Home /News /kolkata /
ডাঁই করা করোনা বর্জ্য, দুর্গন্ধে টেকা দায়, প্রশ্নের মুখে সাগর দত্ত হাসপাতাল

ডাঁই করা করোনা বর্জ্য, দুর্গন্ধে টেকা দায়, প্রশ্নের মুখে সাগর দত্ত হাসপাতাল

সাগর দত্ত হাসপাতালের এই ছবিটাই ভয় দেখাচ্ছে।

সাগর দত্ত হাসপাতালের এই ছবিটাই ভয় দেখাচ্ছে।

গোটা ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে এই হাসপাতালটি কোভিড রোগীদের ভরসা। কিন্তু হাসপাতালের পরিবেশ নিয়ে ভ্রুক্ষেপই নেই কর্তৃপক্ষের।

  • Share this:

#কলকাতা: আবার প্রশ্নের মুখেসাগর দত্ত হাসপাতাল। হাসপাতাল চত্বরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে কভিডে ব্যবহৃত বর্জ্য। এমনকি খোলা জায়গায় রাস্তার পাশে পড়ে রয়েছে  অস্ত্রোপচারের পরের পরিত্যক্ত সরঞ্জাম, ব্যবহৃত পিপিই কিট থেকে আরম্ভ করে রক্তমাখা তুলো-ব্যান্ডেজ।সেই তুলো ব্যান্ডেজে মাছি,পোকা ভন ভন করছে। সংক্রমণ ছড়ানোর জন্য একেবারে আদর্শ ব্যবস্থা। হাসপাতাল চত্বরে রোগী, রোগীর আত্মীয়, হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মীরা, সবাই যাতায়াত করছে এর মধ্যে দিয়েই।

গোটা ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে এই হাসপাতালটি কোভিড  রোগীদের ভরসা। কিন্তু হাসপাতালের পরিবেশ নিয়ে ভ্রুক্ষেপই নেই কর্তৃপক্ষের। হাসপাতাল চত্বরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে কোভিডে ব্যবহৃত বর্জ্য।

হাসপাতাল সংলগ্ন রিক্সাস্ট্যান্ডের এক রিক্সাওয়ালার বক্তব্য, ' ওখানে ওই সব দিনের পর দিন পড়ে আছে।কেউ পরিষ্কার করে না।' হাসপাতালের তিন নম্বর গেটের সামনে একই অবস্থা দেখা গেল। ডাঁই করে রাখা রয়েছে কোভিডের  আবর্জনা। তার পাশ দিয়েই হাঁটছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা ও সাধারণ রোগীর বাড়ির লোকেরা।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বলছেন,  ওখানে ওই বর্জ্য দিনের পর দিন পড়ে থাকে। কেউ পরিষ্কার করে না। ভুগতে হয় আশেপাশের মানুষকে। দুর্গন্ধ বের হয়। কোনও হোলদোল নেই কারও।

এই বিষয় নিয়ে সাগর দত্ত হাসপাতালের অধ্যক্ষ্য হাসি দাশগুপ্তর সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, 'যে সংস্থার এই বর্জ্য প্রতিদিন নিয়ে যাওয়ার কথা,তারা কম নিয়ে যাচ্ছে।যার ফলে ডাঁই হয়ে থাকছে,সমস্ত আবর্জনা।' তিনি এও বলেন, 'এর থেকে সংক্রমনের সম্ভাবনা রয়েছে,বিষয়টি মাথায় রেখেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে সমস্ত ঘটনা জানানো হয়েছে।'

রোগীর এক আত্মীয় অমিত চক্রবর্তী বলেন, ' হাসপাতাল চত্বরে যে ভাবে দিনের পর দিন আবর্জনা পড়ে থাকে। সেগুলো,কুকুরে টানছে,তার ওপর মাছি বসছে,সংক্রমনের সম্ভাবনা প্রবল রয়েছে। বায়োওয়েস্ট যে পদ্ধতিতে নেওয়ার কথা,বা ফেলার কথা,সেটা ঠিক করে ফেলা হচ্ছে না।এটা কতৃপক্ষের অবহেলা বলে মনে করছে সবাই। '

প্রসঙ্গত এই হাসপাতালে ডাক্তারিও পড়ানো হয়। ওই মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের চারপাশে ঘুরলে দেখা যাচ্ছে, ডাক্তারদের গাড়ির ড্রাইভার থেকে আরম্ভ করে হাসপাতালের কর্মীরা সবাই, নিজেকে আড়াল রেখে বিষয়টির নিন্দা করছেন।

Published by:Arka Deb
First published:

Tags: Coronavirus

পরবর্তী খবর