সিঁথি থানায় প্রৌঢ়ের মৃত্যুতে SI-সহ ৩ পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে মামলা রুজু

সিঁথি থানায় প্রৌঢ়ের মৃত্যুতে SI-সহ ৩ পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে মামলা রুজু

বৃদ্ধের মৃত্যুতে এসআই অরিন্দম দাস-সহ তিন পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুনের ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।

  • Share this:

#কলকাতা: থানায় জেরা চলাকালীন প্রৌঢ়ের মৃত্যু। আর তার জেরেই রণক্ষেত্রের চেহারা নিল সিঁথি। সোমবার রাতের এই ঘটনা নিয়ে তারপরই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে স্থানীয় তৃণমূল-বিজেপি নেতৃত্ব। স্থানীয়দের অভিযোগ, জিজ্ঞাসাবাদের সময় থানার এসআই-এর ‘চড়ে’ মৃত্যু হয় রাজকুমার সাউ নামে এক বৃদ্ধের। বৃদ্ধের মৃত্যুতে SI সৌমেন্দ্রনাথ দাস, SI অরিন্দম দাস এবং SI চিন্ময় মহান্তির বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুনের ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। অভিযুক্তদের মিথ্যা স্বীকারোক্তি আদায়ে ‘চাপ’, জোর করে আটকে রাখার অভিযোগ জানিয়েছেন মৃতের আত্মীয়েরা। এরপরই অভিযুক্ত তিন SI-কে ক্লোজ করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে।

রাতের পর মঙ্গলবার সকাল থেকে ফের দফায় দফায় বাগবাজার চত্বরে সংঘর্ষ শুরু হয়। সোমবারের ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপি এদিন সিঁথি থানা ঘেরাওয়ের ডাক দেয়। কিন্তু তাতে পুলিশ ছাড়পত্র না দেওয়ায় বিজেপি সমর্থকেরা জমায়েত করেন বাগবাজারে। এরপর পুলিশ এসে অবস্থান তুলতে গেলে শুরু হয় বিজেপি-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধ। ইতিমধ্যেই বিক্ষোভকারীদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, শতাধিক বিক্ষোভকারীকে ভ্যানে তুলে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, পাইকপাড়া এলাকায় একটি আবাসন থেকে কল ও কলের পাইপ চুরির অভিযোগ ঘিরেই ঘটনার সূত্রপাত। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে রাজকুমারের সাউয়ের নাম উঠে আসে। এরপর দুপুর ১২টা নাগাদ চিৎপুরের বাড়িতে যায় পুলিশ। মধ্যাহ্নভোজনের আগেই রাজকুমারকে সিঁথি থানায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের পরে মৃত্যু হয় তাঁর। এরপরই পর তৃণমূল ও বিজেপি দু’পক্ষই পরস্পরকে দোষারোপে নেমে পড়ে। সিঁথি থানার সামনেই তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে খণ্ডযুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। ভাঙচুর করা হয় বেশ কয়েকটি গাড়িও। বিজেপির অভিযোগ, লাঠি রড দিয়ে বিজেপি নেতা ও কর্মীদের মারধর করা হয়েছে। অন্যদিকে, তৃণমূলের তরফ থেকে অভিযোগ উড়িয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে মারধরের দাবি করা হয়েছে।

First published: February 11, 2020, 5:05 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर