• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • UGC-এর নয়া সংশোধনে PHD করার জটিলতা কাটল

UGC-এর নয়া সংশোধনে PHD করার জটিলতা কাটল

পিএইচডি করানোর ক্ষমতা ফের কলেজের অধ্যাপকদের হাতে তুলে দিচ্ছে ইউজিসি। ফলে, এবার থেকে রিসার্চ সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করতে পারবেন কলেজের পূর্ণ সময়ের অধ্যাপক-অধ্যাপিকারাও।

পিএইচডি করানোর ক্ষমতা ফের কলেজের অধ্যাপকদের হাতে তুলে দিচ্ছে ইউজিসি। ফলে, এবার থেকে রিসার্চ সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করতে পারবেন কলেজের পূর্ণ সময়ের অধ্যাপক-অধ্যাপিকারাও।

পিএইচডি করানোর ক্ষমতা ফের কলেজের অধ্যাপকদের হাতে তুলে দিচ্ছে ইউজিসি। ফলে, এবার থেকে রিসার্চ সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করতে পারবেন কলেজের পূর্ণ সময়ের অধ্যাপক-অধ্যাপিকারাও।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা: পিএইচডি করানোর ক্ষমতা ফের কলেজের অধ্যাপকদের হাতে তুলে দিচ্ছে ইউজিসি। ফলে, এবার থেকে রিসার্চ সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করতে পারবেন কলেজের পূর্ণ সময়ের অধ্যাপক-অধ্যাপিকারাও। এর জন্য অবশ্য নূন্যতম একটু যোগ্যতামানও রেখেছে UGC ৷

    PHD করানোর জন্য অধ্যাপকদের অন্তত পাঁচটি গবেষণাপত্র থাকতে হবে। ২০০৯ সালের আগেও কলেজগুলি পিএইচডি করানোর সুযোগ পেত। সেই আইন ফিরে আসায় ছাত্রছাত্রীদের কাছে গবেষণার সুযোগ আরও বাড়বে বলেই মনে করছে শিক্ষামহল।

    স্নাতকোত্তর স্তরে পড়াশোনার পর গবেষণার যোগ্যতা থাকলেও বঞ্চিত হতেন অনেকেই। কারণ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে রিসার্চ সুপারভাইজারের সংখ্যা কম হওয়ায় অনেক মেধাবী ছাত্রই সুযোগ পেতেন না পিএইচডি করার। সেই সমস্যা দূর করতে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের পথে হাঁটল ইউজিসি।

    কমিশনের নয়া নিয়মে, এবার থেকে রিসার্চ গাইড হিসেবে কাজ করতে পারবেন কলেজের পূর্ণ সময়ের অধ্যাপক ও অধ্যাপিকারাও। তবে, তাঁদের ওই নির্দিষ্ট বিষয়ে অন্তত ৫টি জার্নাল থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলিই স্থির করবে কোন কলেজের কোন অধ্যাপক রিসার্চ গাইড হিসেবে কাজ করতে পারবেন।

    ২০০৯ সালের আগে, এই ক্ষমতা কলেজের অধ্যাপক-অধ্যাপিকাদের হাতে ছিল। কিন্তু, ইউজিসি-র আইন সংশোধনের ফলে কলেজের অধ্যাপকরা ওই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে পড়েন। সেই ক্ষমতা ইউজিসি ফিরিয়ে দেওয়ায় খুশি শিক্ষামহল। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আশুতোষ ঘোষ প্রতিক্রিয়ায় জানান, ‘UGC-র নয়া সংশোধন নিয়ে আলোচনা করছি ৷ পড়ুয়াদের কাছে PHD-র সুযোগ কীভাবে বাড়বে? তা নিয়ে আলোচনা করছি আমরা ৷’

    কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮০টি বিষয়ে পিএইচডি করানো হয়। অনেকক্ষেত্রেই অধ্যাপকের সংখ্যা কম থাকায় পিআইচডি-র আসনও কম থাকে। এবার, সেই সমস্যা দূর হতে চলেছে। গবেষকের সংখ্যা বাড়লেও, মান বাড়বে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্নমহলে। তবে, তা একেবারেই উড়িয়ে দিচ্ছেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ৷

    কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার জন্য পিএইচডি আবশ্যিক। শিক্ষামহলের একাংশের মত, সেই মাপকাঠিকে ছুঁতেই ইউজিসি-র পুরনো ট্র্যাকে ফিরে আসা। একইসঙ্গে, পড়াশোনার মান ধরে রাখার বিষয়টিও তাঁদের নজরে।

    First published: