কলকাতা

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

ডানকুনি থেকে আসানসোল ২ নম্বর জাতীয় সড়ক চার থেকে বেড়ে ছয় লেনের হচ্ছে

ডানকুনি থেকে আসানসোল ২ নম্বর জাতীয় সড়ক চার থেকে বেড়ে ছয় লেনের হচ্ছে

টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ। কাজ শুরু হবে শীঘ্রই।

  • Share this:

#কলকাতা: ৬ লেন হচ্ছে ২ নম্বর জাতীয় সড়ক। দূর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়েকে ৪ লেন থেকে ৬ লেনে রুপান্তরের সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রক। ভারতমালা প্রকল্পের আওতায় এই কাজ শুরু হতে চলেছে শীঘ্রই। দক্ষিণবঙ্গ অন্যতম প্রধান রাস্তা হল এই দুই নম্বর জাতীয় সড়ক। আসানসোল শিল্পাঞ্চলের সাথে শহর কলকাতার প্রধান যোগাযোগ হয় এই রাস্তা দিয়েই। চার লেনের এই রাস্তা দিয়ে শিল্পাঞ্চলের পণ্যবাহী গাড়ির পাশাপাশি, ছোট গাড়ি, বাস যাতায়াত করে।

জাতীয় সড়ক বা এন এইচ এ আইয়ের দাবি, যত দিন যাচ্ছে তত এই রাস্তার ওপরে গাড়ির চাপ বাড়ছে। বিহার ও ঝাড়খন্ডে যাওয়ার জন্য অন্যতম প্রধান রাস্তা হওয়ার জন্য গাড়ির চাপ বেড়েছে হু হু করে। কিন্তু নানা কারণে নিত্যদিন যানজট তৈরি হওয়ার কারণে সমস্যা বেড়েছে অনেকটাই। গত বছরের শেষেই কেন্দ্রীয় সরকার সিদ্ধান্ত নেয় এই রাস্তাকে চার লেনের বদলে ছয় লেনে বদলে ফেলা হবে। সেই কাজ শুরু হতে চলেছে অবশেষে। রাস্তার কাজে অভিজ্ঞ এমন সংস্থা দিয়েই এই কাজ করাতে চাইছে এন এইচ এ আই। সে কারণেই গ্লোবাল টেন্ডার ডাকা হয়েছে। ১০ জুলাই টেন্ডার প্রক্রিয়ার শেষ দিন।

১৩০ কিমি লম্বা অংশ জুড়ে হবে এই কাজ। মোট দুটি ভাগে এই কাজ করা হবে। একটি অংশের কাজ হবে পানাগড় থেকে পালসিট অবধি। অপর অংশের কাজ হবে পালসিট থেকে ডানকুনির মধ্যে। পানাগড় অংশে কাজ করার জন্য প্রয়োজন ছিল সেনাবাহিনীর অনুমতি। সেই অনুমতি পাওয়া হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন এন এইচ এ আই'য়ের জিএম আর পি সিংহ। তিনি জানিয়েছেন লক্ষ্য হল তিন বছরের মধ্যে এই কাজ শেষ করা। সড়ক পরিবহণ মন্ত্রক এই রাস্তার শুধু সম্প্রসারণ নয়। নতুন ভাবে এই রাস্তাকে গড়ে তুলতে চাইছেন। জাতীয় সড়কের দু'ধার জুড়ে রয়েছে অসংখ্য গ্রাম। ফলে জাতীয় সড়কের রাস্তা পারাপার করে সারাক্ষণ। এই সমস্যা মেটাতে থাকছে মোট ৬০টি ভেহিক্যালস আন্ডারপাস। থাকছে ৩টি রেলওয়ে ওভার ব্রিজ। থাকছে ৪টি ফ্লাইওভার। সমস্যা হচ্ছে রাস্তার ডিভাইডার হিসাবে যে জমি আছে তাতে গবাদি পশু ছেড়ে বা বেঁধে দিয়ে যান অনেকেই। তারা রাস্তায় নেমে আসে। যার ফলে একাধিক দূঘটনা ঘটে। তাই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গোটা রাস্তা ফেন্সিং করে দেওয়া হবে। এন এইচ এ আই'য়ের জিএম জানিয়েছেন, "২ নম্বর জাতীয় সড়কের ওপরে এখন ৬০ টির কাছাকাছি ব্ল্যাক স্পট আছে। আমাদের রাস্তা সম্প্রসারণ হয়ে গেলে সেটা শুন্যে নেমে আসবে।"

আমাদের রাজ্যে রাস্তা সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নিয়ে অভিজ্ঞতা ভাল নয় এন এইচ এ আইয়ের। বিশেষ করে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক নিয়ে। তবে ২ নম্বর জাতীয় সড়ক নিয়ে জমির সমস্যা হবে না বলেই মত আর পি সিংয়ের। ৯৯% ক্ষেত্রে জমির সমস্যা মিটে গেছে বলে মত তার। বাকি ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার সাহায্য করছে বলে জানাচ্ছেন তিনি। আপাতত অপেক্ষা কাজ শুরু করার।

ABIR GHOSHAL

Published by: Ananya Chakraborty
First published: June 27, 2020, 6:52 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर