• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • NEW FACTS CAME TO KNOW FROM LAST CALL OF VICTIM IN SONAGACHI CARETAKER MURDER CASE

সোনাগাছি কেয়ারটেকার খুন: মৃতার শেষ বার্তা থেকে মিলল সূত্র

সোনাগাছিতে খুনের পিছনে কি পাচারচক্র? নিখোঁজ দুই কিশোরীকে দিয়েই খুন করানো হয় তাদের পাহারার দায়িত্বে থাকা মহিলাকে।

সোনাগাছিতে খুনের পিছনে কি পাচারচক্র? নিখোঁজ দুই কিশোরীকে দিয়েই খুন করানো হয় তাদের পাহারার দায়িত্বে থাকা মহিলাকে।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা: সোনাগাছিতে খুনের পিছনে কি পাচারচক্র? নিখোঁজ দুই কিশোরীকে দিয়েই খুন করানো হয় তাদের পাহারার দায়িত্বে থাকা মহিলাকে। পারিপার্শ্বিক তথ্য প্রমাণ ও ঘটনা পরম্পরা বিচার করে এমনই সন্দেহ পুলিশের। মোবাইল ফোনের সূত্রে তদন্ত শুরু করেছেন গোয়েন্দারা।

    নীলমণি মিত্র স্ট্রিট, দুর্বার মহিলা সমন্বয় কমিটির অফিস। এইখানে কেয়ারটেকার ছিলেন কবিতা রায়। ময়না তদন্তের রিপোর্ট বলছে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয় তাঁকে ৷ পরে মৃত্যু নিশ্চিত করতে পরে শিলনোড়া দিয়ে মাথা ও মুখ থেঁতলে দেওয়া হয় । ঘটনাস্থলে মিলেছে রক্ত মাখা শিলনোড়া। আঘাতের পর, একতলার একটি অফিস থেকে ক্যাশবাক্স ভেঙে ৭৫০ টাকা ও দুটি মোবাইল নিয়ে চম্পট দেয় আততায়ী।

    প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের কাছে ৪টি বড়সড় সূত্র পেয়েছে পুলিশ। এই ঘটনায় কবিতা দেবী ফোন করেছিলেন মেন্টর ভারতী দে-কে। গত ১৯৯২ সাল থেকে কাজ করছিলেন কবিতা। বাইরে থেকে উদ্ধার করা মহিলাদের নিয়ে বাড়ি পৌঁছে দেওয়া অবধি দেখভাল তিনিই করতেন। কবিতার শেষ বার্তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।

    দুই কিশোরীর উধাও হওয়ায়, তাদের দিকেই সন্দেহ তীব্র হচ্ছে। তবে, বড়সড় পাচারচক্রের হাত থাকতে পারে বলেও মনে করছেন গোয়েন্দারা। ভারতী দেবীকে ফোনে মঙ্গলবার সকালে ফোনে জানান, এই মেয়ে দুটি থাকতে চাইছে না। তার থেকে কিছুটা নিশ্চিত হচ্ছেন, দুই কিশোরী এখান থেকে বেরোতে চাইছিল না। তারা কি সরাসরি খুনে জড়িত? সে ব্যাপারে তদন্তকারীরা খানিকটা নিশ্চিত।

    দুই কিশোরীকে উদ্ধার প্রেমচাঁদ বড়াল স্ট্রিট থেকে উদ্ধার করা হয় সোমবার। বনগাঁয় থাকে তাদের পরিবার। উদ্ধার হওয়া ওই দুই কিশোরীর পরিবারের সদস্যদের পাওয়া বয়ানে চাঞ্চল্যকর তথ্য, বনগাঁর গোপালগঞ্জের বাসিন্দা ওই দুই কিশোরী ওই এলাকার এক কলেজ ছাত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ হয়। তার মাধ্যমেই ফেসবুকে জম্মু-কাশ্মীরের ঠিকানে দেওয়া এক যুবকের সঙ্গে পরিচয় হয়। তার মধ্যে এই দুই কিশোরীর মধ্যে একজনের ভালোবাসাও হয়। সেই যুবকের কথা শুনেই তারা কলকাতায় আসে বলে পরিবারের দাবি। এই ঘটনার সঙ্গে কী যুবকের যোগাযোগ আছে? কারণ যেভাবে ঘটেছে, তাতে শুধু এই দুই কিশোরী শুধু জড়িত বলে মনে করা হচ্ছে না। অত্যন্ত সুকৌশলে করা হয়েছে।

    সিঁড়ির পাশে মিলেছে ১১টি ঘরের চাবির গোছা ৷ তিনতলায় কবিতাকে খুন করে চাবি হাতায় অপরাধীরা। তারপর শুধুমাত্র একতলার যে ঘরে ক্যাশ বাক্স থাকে সেই ঘরই খোলে অপরাধীরা। সেখান থেকে ৭৫০ টাকা ও ২টি মোবাইল লুঠ করে অপরাধীরা। দুর্বারের ওই অফিসের ভূগোল নিশ্চয় অপরাধীদের জানা।

    যে দুটি মোবাইল লুঠ হয়েছে তা ট্র্যাক করছেন গোয়েন্দারা। অপরাধীদের নাগাল পেতে জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে কবিতার অন্যান্য সহকর্মীদেরও।

    First published: