রবীন্দ্রভারতীর অধ্যাপিকাকে জাতিবিদ্বেষ মূলক হেনস্থার অভিযোগ প্রমাণিত হল রিপোর্টে

রবীন্দ্রভারতীর অধ্যাপিকাকে জাতিবিদ্বেষ মূলক হেনস্থার অভিযোগ প্রমাণিত হল রিপোর্টে

গত জুন মাসে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় এর এক আদিবাসী অধ্যাপিকা কে জাতি বিদ্বেষ মূলক মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছিল।

  • Share this:

SOMRAJ BANDOPADHYAY #কলকাতা: ৬ মাস বাদে অবশেষে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় এর এক অধ্যাপিকাকে জাতি বিদ্বেষ মূলক মন্তব্যের অভিযোগের রিপোর্ট জমা পরল। রিপোর্টে হেনস্থার অভিযোগ প্রমাণিত হলেও ভিডিও ফুটেজের অভাবে জাতিবিদ্বেষ মূলক মন্তব্য করা হয়েছিল নাকি তার কোনও প্রমাণ পাওয়া গেল না। শুক্রবার কর্মসমিতির বৈঠকে ওই অধ্যাপিকার কাছে ছাত্রদের দুঃখ প্রকাশ করার কথা বলা হয়েছে।

গত জুন মাসে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক আদিবাসী অধ্যাপিকাকে জাতিবিদ্বেষ মূলক কথা বলে হেনস্থা করার অভিযোগ উঠেছিল। সেই তদন্ত রিপোর্ট শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মসমিতির বৈঠকে পেশ হল। রিপোর্টে উল্লেখ করা হলো ওই দিন ৫ ঘন্টা ধরে অধ্যাপিকাকে হেনস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু জাতিবিদ্বেষ মূলক কোনও মন্তব্য করা হয়েছিল নাকি তা নিয়ে অবশ্য রিপোর্টে কোনও উল্লেখ নেই। সে ক্ষেত্রে অবশ্য ওই ঘটনার ভিডিও ফুটেজ না মেলায় প্রমাণ হয়নি যে তাঁকে জাতিবিদ্বেষ মূলক মন্তব্য করা হয়েছিল, যা রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। মূলত এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়েরই শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের ওপর অভিযোগ উঠেছিল। শুধু তাই নয়, এই ঘটনার জেরে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক অধ্যাপক পদত্যাগপত্র দিয়েছিল উপাচার্যের কাছে। শেষমেষ পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাওয়ায় শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় গিয়েছিলেন। ওই অধ্যাপিকাকে না পেলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অধ্যাপকদের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। শুধু তাই নয় অধ্যাপকরা যাতে তাঁদের ইস্তফাপত্র ফিরিয়ে নেন সে বিষয়েও অনুরোধ রাখেন শিক্ষা মন্ত্রী। বিশ্ববিদ্যালয়ে বসেই প্রয়োজনীয় তদন্তের আশ্বাস দেন। শেষমেষ উপাচার্য সব্যসাচী বসু রায়চৌধুরী একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেন।

এ প্রসঙ্গে রবীন্দ্রভারতীর উপাচার্য সব্যসাচী বসু রায়চৌধুরি জানিয়েছেন "শিক্ষিকা হেনস্থার ঘটনা অভিপ্রেত নয়। অভিযুক্ত পড়ুয়ারা শিক্ষিকার কাছে যাতে ক্ষমা চায় সে বিষয়ে কমিটি সুপারিশ করেছে।" তবে কমিটির রিপোর্ট তাদের হাতে এলেই বিস্তারিত বলবেন বলেই ছাত্র সংসদের তরফে দাবি করা হয়েছে।

First published: January 4, 2020, 8:39 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर