করোনা আতঙ্ক: থানায় অভিযোগ করতে গেলেও দিতে হবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার

করোনা আতঙ্ক: থানায় অভিযোগ করতে গেলেও দিতে হবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার

থানায় প্রবেশ করার আগে পুলিশই দেবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার

  • Share this:

#কলকাতা: এবার থেকে কলকাতার যে কোনও থানায় অভিযোগ করতে বা অন্য কাজে গেলে হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে ভাল করে হাত ধুয়ে তবেই ভিতরে ঢুকতে হবে। থানায় প্রবেশ করার আগে পুলিশই দেবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার। করোনা সতর্কতায় সোমবার এমনই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে লালবাজারের তরফে।

যদিও ইতিমধ্যেই মাস্ক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার বাজারে প্রায় নেই বললেই চলে। তার মধ্যেই থানাগুলিকে 'জোগাড়' করে নিতে বলা হয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজার।

সোমবার লালবাজারে কলকাতার সমস্ত ডিসি এবং পদস্থ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা। সূত্রের খবর, সেই বৈঠকেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আরও বলা হয়েছে, এখন থেকে কলকাতা পুলিশের সমস্ত স্তরের অফিসারদেরও ব্যবহার করতে হবে মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার। প্রত্যেক থানা এবং ডিসি অফিসে রাখতে হবে স্যানিটাইজার। মাস্ক বাজারে অমিল থাকলেও তা 'জোগাড়' করার জন্য প্রয়োজনে প্রস্তুতকারী সংস্থার সঙ্গে কথা বলতে বলা হয়েছে। মাস্ক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার কেনার জন্য যা খরচ পড়বে তা বহন করবে লালবাজার।

বৈঠকে উপস্থিত এক ডিসি বলেন, ' করোনা নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে মানুষকে সচেতন করার কথা আগেই বলেছিলেন সিপি সাহেব। পুলিশের পরিবারও যাতে সব ধরনের সচেতনতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাও জানিয়েছিলেন। এবার জরুরি বৈঠক করে সাফ জানিয়ে দিলেন, প্রত্যেক পুলিশকর্মীকে মাস্ক পরে ডিউটি করতে হবে এবং থানা-সহ পুলিশের সমস্ত অফিসে রাখতে হবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং প্রত্যেককে তা ব্যবহার করতে হবে।'

সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে পুলিশ কমিশনার জোর দিয়ে বলেছেন কোথাও মাস্ক বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার নিয়ে কালোবাজারি যাতে না হয় সেদিকে কড়া নজর রাখতে হবে। কোনও অসাধু ব্যবসায়ী যদি এরকম চেষ্টা করে তাহলে তার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রসঙ্গত কলকাতা পুলিশের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ গত কয়েকদিন ধরেই কালোবাজারি রুখতে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে। এবার থানাগুলিও যাতে যৌথভাবে নজর রাখে সেই সংক্রান্ত নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

পুলিশ কমিশনার নির্দেশ দেওয়ার পরই থানাগুলি মানুষকে সচেতন করার কাজে নেমে পড়েছে। প্রত্যেক থানা এলাকায় যেসব বাজার, শপিং মল, মাল্টিপ্লেক্স, মেট্রো স্টেশন রয়েছে সেখানে গিয়ে নিয়মিত লিফলেট বিলি করা হচ্ছে। সেখানে যাতায়াত করা মানুষদেরও সচেতন করার পাঠ দিচ্ছেন তারা।

তবে সাধারণ মানুষের অভিযোগ, পুলিশি নজরদারি থাকতেও বাজারে মিলছে না মাস্ক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার। ব্যবসায়ীদের একাংশ কালোবাজারি করছে বলেও অভিযোগ। তাই করোনাভাইরাস ঠেকাতে প্রয়োজনীয় মাস্ক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার কোথায় মিলবে তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

SUJOY PAL

First published: March 17, 2020, 8:23 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर