রাজ্যে বিজেপির শক্তি বৃ্দ্ধি, এবার ‘নবান্ন চলো’ ডাক বামেদের

রাজ্যে বিজেপির শক্তি বৃ্দ্ধি, এবার ‘নবান্ন চলো’ ডাক বামেদের

নিজেদের রণকৌশলেই ফাঁপরে পড়েছে সিপিআইএম। উলটে শক্তি বাড়ছে বিজেপির।

  • Share this:

#কলকাতা: নিজেদের রণকৌশলেই ফাঁপরে পড়েছে সিপিআইএম। উলটে শক্তি বাড়ছে বিজেপির। সিপিআইএম রাজ্য কমিটির এক সদস্যের অভিযোগ, দলকে মেদহীন করতে রাজ্য নেতৃত্ব নিষ্ক্রিয়দের ছেঁটে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। বাদ হয়ে যাওয়ার পর তাঁরাই ভিড়ছেন বিজেপিতে। যদিও বিজেপির অক্সিজেন বৃদ্ধিতে দায়ী যে দলীয় নীতিই, তা মানতে অবশ্য নারাজ সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র। তাঁর দাবি, বিজেপির শক্তি বাড়াছে তৃণমূলই। রাজনৈতিক মহলের মতে, রক্তক্ষরণ অব্যাহত থাকলেও ভাঙব তবু মচকাব না নীতি নিয়েছে আলিমুদ্দিন স্ট্রিট।

সংগঠন চাঙ্গা করতে নয়া রণকৌশল নিয়েছিল সিপিআইএম। নিষ্ক্রিয়দের সরিয়ে দলকে মেদহীন করাই ছিল প্রধান লক্ষ্য। কিন্তু এতে নিজেদের বিপদ নিজেরাই ডেকে এনেছে সিপিআইএম। এমনটাই অভিযোগ দলের রাজ্য কমিটির এক সদস্যের। বুধ ও বৃহস্পতিবার সিপিএম রাজ্য কমিটির বৈঠকে বিজেপির শক্তি বৃদ্ধিপ্রসঙ্গে বলতে গিয়ে জলপাইগুড়ির ওই নেতা কার্যত আলিমুদ্দিন স্ট্রিটকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন। তাঁর দাবি, পুনর্নবীকরণের সময়েও কুড়ি শতাংশ লোক বাদ পড়েন।

লাল শিবিরের সেই নিষ্ক্রিয়রাই গিয়ে যোগ দিচ্ছেন গেরুয়া শিবিরে। তাই বিজেপির শক্তি বৃদ্ধিতে আলিমুদ্দিনকেই দায় নিতে হবে। যদিও দলীয় এই নীতিই যে বিজেপিতে অক্সিজেন যোগাচ্ছে তা অবশ্য মানছেন না রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র। তাঁর দাবি, সিপিআইএম নয়, বিজেপির শক্তি বাড়াচ্ছে তৃণমূলই।

দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যে শক্তিবৃদ্ধি করছে বিজেপি। কাঁথির নির্বাচনে বামেদের পিছনে ফেলে দ্বিতীয় সারিতে ফুটেছে পদ্ম। বিজেপির এই শক্তি বাড়ানোয় সিপিআইএম বরাবরই শাসকদল তৃণমূলকেই দায়ী করেছে। কিন্তু দলের তরফ থেকেই এমন একটি অভিযোগ আসায় কার্যত অস্বস্তিতে আলিমুদ্দিন স্ট্রিট। রাজ্য কমিটির বৈঠকে বিজেপির শক্তি বৃদ্ধিেত নীচুতলার তৎপরতার কথা রাজ্য সম্পাদক স্বীকার করলেও প্রকাশ্যে সেই কথা মানতে চাইছেন না তিনি। একধাপ এগিয়ে ২২ মে নবান্ন অভিযানকে সামনে রেখেই দলকে চাঙ্গা করার চেষ্টা করছেন রাজ্য সম্পাদক।

First published: 11:26:19 AM Apr 28, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर