেয়। কেন সেটা হয়নি তা দেখতে হবে। মানুষের অসুবিধার জন্য দুঃখিত।"

 তবে অন্য ছবিও দেখা গেল, শনিবারের ট্রেন রেজাউল মন্ডলের। মুর্শিদাবাদ থেকে তিনি আগেই চলে এসেছেন হাওড়া স্টেশনে। কারণ লকডাউনের জন্যে হাওড়া আসতে পারবেন না। তাই প্রবল অনিশ্চয়তা নিয়েই স্টেশনে এসে বসে আছেন পরিযায়ী শ্রমিক রেজাউল।

আবীর ঘোষাল

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: August 21, 2020, 9:34 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर