Home /News /kolkata /
‘মমতার সুরে না গাইলে নিজেরাই বেসুরো হবেন’, 'বেসুরো'  তৃণমূল নেতাদের পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বার্তা

‘মমতার সুরে না গাইলে নিজেরাই বেসুরো হবেন’, 'বেসুরো'  তৃণমূল নেতাদের পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বার্তা

জনসভার মঞ্চ থেকে নাম না করে বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়কে চম্বলের ডাকাত বলে আক্রমণের পাশাপাশি বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণের সুর চড়িয়ে ফিরহাদ হাকিম সাফ জানান,'তৃণমূল কংগ্রেসে কোনও ধান্দাবাজের স্থান নাই।

  • Share this:

#বারুইপুর :  যারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুরে কথা বলবেন না তাঁরাই আগামী দিনে বেসুরো হবেন। বললেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। গত কয়েকদিন ধরে শাসক দলের প্রথম সারির একের পর এক নেতারা দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে যেভাবে বেসুরো হচ্ছেন তাতে যে রীতিমতো অস্বস্তিতে তৃণমূল কংগ্রেস তা বলার অপেক্ষা রাখে না। একে শুভেন্দু কাঁটা তার ওপর অনেক প্রভাবশালী নেতাদের প্রকাশ্যে দলের বিরুদ্ধে মুখ খোলায় কপালে চিন্তার ভাঁজ বাড়াচ্ছে শাসক দলের।

রবিবার বারুইপুরে এক জনসভায় রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বললেন, অনেকে রাজনীতি ধান্দার  জন্য করেন। যেখানেই ধান্দা সেই দলেই চলে যাবেন। ফিরহাদ হাকিমের এই মন্তব্য কী শুভেন্দু অধিকারী কে লক্ষ্য করে ? মন্ত্রী প্রসঙ্গটি এড়িয়ে গেলেও রাজনৈতিক মহল মনে করছে ফিরহাদ হাকিমের  নিশানায় শুভেন্দু অধিকারীই।

জনসভার মঞ্চ থেকে নাম না করে বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়কে  চম্বলের ডাকাত বলে আক্রমণের পাশাপাশি  বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণের  সুর চড়িয়ে ফিরহাদ হাকিম সাফ জানান,'তৃণমূল কংগ্রেসে কোনও ধান্দাবাজের স্থান নাই। আমরা সবাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৈনিক'।

তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় এদিন বারুইপুরের জনসভার পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, অতীন ঘোষ, সাধন পান্ডে কিম্বা অন্য কেউই বেসুরো কথা বলেননি। সংবাদমাধ্যমে বক্তব্যের অপব্যাখ্যা করা হচ্ছে। দলীয় নেতা মন্ত্রীদের পার্থবাবুর স্পষ্ট বার্তা, 'যারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুরে কথা বলবেন না তাঁরাই আগামী দিনে বেসুরো হয়ে পড়বেন'।

প্রসঙ্গত, শাসকদলের বেসুরো নেতাদের তালিকায় এই সংবাদ লেখা পর্যন্ত সর্বশেষ সংযোজন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অতীন ঘোষ। এক কর্মসূচি থেকে রাজীব-উবাচ, "স্তাবকতা করি না তাই আমার নম্বর কম।" রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়েের আরও কিছু বক্তব্যের  টার্গেট যে দলের কেউ কেউ তা স্পষ্ট।মঞ্চ অরাজনৈতিক। কিন্তু এড়ানো গেল না রাজনৈতিক ছোঁয়াচ।  রাজীবের এই মন্তব্য ঘিরেই সরগরম বাংলা।

বিরোধী শিবিরের বক্তব্য, এতো সবে শুরু, ধাপে ধাপে আরও অনেক কিছু দেখা বাকি। শুক্রবারই প্রথম দলের বিরুদ্ধে  নিউজ এইট্টিন বাংলায় ক্ষোভপ্রকাশ করেছিলেন কলকাতা পুরসভার প্রশাসক মণ্ডলীর সদস্য এবং বিদায়ী ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ ৷ স্পষ্ট জানিয়ে ছিলেন, 'রাজনৈতিক জীবনে বঞ্চিত হয়েছেন, কোণঠাসা করার চেষ্টা হয়েছে তাঁকে৷ তাই এখন হতাশা বাড়ছে৷ একই সঙ্গে ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোরকে নিয়ে ক্ষোভ জানানোর পাশাপাশি অতীন খোলাখুলিই বলেছিলেন , শুভেন্দু অধিকারীর মতো জননেতা দল ছাড়লে তৃণমূলের ক্ষতি হবে'।

VENKATESWAR LAHIRI

Published by:Elina Datta
First published:

Tags: TMC

পরবর্তী খবর