গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা বাবা-মার, ছেলের দাবি আর্থিক অনটনেই এই পদক্ষেপ !

আর্থিক অনটনের কারণে অবসাদে ভুগছিলেন নরেন্দ্রপুরের মজুমদার দম্পতি। সেকারণেই গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বাবা-মা।

Akash Misra | News18 Bangla
Updated:Sep 03, 2017 07:21 PM IST
গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা বাবা-মার, ছেলের দাবি আর্থিক অনটনেই এই পদক্ষেপ !
Representative image
Akash Misra | News18 Bangla
Updated:Sep 03, 2017 07:21 PM IST

#কলকাতা: আর্থিক অনটনের কারণে অবসাদে ভুগছিলেন নরেন্দ্রপুরের মজুমদার দম্পতি। সেকারণেই গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বাবা-মা। হাওড়া পুলিশের কাছে দাবি ছেলের। তাহলে কি বাড়ি থেকেই দম্পতির ওপর কোনও চাপ ছিল? উঠছে প্রশ্ন। স্বামীর মারা যাওয়ার পর, এখন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন জ্যোৎস্না মজুমদার।

দু'হাজার সালে অসুস্থতার কারণে কাজ ছেড়ে দেন জেসপের ইনজিনিয়র। নাতির পড়াশোনার সুবিধার জন্য তেঘরিয়ায় নিজের বাড়ি ছেড়ে, সপরিবারে নরেন্দ্রপুরে আসেন পীযূষ মজুমদার। কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বেকার পৃথ্বীশ মজুমদারও। তাই সংসারের বেশিরভাগটাই টানতে হত চাকরিজীবী বৌমাকে। এই নিয়েই মজুমদার পরিবারের অশান্তি লেগে থাকত। সে কারণেই বাবা-মা গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলে মনে করছেন মৃতের ছেলে।

গিরিশ পার্কে আত্মীয়ের বাড়ি যাবেন। এইবলে শনিবার দুপুরে নরেন্দ্রপুরের ফ্ল্যাট থেকে বেরিয়েছিলেন মজুমদার দম্পতি। কিন্তু সেদিন আর বাড়ি ফেরা হয়নি। বাগবাজার থেকে লঞ্চে উঠে মাঝ গঙ্গায় ঝাঁপ দেন বৃদ্ধ দম্পতি। মৃত্যু হয় পীযূষবাবুর। সংবাদমাধ্যমে দেখে তাঁদের বাড়িতে খবর দেন আত্মীয়রা। কিন্তু ততক্ষণ কেন খোঁজ নেওয়া হয়নি বাড়ি থেকে? তাহলে কি বাড়ি থেকেই বৃদ্ধ দম্পতির ওপর চাপ তৈরি করা হচ্ছিল? সেবিষয়ে অবশ্য মুখ খুলতে চাননি মৃতের পরিবারের লোকজন।

এদিন বাবার দেহ শনাক্ত করতে যান ছেলে। হাওড়া হাসপাতালে মা জ্যোৎস্না মজুমদারের সঙ্গেও দেখা করেন। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও অভিযোগ জমা না পড়ায়, অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা করেছে হাওড়া থানা। জোৎস্না মজুমদার কিছু জানাতে পারলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে পুলিশ।

First published: 07:21:05 PM Sep 03, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर