corona virus btn
corona virus btn
Loading

অগ্নিমূল্য পেঁয়াজ, ভিনরাজ্য থেকেও নেই আমদানি, রোজগার বন্ধ পোস্তার মজদুরদের

অগ্নিমূল্য পেঁয়াজ, ভিনরাজ্য থেকেও নেই আমদানি, রোজগার বন্ধ পোস্তার মজদুরদের
  • Share this:

Venkateswar Lahiri

#কলকাতা: মন ভালো নেই ওদের। রোজগারে পড়েছে টান। প্রতিদিন যেখানে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা রোজগার হত এখন ৫০ টাকা রোজগার করতে কালঘাম ছুটছে ওদের। দিন আনা দিন খাওয়া মানুষগুলো আজ এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের সামনে দাঁড়িয়ে। সৌজন্যে মহার্ঘ পেঁয়াজ।

চুড়ান্ত ব্যস্ততায় সুরেশ রামলালদের সকালটা শুরু হতো । কখন যে সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত হয়ে যেত টের পেত না ওরা। তবে শুধুমাত্র সুরেশ কিংবা রামলাল নন, ওদের মতো আরও অসংখ্য মুটে মজদুরের জীবন জীবিকা নির্ভর শহরের অন্যতম পেঁয়াজপট্টি হিসেবে খ্যাত পোস্তা বাজারের ওপর। কিন্তু এখন সেখানে শ্মশানের নিস্তব্ধতা।

সাধারণত ভিন রাজ্য থেকে ট্রাকে করে রোজ শহরের অন্যতম ব্যস্ত এই বাজারে পিঁয়াজ ভর্তি প্রায় চল্লিশটি ট্রাক এসে পৌঁছানো মাত্রই মাল বাহকদের কোলাহলে গমগম করত পোস্তা পিয়াজ পট্টি। পেটের জ্বালা ঘোচাতে ট্রাক থেকে পেঁয়াজের বস্তা সংগ্রহ করে ব্যবসায়ীদের গুদামে পৌঁছে দেওয়াই ছিল ওদের রোজনামচা। বিনিময়ে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মালবাহক হিসেবে মিলত পারিশ্রমিক ৷ কিন্তু গত কয়েকদিন যাবৎ চেনা ছবিটা আজ পুরোপুরি অচেনা হয়ে উঠেছে। পেঁয়াজের আড়ৎদারদের কাছে চল্লিশটির বদলে এখন কোনদিন দুটি ট্রাক বা তিনটি ট্রাক এসে পৌঁছাচ্ছে বাজারে । কোনও কোনও দিন তাও অনিশ্চিত। এতদিন রোজ প্রায় ২০ হাজার পেঁয়াজের বস্তা রোজ ওঠানামা করত মজুরেরা ৷ এখন দিনে ২০টি বস্তাও নামানোর সুযোগ মিলছে না ৷

জীবিকাতে টান পড়ায় সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন শয়ে শয়ে দিন মজুর মুটে মজদুরের দল। রুজি-রুটির টানে ভিন রাজ্য থেকে কলকাতায় আসা। কার্যত এখন বেকার জীবন অতিবাহিত করছেন ওরা দিন আনা দিন খাওয়া এই শ্রমিকদের পেঁয়াজের আমদানি কম হওয়ায় আচমকা তাদের জীবন অনিশ্চয়তার কালো মেঘ গ্রাস করেছে। দিনের শেষে অনেক সময়ই নিঃস্ব হাতে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে অনেককেই। প্রতিদিনের মতো কাজের রুটিন মেনে ওরা এসে ভিড় জমান পোস্তা বাজারে তবে কাজ না থাকায় দিনের পর দিন কর্মহীন দিবস হিসেবে  কাটিয়ে বাড়ি ফিরে যান। অপেক্ষায় থাকেন নতুন সকালের। নতুন দিনের।  যে দিন পেট ভরাবে।

First published: December 4, 2019, 10:17 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर