• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • সকালের ময়দানে পশু-পাখির ভোজ

সকালের ময়দানে পশু-পাখির ভোজ


পাখির আওয়াজ শুনে চিনতে পারেন? সত্তোবোর্দ্ধ বৃদ্ধ চিনতে পারুন আর নাই পারুন। ময়দানের পক্ষীকূল কিন্তু তাঁকে ভালই চেনে।

পাখির আওয়াজ শুনে চিনতে পারেন? সত্তোবোর্দ্ধ বৃদ্ধ চিনতে পারুন আর নাই পারুন। ময়দানের পক্ষীকূল কিন্তু তাঁকে ভালই চেনে।

পাখির আওয়াজ শুনে চিনতে পারেন? সত্তোবোর্দ্ধ বৃদ্ধ চিনতে পারুন আর নাই পারুন। ময়দানের পক্ষীকূল কিন্তু তাঁকে ভালই চেনে।

  • ETV
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা: তিনি বার্ড ওয়াচার নন। বার্ড লাভার। বলা ভাল পশু-পাখি প্রেমিক। মৌলালির বাসিন্দা নিতাইচন্দ্র দাস। তার হাত থেকেই ব্রেকফাস্ট খেয়ে দিন শুরু করে ময়দানের পাখি, কাঠবিড়ালি ও কুকুররা। সেই উনিশশো আটষট্টি সাল থেকে। প্রথম দিকে দু'একদিন বাদ গেলেও। উনিশশো নব্বই থেকে চলছে একটানা। পাখির আওয়াজ শুনে চিনতে পারেন? সত্তোবোর্দ্ধ বৃদ্ধ চিনতে পারুন আর নাই পারুন। ময়দানের পক্ষীকূল কিন্তু তাঁকে ভালই চেনে। ময়দানের গেট দিয়ে ধূলো উড়িয়ে আসছে একটি নীল রং-এর অ্যাম্বাসেডর গাড়ি। আর তা দেখে গাছ থেকে নেমে আসছে পাখি, কাঠবিড়ালিরা। সকালের ময়দানে এটাই চেনা দৃশ্য। সেই উনিশশো আটষট্টি থেকে। প্রায় প্রতিদিনই একই চিত্র। অশক্ত শরীরে গাড়ি থেকে নামেন বৃদ্ধ। হাতে প্লাসিক। তাতে খাবার ভর্তি। পাখি আর কুকুরদের জন্য বিস্কুট। কাঠবিড়ালিদের জন্য রুটি আর পাউরুটি। সকলের জন্য ভিন্ন খাবার। রুচি মেনে। ইনি নিতাইচন্দ্র দাস। বাড়ি সিআইটি রোডে। কলকাতায় থাকলে সকালে ময়দানে আসা মাস্ট। শরীর খারাপের জন্য ক'দিন হল স্ত্রী আসছেন না। তবুও দৈনন্দিন রুটিন মেনে ময়দানে আসেন বৃদ্ধ। পাখি কাঠবিড়ালিদের না খাওয়ালে দিন ভাল যায় না। এমনটাই দাবি নিতাইচন্দ্র দাসের। সকলকে খাওয়ানোর পর, একটু ফ্রিহ্যান্ড। সামান্য হাঁটা। তারপর আবার গাড়ি হাঁকিয়ে বাড়ি ফেরা। এভাবেই সকাল শুরু হয় নিতাইবাবুর। সারাদিন তার রেশ থেকে যায়। ওদের ভালবাসাই যেন আজও বৃদ্ধের ভাল থাকার রসদ।

    First published: