• হোম
  • »
  • খবর
  • »
  • কলকাতা
  • »
  • NARADA SCAM UPDATE KALYAN BANDOPADHYAYA AND ABHISHEK MANU SINGHVI APPEAL TO CALCUTTA HIGH COURT THE LARGER BENCH BE ALSO CONSTITUTED IN A SIMILAR URGENT FASHION SB

Narada Scam Update: হাইকোর্টে যুক্তিশেল সিংভির, শনি-রবিতেও শুনানি চাইলেন কল্যাণ! কী বলল আদালত?

যুক্তিশেল

narada scam case-এ ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র, শোভন চট্টোপাধ্যায়দের জামিন নিয়ে দুই বিচারপতির মতানৈক্য হওয়ায় আপাতত তাঁদের গৃহবন্দি থাকতে হবে।

  • Share this:

    কলকাতা: নারদ মামলায় (Narada Scam Case) ৪ হেভিওয়েটের অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর মামলায় নজিরবিহীন জটিলতা। জামিন মঞ্জুর সংক্রান্ত নির্দেশে হাইকোর্টের দুই বিচারপতির মধ্যে মতভেদ। এই মামলায় ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim), সুব্রত মুখোপাধ্যায় (Subrata Mukherjee), মদন মিত্র (Madan Mitra) ও শোভন চট্টোপাধ্যায়ের (Sovan Chatterjee) জামিন মঞ্জুর করেছিলেন বিচারপতি অরিজিত্‍ বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এদিনের শুনানিতে ওই চার জনের জামিন মঞ্জুরের বিরোধিতা করেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল। তাঁর নির্দেশ, জেল হেফাজত থেকে মুক্তি পেলেও ওই চার জনকে থাকতে হবে গৃহবন্দি অবস্থায়। মামলা পাঠানো হবে বৃহত্তর বেঞ্চে। কিন্তু যতদিন না বৃহত্তর বেঞ্চ গঠিত হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত থাকতে হবে গৃহবন্দি অবস্থায়। আর তা নিয়েই একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন অভিযুক্তদের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি।

    বাংলার যে কোনও মামলায় এই ধরনের গৃহবন্দি রাখার নজির নেই বললেই চলে। এই করোনা পরিস্থিতিতে ফিরহাদদের গৃহবন্দি করে রাখার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি। তিনি বলেন, 'পুরসভার দায়িত্বে রয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। তাই পুরসভায় না যেতে পারলে ফিরহাদ হাকিম কী করে করোনার বিরুদ্ধে লড়বেন? পুরসভায় না গেলে কী করে সই সাবুদ করবেন তিনি?' সিঙ্ঘভির কথায়, 'যদি গৃহবন্দি আর সম্পূর্ণরূপে গ্রেফতারের মধ্যে বাছতে হয়, তাহলে গৃহবন্দি বেছে নিতে হবে। কিন্তু যদি গৃহবন্দি আর স্বাধীনতার মধ্যে বেছে নিতে হয়, তাহলে স্বাধীনতাকেই বেছে নিতে হবে।'

    অপরদিকে, অভিযুক্ত পক্ষের অপর আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জোরাল দাবি তুলে জানান, 'গত ১৭ মে সিবিআইয়ের আবেদন বিকেল সাড়ে পাঁচটায় গৃহীত হয়ে রাত এগারোটায় নির্দেশ আসে। এবার এই ক্ষেত্রেও বৃহত্তর বেঞ্চ সেই তৎপরতাতেই তৈরি করা হোক।' কার্যত সেই বক্তব্যে সায় দেন বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তাতে বাধা দেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতা। তখন ক্ষুব্ধ বিচারপতি বলেন, 'আমি আপনার কথা বলার সময় কিছু বলিনি। আপনিও আমার বক্তব্যের সময় তা করতে পারেন না।'

    এর আগেই অভিযুক্তদের পক্ষের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি বলেন, 'আমরা মক্কেলরা হয় মন্ত্রী, নাহয় বিধায়ক। তাঁদের কোথাও পালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। তাহলে কেন গ্রেফতার?’ তবে সিবিআই-এর গৃহবন্দি করার সওয়ালে তিনি দাবি করেন যাতে স্বাধীনতার বিষয়টাতে নজর দেওয়া হয়। গৃহবন্দি করা হলে অভিযুক্তদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হবে বলে মনে করেন তিনি। তাঁর দাবি, লার্জার বেঞ্চ যদি সিন্ধান্ত নেন তাহলে সেটা দ্রুত হোক। আজই হোক সেই শুনানি। যদিও সেই সম্পর্কে এখনও হাইকোর্টের তরফে কিছু না জানানো হলেও বাড়ি থেকে অভিযুক্তদের ভিডিও কনফারেন্সে সমস্ত কাজের অনুমতি দিয়েছে হাইকোর্টে।

    Published by:Suman Biswas
    First published: