কিডনি পাচারচক্রে নয়া তথ্য

কিডনি পাচারচক্রে নয়া তথ্য

কিডনি পাচারের কিং পিন রাজকুমারের সঙ্গী দীপক কর নিয়ে নয়া তথ্য উঠে পুলিশের হাতে ৷ চক্রের মাথা কোয়েম্বাটোরে।

  • Share this:

#কলকাতা: কিডনি পাচারের কিং পিন রাজকুমারের সঙ্গী দীপক কর নিয়ে নয়া তথ্য উঠে পুলিশের হাতে ৷ চক্রের মাথা কোয়েম্বাটোরে। চক্রের চাঁই কলকাতায়। তাদের অধীন একঝাঁক এজেন্ট। কিডনির সমস্যায় আক্রান্ত রোগী ও আর্থিক সঙ্কটে থাকা পরিবারকে নিশানা করে এরা। আর্থিক লেনদেনের পর দ্রুত হয়ে যায় অস্ত্রোপচার। হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের একাংশও সন্দেহের ঘেরাটোপে।

হাসপাতাল, রোগী, দরিদ্র পরিবার ও চিকিৎসক। কিডনি চক্রের জাল ছুঁয়ে রয়েছে সবাইকে। দক্ষিণ ভারত থেকে কলকাঠি নাড়ত টি রাজকুমার। তার নির্দেশে কাজ করত কলকাতার চাঁই দীপক কর। কীভাবে কাজ করে এই পাচার চক্র। হাসপাতালে দালালের মতো কাজ করত দীপক ৷ টাকার বিনিময়ে রোগী দেখানোর ব্যবস্থা করে দিত ৷ কেউ ভর্তি বাতিল করলে দ্বিগুন টাকা চেয়ে চাপ দেওয়া হত সেই পরিবারকে ৷

কিডনির সমস্যায় কিডনির সমস্যায় রোগী বা তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় ৷ দ্রুত প্রতিস্থাপনের লক্ষ্যে চক্রের শরণ নেয় পরিবার ৷ রোগীর পরিবারের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি চূড়ান্ত হয় ৷

এরপর কিডনি দিতে ইচ্ছুক দরিদ্র মানুষ বা আর্থিক সঙ্কটে থাকা মানুষকে প্রলোভন দেওয়া হয় ৷ বিপুল টাকা পাইয়ে দেওয়ার টোপ দেয় চক্র ৷ হাসপাতালে ভর্তি করে কিডনি বের করে নেওয়া হয় ৷ কিডনি বের করা ও প্রতিস্থাপনের প্রক্রিয়া হয় হাসপাতালে ৷ রোগী ও দরিদ্র ব্যক্তির অস্ত্রোপচার করেন চিকিৎসকরা ৷

হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের একাংশের ভূমিকাও তাই সন্দেহের আওতায়। তাদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। রোগীর পরিবারের সঙ্গে কথা হওয়ার ২-৩ দিনের মধ্যে কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রক্রিয়া শেষ করে চক্র, যাতে জানাজানি হওয়ার সুযোগ না থাকে। লক্ষ লক্ষ টাকা লেনদেন হয় রোগী ও আর্থিক সঙ্কটে থাকা পরিবারের মধ্যে। এদের সঙ্গে যোগাযোগ ও আর্থিক লেনদেনের জন্য বিশ্বস্ত কর্মীদের কাজে লাগায় চক্রের পাণ্ডারা। পুরো প্রক্রিয়া আড়াল থেকে পরিচালনা করে চক্রের পাণ্ডারা।

দীপকের অধীনে প্রচুর এজেন্ট কাজ করত ৷ বিভিন্ন রাজ্যে কিডনি পাচারের জন্য রোগী সরবরাহ করা হত ৷ রোগীদের নাম রাজকুমারের কাছে পাঠাত দীপক  ৷ ২০১১-তে বাগুইআটি থানায় অভিযোগ দায়ের হয় ৷ কিন্তু থানা কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ ৷

First published: 09:55:31 AM Jun 09, 2016
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर