গোপনাঙ্গে লুকিয়ে মাদক পাচার, অস্ত্রোপচারে মিলল টিস্যু পেপার

ধৃত নাইজেরিয় মহিলা ৷ নিজস্ব চিত্র ৷

গোপনাঙ্গে লুকিয়ে মাদক পাচার, অস্ত্রোপচারে মিলল টিস্যু পেপার

  • Share this:

    #কলকাতা: কখনও জুতোর সোল, কখনও পেট, কখনও বা পায়ুদ্বার। নানা ছল চাতুরির মাধ্যমে শরীরের ভিতর মাদক ঢুকিয়ে পাচার করে ড্রাগ পেডলাররা। পুলিশের চোখে ধুলো দিতে, জড়ায়ু বা যৌনাঙ্গে ঢুকিয়েও মাদক পাচার চলছে। কীভাবে জড়ায়ুতে মাদক রাখা হয়? নিউজ এইটিন বাংলার এক্সক্লুসিভ রিপোর্ট।

    শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কীভাবে মাদক পুরে পাচার করতে হবে, তার জন্য রীতিমতো প্রশিক্ষণ চলে। আর এক্ষেত্রে মহিলাদেরই বাছা হয়। পেট, পায়ুদ্বার ছাড়াও জড়ায়ু বা যৌনাঙ্গেও মাদক লুকিয়ে রাখে মহিলা ড্রাগ পেডলাররা। আর এক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় টিস্যু পেপার, কন্ডোম।

    আজ সকালে গোপনাঙ্গে লুকিয়ে মাদক পাচার করতে গিয়ে কলকাতা বিমানবন্দরে গ্রেফতার হন এক নাইজেরিয় মহিলা। তিনি মুম্বই থেকে কলকাতায় ফিরছিলেন। মহিলার ব্যাগে মেলে ২০টি এলএসডি-র প্যাকেট। স্ক্যানারে পরীক্ষার পর মহিলার যৌনাঙ্গ, জরায়ু থেকে পাওয়া যায় মাদকের হদিশ।

    এরপর তাঁকে রাজারাহাটের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক পরীক্ষার পর চিকিৎসকরা জানান, মহিলার শরীরের বিভিন্ন অংশে লুকোন রয়েছে মাদক। অস্ত্রোপচার করে মাদক বের করা হবে। কিন্তু অস্ত্রোপচারের পর মিলল টিস্যু পেপার। নাইজেরিয় মহিলাকে হেফাজতে নিয়েছে এনসিবি।

    এক্ষেত্রেও, ধৃত নাইজেরিয় মহিলা যৌনাঙ্গের ভিতর মাদক পুরেছিল। তাহলে কেন মিলল না মাদক? চিকিৎসকদের মতে, মহিলারা যত সহজে শরীরের ভিতর মাদক ঢোকাতে পারে, তেমনই প্রয়োজন পড়লে তা বেরও করতে পারে।

    এনসিবি সূত্রে খবর, এভাবে মাদক পাচারে মহিলাদের শুধু ক্যারিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। টিস্যু পেপার বা কন্ডোমের ভিতর মাদক ভরার জন্য আলাদা লোক রয়েছে। তবে এই কাজে ঝুঁকিও রয়েছে।

    রিপোর্ট: অনুপ চক্রবর্তী ও সুশোভন ভট্টাচার্য

    First published: