corona virus btn
corona virus btn
Loading

রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত চরমে, এবার আচার্যের ক্ষমতা কমাতে নয়া বিধি

রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত চরমে, এবার আচার্যের ক্ষমতা কমাতে নয়া বিধি
রাজ্য বিধানসভা

নয়া বিধিতে আচার্যের এক্তিয়ার নির্দিষ্ট করল রাজ্য

  • Share this:

#কলকাতা: রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত আরও চরমে ৷ এবার আচার্যের ক্ষমতা কমাতে নয়া বিধির নির্দেশিকা বিধানসভায় ৷‘পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ আইন’ -এর বিধি প্রণয়ন করল রাজ্য সরকার। যাতে আচার্য-রাজ্যপালের হাত-পা কার্যত বেঁধে দেওয়া হল। শিক্ষামন্ত্রী অবশ্য এই অভিযোগ মানতে নারাজ।

২০১৭ সালের শিক্ষা সংক্রান্ত বিল আচার্যের এক্তিয়ার বিস্তারিত ছিল না ৷ নয়া বিধিতে আচার্যের এক্তিয়ার নির্দিষ্ট করল রাজ্য ৷  বিশ্ববিদ্যালয়কে সরাসরি নির্দেশ দিতে পারবেন না আচার্য, শিক্ষা দফতরকে জানিয়ে যোগাযোগ করতে হবে আচার্যকে ৷ এর ফলে বর্তমানে রাজ্যপাল পদে থাকা জগদীপ ধনখড়ের ক্ষমতা আচার্য হিসেবে অনেকটাই কাঁটছাঁট হল বলে মত বিশেষজ্ঞদের ৷

রাজ্য সরকারের অভিযোগ, নিজের অক্তিয়ারের বাইরে গিয়ে অতিসক্রিয় রাজ্যপাল। যা জগদীপ ধনখড় মানতে নারাজ। এই আবহে এবার রাজ্যপালের ক্ষমতা খর্ব। পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ বিলটি ২০১৭ সালে বিধানসভায় পাস হয়। সেই আইনের এবার বিধি প্রণয়ন করল রাজ্য সরকার। গেজেট বিজ্ঞপ্তিতিতে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হলে আচার্যকে আগে উচ্চশিক্ষা দফতরকে জানাতে হবে। অর্থাৎ, রাজ্যপাল চাইলেই, উপাচার্যের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন না। আগে সরকারকে জানাতে হবে। বিধিতেও এও বলা হয়েছে, কোনও কমিটিতে আচার্যের মনোনীত সদস্য কে থাকবেন তা ঠিক করতে শিক্ষামন্ত্রী তিন জনের নাম পাঠাবেন। তার মধ্যে থেকেই রাজ্যপালকে একটি নাম বেছে নিতে হবে। মন্ত্রীর প্রস্তাবিত নামে আচার্যের আপত্তি থাকলে তাঁকে লিখিত ভাবে জানাতে হবে কেন আপত্তি।  প্রয়োজন মনে করলে মন্ত্রী তাঁর মতামত জানাবেন। আচার্যকে তখন মন্ত্রীর প্রস্তাবিত নামের মধ্যে থেকেই একজনকে বেছে নিতে হবে ৷

উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রেও রাজ্যপালের হাত পা বেঁধে দিল রাজ্য সরকার। বিধিতে বলা হয়েছে, উপাচার্য বাছাইয়ের সময় অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে যে নামের তালিকা পাঠানো হবে তা আচার্যকে মেনে চলতে হবে৷যদিও বিলের বিধি নিয়ে সমালোচনায় বিরোধীরা ৷ তাদের মতে, ‘নয়া বিধি এনে আচার্যের পায়ে বেড়ি পরানো হল’ ৷কখনও তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে উদ্ধারে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজির রাজ্যপাল, আবার সম্প্রতি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে সেনেট বৈঠক বাতিলের পরও আচমকাই সেখানে হাজির হন আচার্য জগদীপ ধনখড় ৷ বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য বা অন্যান্য আধিকারিকরা অনুপস্থিতি থাকায় ক্ষুব্ধ রাজ্যপালের আক্রমণের মুখে পড়েন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ৷ রাজ্যপালের কটাক্ষের মুখে পড়ে শিক্ষা দফতরও ৷

জগদীপ ধনখড় পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হয়ে আসার পর থেকে বার বার বিতর্কে জড়িয়েছেন। রাজ্য সরকারের সঙ্গে সংঘাতের পথে হাঁটছেন। শাসক শিবিরের অভিযোগ, লক্ষ্মণরেখা অতিক্রম করে সমান্তরাল প্রশাসন চালাচ্ছেন রাজ্যপাল। এই পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় আইনের নতুন বিধিকে হাতিয়ার করে আচার্য-রাজ্যপালের হাত-পা কার্যত বেঁধে দিচ্ছে রাজ্য সরকার।

First published: December 10, 2019, 7:47 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर