• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • নিট পরীক্ষার্থীর দেহ মিলল গঙ্গার ঘাটে! হতবাক পরিবার 

নিট পরীক্ষার্থীর দেহ মিলল গঙ্গার ঘাটে! হতবাক পরিবার 

পুলিশ বাবার চোখে সেই স্বপ্ন যে এত তাড়াতাড়ি দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে তা ভাবেননি এস সি মুখার্জি রোডের বাসিন্দারা।

পুলিশ বাবার চোখে সেই স্বপ্ন যে এত তাড়াতাড়ি দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে তা ভাবেননি এস সি মুখার্জি রোডের বাসিন্দারা।

পুলিশ বাবার চোখে সেই স্বপ্ন যে এত তাড়াতাড়ি দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে তা ভাবেননি এস সি মুখার্জি রোডের বাসিন্দারা।

  • Share this:

#কলকাতা: মন্ডল পরিবারে অনেক আশা ছিল ছেলে হবে চিকিৎসক, অসময়ে যে ছেলের মৃত্যু সংবাদ পাবে বাবা তা কোনভাবে বুঝে উঠতে পারেননি সুভাষ ও ঝর্ণা মন্ডল।  উচ্চ মাধ্যমিকে ভালো রেজাল্ট করে ছেলে চেয়েছিল চিকিৎসক হতে। বাবা-মায়ের স্বপ্ন ছিল ছেলে তাহলে অনেক নামি-দামি চিকিৎসক হবে। পুলিশ বাবার চোখে সেই স্বপ্ন যে এত তাড়াতাড়ি দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে তা ভাবেননি এস সি মুখার্জি রোডের বাসিন্দারা।

মঙ্গলবার রাত ৮টার সময় নিট পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড আনতে গিয়েছিল অভীক মন্ডল। দশ মিনিটের কথা বলে রাত ৯:৩০ চিন্তা বাড়ের বাবা সুভাষ মন্ডলের। বেশ কিছু পরিচিত দোকান ও খাবারের হোটেলে খোঁজ করে বাবা। রাত দশটার সময় কোন খবর না পেয়ে স্থানীয় উত্তরপাড়া থানায় দেওয়া হয়। রাত একটায় জিটি রোড সংলগ্ন বারো মন্দিরে মেলে অভিকের সাইকেলের খোঁজ। সেই সময় সুভাষ ও তার বন্ধুরা পুরো বারো মন্দির ঘাট খুঁজেও মেলেনি অভীক৷ পরের দিন বুধবার সকালে অভীক মন্ডলের একটি নিখোঁজ ডাইরি করা হয় উত্তরপাড়া থানায়।

বৃহস্পতিবার দুঃচিন্তার মধ্যে কাটলেও খবর টা এল শুক্রবার।  উত্তরপাড়া থানা থেকে শুক্রবার সকালেই ফোন আসে সুভাষ মন্ডলের কাছে। সকাল দশটা নাগাদ উত্তরপাড়ার শিবতলা ঘাটে একটি দেহ ভেসে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। থানায় ফোন করার পরেই দেহটিকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। সুভাষ মন্ডল ভেসে আসা দেহটিকে দেখে অভীকের দেহ বলে সনাক্ত করেন। সুভায় মন্ডল জানান, পড়াশোনার কোন চাপ ছিল না, তবে সবাই ডাক্তার হতে বলায় চাপ মনে ারে তা জানা নেই। অভীকের মা ঝর্ণা মন্ডল জানান, ইদানিং ফোনের সঙ্গে সময় কাটাতো বেশ অভীক। বারবার না করার পরে ফোন ছাড়তো। বিশেষ এক বন্ধুর সঙ্গেও যোগাযোগ ছিল। পুলিশ সূত্রের খবর মৃত্যুর কারন স্পষ্ট হবে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে। তবে পড়ার কোন চাপ কিনা তার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: