corona virus btn
corona virus btn
Loading

বাবুল সু্প্রিয়কে যাদবপুর থেকে বার করে আনেন জগদীপ ধনকড়, রাজ্যপালের সমালোচনায় তৃণমূল

বাবুল সু্প্রিয়কে যাদবপুর থেকে বার করে আনেন জগদীপ ধনকড়, রাজ্যপালের সমালোচনায় তৃণমূল
শনিবার সাংবাদিক বৈঠকে পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান, ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে ভেরিফিকেশন ৷ নথি যাচাইয়ের পরই ইন্টারভিউ রাউন্ড ৷

‘বিজেপিকে সাহায্য করতেই ক্যাম্পাসে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়’, রাজ্যপালের ভূমিকার তীব্র নিন্দা তৃণমূল মহাসচিবের ৷

  • Share this:

#কলকাতা: রাজ্যপাল সংবিধানের রক্ষাকর্তা। তারপরেও রাজ্য সরকারকে কিছু না জানিয়েই বিজেপি নেতাকে উদ্ধার করতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে গেলেন রাজ্যপাল! জগদীপ ধনকড়ের এমন পদক্ষেপে রাজ্যপালের সমালোচনায় তৃণমূল কংগ্রেস ৷ ‘বিজেপিকে সাহায্য করতেই ক্যাম্পাসে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়’, রাজ্যপালের ভূমিকার তীব্র নিন্দা তৃণমূল মহাসচিবের ৷

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে নিগ্রহের ঘটনা ঘিরে হুলুস্থুল। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালকে একাধিকবার ফোনে কথা বলতে হয়। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার ৬টা ২০ নাগাদ দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন করেন রাজ্যপাল। কিন্তু, ফোন বেজে যায়। মুখ্যমন্ত্রী তখন ধরতে পারেননি। এরপর, ৬টা তিরিশ নাগাদ মুখ্যমন্ত্রী পাল্টা ফোন করেন রাজ্যপালকে। তখন দু’জনের মধ্যে কথা হয়। রাজ্যপাল জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে ঘিরে যাদবপুরে কীভাবে বিক্ষোভ দেখানো হচ্ছে। বলেন, আপনি ক্যাম্পাসে পুলিশ ঢুকিয়ে ব্যবস্থা নিন।

এরপর ৬টা ৩৮ ও চল্লিশে ফের দু’জনের মধ্যে ফোনে কথা হয়। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যপালকে বলেন উপাচার্যের অনুমতি ছাড়া ক্যাম্পাসে পুলিশ ঢোকানো যায় না। তাছাড়া, পড়ুয়াদের বিক্ষোভ রুখতে পুলিশ এ ভাবে হস্তক্ষেপও করতে পারে না। মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যপালকে অনুরোধ করেন, ‘আপনি রাজভবনে থাকুন। আমি সমাধানের চেষ্টা করছি। ’কিন্তু, রাজ্যপাল রাজভবনে বসে থাকেননি। সন্ধে সাতটা নাগাদ তিনি পৌঁছে যান যাদবপুর ক্যাম্পাসে। তাঁর গাড়িতেই ক্যাম্পাস থেকে বের হন বাবুল সুপ্রিয়। এই ঘটনাতেই শুরু হয় বিতর্ক ৷

তৃণমূল মহাসচিব পার্ত চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘বিজেপির ছাত্র সংগঠনের অনুষ্ঠানে যাওয়া নিয়ে রাজ্য সরকারকে কিছুই জানাননি বাবুল সুপ্রিয়। ক্যাম্পাসে যা ঘটেছে তা দুর্ভাগ্যজনক। ক্যাম্পাসের বাইরে পুলিশ ছিল। রাজ্যপালকে ক্যাম্পাসে না যাওয়ার অনুরোধ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ শান্তিপূর্ণভাবে পরিস্থিতি সামলাতে রাজ্যপালের কাছে সময় চেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপরেও বিজেপিকে সাহায্য করতে ক্যাম্পাসে যান রাজ্যপাল। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বিবৃতিও দেন। কিন্তু, বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজেপি ও এবিভিপির গুন্ডামি নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি রাজ্যপাল। বিজেপির সঙ্গে বাম ছাত্র সংগঠনের গন্ডগোল হয়েছে। এর সঙ্গে টিএমসিপি, পুলিশের কোনও যোগ নেই। লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির মিছিল থেকে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার ঘটনা ফের একবার মনে পড়ে গেল ৷’

First published: September 19, 2019, 11:32 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर