বঙ্গের রাজনৈতিক পরিবেশে আতঙ্কিত রাজ্যপাল, ফের সুর চড়ালেন রাজ্যের বিরুদ্ধে

" সবকিছুতেই অসম্মতি জানান কিংবা ভারতের সংবিধানে যে গণতান্ত্রিক সমন্বয়ের কথা বলা হয়েছে তার বিপরীতে যাওয়া ঠিক নয়। অনেক ভেবে চিন্তেই পরাক্রম দিবসের নাম দেওয়া হয়েছে।" বলেন জগদীপ ধনখড়।

" সবকিছুতেই অসম্মতি জানান কিংবা ভারতের সংবিধানে যে গণতান্ত্রিক সমন্বয়ের কথা বলা হয়েছে তার বিপরীতে যাওয়া ঠিক নয়। অনেক ভেবে চিন্তেই পরাক্রম দিবসের নাম দেওয়া হয়েছে।" বলেন জগদীপ ধনখড়।

  • Share this:

#কলকাতা: শনিবার রাজ্যের বিরুদ্ধে ফের সুর চড়ালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখর। রাজ্যের নির্বাচনে হিংসা হয় বলে এদিন আবারও সরব হন  রাজ্যপাল।এদিন রাজভবনে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর একটি পোর্ট্রেটের উদ্বোধন করেন রাজ্যপাল। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন " আমি খুব আতঙ্কিত রাজ্যে যেভাবে গণতন্ত্র নষ্ট হয়েছে। আমরা যদি এইভাবেই চুপ করে থাকি তাহলে আমাদের চুপ করেই থাকতে হবে।" পরে অবশ্য নির্বাচনের হিংসা নিয়ে সরব হন রাজ্যপাল। তিনি বলেন "রাজ্যের ভোটের হিংসা হয়। রিগিং হয়। মানুষের মনে এখনও ২০১৮ পঞ্চায়েত ভোটের হিংসার ছবি টাটকা। ২০২১ এ নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করতে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

এদিন বহিরাগত বিতর্ক নিয়ে সরব হন রাজ্যপাল।তিনি বলেন "যারা বহিরাগত নিয়ে কথা বলেন তারা জানেন না নেতাজি কে। আমার বিশ্বাস তারা এগুলোর পরিবর্তন করবেন।" নেতাজির জন্ম জয়ন্তীতে একদিকে যখন কেন্দ্রীয় সরকার পরাক্রম দিবস হিসেবে পালন করছে তেমনি অন্যদিকে রাজ্য সরকার দেশনায়ক দিবস হিসেবে পালন করছে। তা নিয়ে কিছুটা হলেও  কটাক্ষ রাজ্যপালের মুখে। এ প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন " সবকিছুতেই অসম্মতি জানান কিংবা ভারতের সংবিধানে যে গণতান্ত্রিক সমন্বয়ের কথা বলা হয়েছে তার বিপরীতে যাওয়া ঠিক নয়। অনেক ভেবে চিন্তেই পরাক্রম দিবসের নাম দেওয়া হয়েছে।"

একাধিকবার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখর সরকারি আধিকারিকদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কাজে লাগানো হচ্ছে বলে সরব হয়েছিলেন। এদিনও ফের সরব হন রাজ্যপাল একই ইস্যুতে। তিনি বলেন "সরকারি কর্মীদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে যেন কাজে না লাগায় রাজ্য সরকার। রাজনীতি করলে আগুন নিয়ে খেলা হবে।"এদিনের রাজভবনের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আমন্ত্রণ জানান রাজ্যপাল। যদিও এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না মুখ্যমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে রাজ্যপাল  বলেন "কোনও খবর দেননি। তবে মুখ্যমন্ত্রী হয়তো ব্যস্ত।তাই আজ আসতে পারিনি। এর অন্যরকম মানে খুঁজবেন না।" অন্যদিকে বিএসএফ নিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায় মন্তব্যেরও কড়া মন্তব্য করেন রাজ্যপাল। তিনি বলেন "কারও উপর দোষ চাপিয়ে দেওয়ার প্রবৃত্তি ছাড়া উচিত।"

সোমরাজ বন্দ্যোপাধ্যায়
Published by:Pooja Basu
First published: