Home /News /kolkata /
WB Post Poll Violence: জ্যোতিপ্রিয়-উদয়নরা 'কুখ্যাত দুষ্কৃতী', NHRC রিপোর্টে BJP-র অভিযোগের স্পষ্ট ছায়া

WB Post Poll Violence: জ্যোতিপ্রিয়-উদয়নরা 'কুখ্যাত দুষ্কৃতী', NHRC রিপোর্টে BJP-র অভিযোগের স্পষ্ট ছায়া

বিপুল বিতর্ক রিপোর্ট ঘিরে...

বিপুল বিতর্ক রিপোর্ট ঘিরে...

WB Post Poll Violence: এদিন জমা দেওয়া জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, বাংলায় আইন শাসন নয়, চলছে শাসকের আইন। তবে তৃণমূল নেতৃত্ব এই রিপোর্ট মানতে নারাজ।

  • Last Updated :
  • Share this:

#কলকাতা: রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসার প্রেক্ষিতে মারাত্মক রিপোর্ট জমা দিল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (NHRC)। কলকাতা হাই কোর্টে জমা দেওয়া ৫০ পাতার সেই রিপোর্টে রাজ্যের যে ‘কুখ্যাত দুষ্কৃতী’র তালিকা তৈরি করা হয়েছে, তাতে নাম রয়েছে রাজ্যের শাসকদলের একাধিক নেতা ও মন্ত্রীর। সেই তালিকায় নাম রয়েছে তৃণমূল বিধায়ক তথা মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick), পার্থ ভৌমিক (Partha Bhowmik), প্রাক্তন বিধায়ক উদয়ন গুহর (Udayan Guha) নাম। শুধু তাই নয়, এদিন জমা দেওয়া রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, বাংলায় আইন শাসন নয়, চলছে শাসকের আইন। যদিও গোটা ঘটনাকেই বিজেপির প্রতিহিংসা বলে আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

NHRC-র রিপোর্টে বলা হয়েছে, রাজ্যে আইন শাসন একেবারেই ভেঙে পড়েছে। ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় প্রায় ২০০০ রিপোর্ট জমা পড়েছে। সেইসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে সিবিআই তদন্ত করা উচিৎ। রবীন্দ্রনাথের বাংলা রক্তাক্ত। এখনই তা রোখা না গেলে এই হিংসা অন্য রাজ্যেও ছড়িয়ে পড়বে। এমনকী সরকারি আধিকারিকদের শাসক দলের হয়ে কাজ করার অভিযোগও তোলা হয়েছে ওই রিপোর্টে।

এখানেই শেষ নয়, ওই রিপোর্টে হিংসার ঘটনায় একাধিক মহিলার নামও রয়েছে। সব মিলিয়ে ১০০ জনের বেশি নাম রয়েছে কমিশনের ‘কুখ্যাত দুষ্কৃতী’ বা ‘গুণ্ডা’র তালিকায়। মন্ত্রী- বিধায়ক ছাড়াও কাউন্সিলর-সহ ১০ জনের বেশি ওজনদার নেতার নাম রয়েছে। নাম রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী এজেন্ট শেখ সুফিয়ানের নাম, রয়েছে শওকত মোল্লার নামও।

তবে তৃণমূল নেতৃত্ব এই রিপোর্ট মানতে নারাজ। তাদের মতে, কমিশনের ওই রিপোর্টটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে ওই রিপোর্টের বিষয়ে বলেছেন, 'নিজেদের হার মেনে নিতে পারছে না বিজেপি। তাই নিজেদের কথা মতো এসব বলাচ্ছে। আদালতে জমা দেওয়া রিপোর্ট বাইরে এল কী করে? আসলে সবই বাংলাকে নিন্দা করার চক্রান্ত।'

যাঁদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছে কমিশন, তাঁদের অন্যতম জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, 'উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে আমাদের নাম দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক ভাবে মোকাবিলা করতে পারেনি বলে এই সব করা হচ্ছে। এর কোনও মূল্য নেই। আমার বিরুদ্ধে কোনও থানায় কোনও অভিযোগ নেই। ওরাই শুধু নিজেদের মতো পেলেন।' উদয়ন গুহর কটাক্ষ, 'জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের পক্ষপাতহীন অবস্থানের পরিচয় পাওয়া গেল।' যদিও বিজেপি ইতিমধ্যেই ওই রিপোর্ট নিয়ে আসরে নেমে পড়েছে। রাজ্যে আইনের শাসন নেই দাবি করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের পদত্যাগ দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তবে, এই রিপোর্ট পাওয়ার পর কলকাতা হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেটাই এখন দেখার।

Published by:Suman Biswas
First published: